মৌখিক অভীক্ষার জন্য নিজেকে আগে থেকেই প্রস্তুত রাখতে হবে। নিচে এগুলো উল্লেখ করা হলো-
দৈহিক সাজসজ্জার প্রস্তুতি
•> হালকা রঙের পরিষ্কার পরিছন্ন পোশাক পরিধান করা।
•> জামার বুকের বোতাম সঠিকভাবে লাগানো।
•> অশোভন কোনোকিছু পরিধান না করা।
•> মাথার চুল সুন্দর পরিপাটি করে কেটে রাখা।
•> কোনো উগ্র সুবাসিত তেল ব্যবহার না করা।
•> অতিরিক্ত প্রসাধনী ব্যবহার না করা।
ভাইভা বোর্ডের সামনে পরীক্ষার্থীর যা করণীয়
•> কক্ষে ঢুকে পরীক্ষক/পরীক্ষকগণের সামনে দাঁড়িয়ে সালাম/আদাব/নমস্কার দিবে।
•> পরীক্ষক বসার অনুমতি দিলে নির্দিষ্ট স্থানে স্বাভাবিক হয়ে বসবে।
•> অনুমতি না পেলে কিছুক্ষণ পর বসার জন্য অনুমতি প্রার্থনা করতে হবে।
•> বিনয় সহকারে প্রতিটি প্রশ্নের উত্তর দিবে।
•> কোনো প্রশ্নের উত্তর না জানা থাকলে অযথা দেরি না করে পারছি না/জানা নেই বলে স্বীকার করবে।
•> কোনো প্রশ্ন নিয়ে তাঁদের সঙ্গে তর্ক বা চ্যালেঞ্জ করবে না।
•> কোনো প্রশ্নের উত্তর না পারলে ঘাবড়ে যাবে না, মনে রাখবে মৌখিক অভীক্ষায় সকল প্রশ্নের উত্তর দেওয়া সম্ভব নয়।
•> মৌখিক অভীক্ষা সমাপ্ত হলে চলে আসার সময় পুনরায় সালাম/আদাব/নমস্কার দিবে। মৌখিক অভীক্ষার জন্য যেসব বিষয়ে পড়াশুনা করতে হবে
•> প্রতিটি পরীক্ষণ সম্পর্কে ভালো ধারণা থাকতে হবে।
•> প্রতিটি পরীক্ষণের সঙ্গে সম্পর্কিত তোমার পাঠ্যবইয়ের সংক্ষিপ্ত প্রশ্নোত্তর শিখতে হবে।
১ম অধ্যায়ঃ ২য় অধ্যায়ঃ ৩য় অধ্যায়ঃ ৪র্থ অধ্যায়ঃ ৫ম অধ্যায়ঃ ৬ষ্ঠ অধ্যায়ঃ১ম অধ্যায়ঃ তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তিঃ বিশ্ব ও বাংলাদেশ প্রেক্ষিত
উত্তর: মানুষ যেভাবে চিন্তা ভাবনা করে, কৃত্তিম উপায়ে কম্পিউটারে সেভাবে চিন্তা ভাবনা করার সক্ষমতার রুপদান করাকে Artificial Intelligence বা কৃত্তিম বুদ্ধিমত্তা বলা হয়।
উত্তর: অনুমতি ব্যতীত কোন কম্পিউটার নেটওয়ার্কে প্রবেশ করে কম্পিউটার ব্যবহার করা অথবা কোন কম্পিউটাকে মোহাচ্ছন্ন করা।
উত্তর: টেকনোলজির যে শাখায় রোবটের নকশা, গঠন ও কাজ সম্পর্কে আলোচনা করা হয় সেই শাখাকে রোবটিক্স বলা হয়।
উত্তর: ন্যানোপ্রযুক্তি হলো পারমাণবিক বা আণবিক স্কেলে অতিক্ষুদ্র ডিভাইস তৈরি করার জন্য ধাতব ও বস্তুকে সুনিপুণভাবে কাজে লাগানোর বিজ্ঞান।
উত্তর: বায়োমেট্রিক্স হলো এমন একটি প্রযুক্তি যেখানে কোন ব্যক্তির দেহের গঠন এবং আচরণগত বৈশিষ্ট্যের উপর ভিত্তি করে তাকে অদ্বিতীয়ভাবে চিহ্নিত বা সনাক্ত করা হয়।
উত্তর: বর্তমানে বিশ্বের প্রায় সকল দেশের মধ্যে বিস্তৃত ইন্টারনেটের মাধ্যমে ব্যক্তি কিংবা প্রতিষ্ঠানের মধ্যে লেনদেনকে ই-কর্মাস (E-Commerce) বলে।
উত্তর: ক্রায়োসার্জারি হচ্ছে এক প্রকার চিকিৎসা পদ্ধতি যার মাধ্যমে অত্যাধিক শীতল তাপমাত্রা প্রয়োগ করে ত্বকের অস্বাভাবিক এবং রোগাক্রান্ত টিস্যু ধ্বংস করা হয়।
উত্তর: ক্রায়োসার্জারিতে ব্যবহৃত পদার্থগুলো দুইটি পদ্ধতিতে প্রয়োগ করা যায়।
উত্তর: ICT এর পূর্ণনাম হলো Information and Communication Technology.
উত্তর: ফ্লাইট সিমুলেশন হলো এমন একটি পদ্ধতি যেখানে ভার্চুয়াল রিয়েলিটিকে কাজে লাগিয়ে বিশেষায়িত কম্পিউটার সিস্টেমসমূহ যেমন-ফ্লাইট সিমুলেটর সমূহের মাধ্যমে সিভিলিয়ান কিংবা মিলিটারি পাইলটদেরকে সত্যিকারের এয়ারক্র্যাফট ছাড়াই সেটি চালানোর প্রশিক্ষণ দেয়া হয়।
উত্তর: Electronic mail কে সংক্ষেপ E-mail বলা হয়। এটি একটি উন্নত ও দ্রুত বৈদ্যুতিক ডাক ব্যবস্থা। এটি এমন এক নেটওয়ার্ক ব্যবস্থা যার মাধ্যমে স্বল্প ব্যয়ে তাৎক্ষণিকভাবে বিশ্বের যেকোনো প্রান্তে সংবাদ আদান প্রদান করা যায়।
উত্তর: ইন্টারনেট পৃথিবী বিস্তৃত একটি বৃহত্তম কম্পিউটার নেটওয়ার্ক। এটি অসংখ্য ছোট বা বড় নেটওয়ার্কের সংযোগে তৈরি একটি আন্তর্জাতিক নেটওয়ার্ক।
উত্তর: ডেটা কমিউনিকেশন ব্যবস্থার সাথে সংশ্লিষ্ট প্রযুক্তিকে যোগাযোগ প্রযুক্তি বা কমিউনিকেশন টেকনোলজি বলা হয়।
উত্তর: নব্বই দশকে ইন্টারনেট চালু হয়।
উত্তর: বায়োটেকনোলজির মাধ্যমে কোন প্রাণীর জিনোমকে (genome) নিজের সুবিধানুযায়ী সাজিয়ে নেয়াকেই জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং বা জেনেটিক মডিফিকেশন বলে।
উত্তর: রোবট হচ্ছে কম্পিউটার নিয়ন্ত্রিত একটি স্বয়ংক্রিয় ব্যবস্থা; যা মানুষ যেভাবে কাজ করে তা সেভাবে কাজ করতে পারে অথবা এর কাজের ধরন দেখে মনে হবে এর কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা আছে।
উত্তর: তথ্য প্রযুক্তির প্রয়োগের মাধ্যমে অফিসের সার্বিক কার্যক্রমে (যেমন- ডকুমেন্ট তৈরি, ডকুমেন্ট নথিভুক্তকরণ ও সংরক্ষণ ইত্যাদি) দক্ষতার সাথে ডিজিটাল পদ্ধতিতে সম্পন্ন করাকে অফিস অটোমেশন বলে।
উত্তর: গ্লোবাল ভিলেজ হচ্ছে এমন একটি পরিবেশ যেখানে পৃথিবীর সকল মানুষই একটি একক সামাজে বসবাস করে এবং ইলেকট্রনিক মিডিয়া ও তথ্য প্রযুক্তির ব্যবহারের মাধ্যমে একে অপরকে সেবা প্রদান করে থাকে।
উত্তর: এক্সপার্ট সিস্টেম এমন একটি সিস্টেম যার সাহায্যে সফটওয়্যার এর মাধ্যমে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাকে কাজে লাগিয়ে কোনো জটিল সমস্যার সমাধান অথবা সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা যায়। এক্সপার্ট সিস্টেম কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার নীতিতে প্রতিষ্ঠিত।
উত্তর: ভার্চুয়্যাল রিয়েলিটি বা VR হচ্ছে কম্পিউটার নিয়ন্ত্রিত সিস্টেম যাতে মডেলিং (Modelling) ও অনুকরণবিদ্যার (Simulation) প্রয়োগের মাধ্যমে মানুষ কৃত্রিম ত্রিমাত্রিক ইন্দ্রিয় গ্রাহ্য পরিবেশের সাথে সংযোগ স্থাপন বা উপলব্ধি করতে পারে।
উত্তর: ডিজিটাল কনভারজেন্স হলো বিভিন্ন মাধ্যমের বিভিন্ন প্রযুক্তিকে (তথ্য প্রযুক্তি, যোগাযোগ প্রযুক্তি বা টেলিকমিউনিকেশনস, কনজ্যুমার ইলেকট্রনিক্স ও বিনোদন বা গেই শিল্প) মিলিত করে একটি মাধ্যমে একীভূত করা এবং কার্যকরভাবে পরিচালনা করা।
উত্তর। যে প্রযুক্তি’র মাধ্যমে তথ্য দ্রুত আহরণ, প্রয়োজন অনুযায়ী সংরক্ষণ, আধুনিকীকরণ, ব্যবস্থাপনা এবং বিতরণ করা হয় তাকে তথ্য প্রযুক্তি বলে।
উত্তর: টেলিকমিউনিকেশন ব্যবস্থায় মনিটর বা পর্দায় অংশগ্রহণকারীরা পরস্পরের সম্মুখীন হয়ে যখন একে অন্যকে দেখে কথোপকথনে অংশগ্রহণ করে তখন তাকে ভিডিও কনফারেন্সিং বলা হয়।
উত্তর: স্যাটেলাইট কমিউনিকেশন, টেলি কমিউনিকেশন ও ওয়্যারলেস কমিউনিকেশন।
উত্তর: GPS-এর পূর্ণনাম- Global Positioning System.
উত্তর: GSM-এর পূর্ণনাম- Global System for Mobile Communications.
উত্তর: বারকোড হলো এক প্রকার সাংকেতিক চিহ্ন, যার দ্বারা পণ্যের নাম, প্রস্তুতকারকের নাম, মূল্য প্রভৃতি তথ্য সংযুক্ত করা হয়।
উত্তর: ১৯৭০ সালের দিকে অফিসগুলোতে অটোমেশনের প্রচলন শুরু হয়।
উত্তর: ওয়েব পেজ (Webpage) হলো সাধারণত এক ধরনের ওয়েব ডকুমেন্ট যেখানে প্রয়োজনীয় বিভিন্ন তথ্য বা ছবি রাখা হয় এবং একটি ওয়েব সাইটের সাথে যুক্ত থাকে যা ইন্টারনেট ব্যবহার করে পৃথিবীর যেকোন স্থান থেকে দেখা যায়।
উত্তর: যিনি ইন্টারনেট ব্লগে পোস্ট করেন তাকে ব্লগার বলা হয়।
উত্তর: জিআইএস এমন একটি সিস্টেম যা প্রাকৃতিক, সম্পদ, ভূমি, পরিবেশ তথা ভৌগোলিক অবকাঠামো ও পারিপার্শ্বিক বিষয় সংক্রান্ত তথ্য বিশ্লেষণ ও সংগঠন করতে পারে।
উত্তর: বায়োইনফরমেট্রিক্স বা জৈব তথ্যবিজ্ঞান হলো এমন এক প্রযুক্তি যা ফলিত গণিত, তথ্যবিজ্ঞান, পরিসংখ্যান, কম্পিউটার বিজ্ঞান, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, রসায়ন এবং জৈব রসায়ন ব্যবহার করে জীববিজ্ঞানের সমস্যাসমূহ সমাধান করা হয়।
উত্তর: রিচার্ড ফাইনম্যানকে ন্যানো প্রযুক্তির জনক বলা হয়।
উত্তর: মরি টারফ ১৯৭৫ সালে টেলিকনফারেন্সিং উদ্ভাবন করেন।
উত্তর: টেলিকনফারেন্সিং ৩ প্রকার। যথা- i. পাবলিক কনফারেন্স ii. ক্লোজড কনফারেন্স iii. রিড অনলি কনফারেন্স।
উত্তর: বুলেটিন বোর্ড একটি শক্তিশালী বোর্ড, যা কেন্দ্রিয় কম্পিউটারের সাথে অন্যান্য কম ক্ষমতাসম্পন্ন কম্পিউটার ও টেলিফোন লাইনের মাধ্যমে সংযুক্ত থাকে।
উত্তর: রিজার্ভেশন সিস্টেম হলো- ইলেকট্রনিক উপায়ে আসন সংরক্ষণের ব্যবস্থা করা।
উত্তর: আধুনিক কম্পিউটার ব্যবস্থায় টেলিফোন ও ডেটা নেটওয়ার্কের মাধ্যমে ইলেকট্রনিক উপায়ে দ্রুত অর্থ স্থানান্তর করা যায়, এ পদ্ধতিকে ইলেকট্রনিক ফান্ড ট্রান্সফার বলে।
উত্তর: ATM দ্বারা বোঝায় Automated Teller Machine এটি একটি স্বয়ংক্রিয় ব্যাংকিং ব্যবস্থা, এর মাধ্যমে অর্থ উত্তোলন করা যায়।
উত্তর: মূল লেখক বা স্রষ্টার অনুমতি ছাড়া তার কর্ম বা সৃষ্টি অন্য নামে ব্যবহার করাকে প্লেজিয়ারিজম বলে।
দ্বিতীয় অধ্যায়: কমিউনিকেশন সিস্টেমস ও নেটওয়ার্কিং
উত্তর: এটি একটি বুদ্ধিমান ইন্টারনেটওয়ার্ক কানেকটিভিটি ডিভাইস যা লজিক্যাল এবং ফিজিক্যাল এড্রেস ব্যবহার করে দুই বা ততোধিক নেটওয়ার্ক সেগমেন্টের মধ্যে ডেটা আদান-প্রদানের ব্যবস্থা করে।
উত্তর: প্রতি সেকেন্ডে যে পরিমাণ ডেটা বিট স্থানান্তরিত হয় তার পরিমাণকে bps বলে। নির্দিষ্ট পরিমাণ বিপিএস যখন ডেটা ট্রান্সমিশনের গতির একক হিসেবে চিহ্নিত হয়, তখন সেটিকে Band বা Bandwidth বলা হয়।
উত্তর: এক ধরনের নেটওয়ার্ক কানেক্টিভিটি ডিভাইস যা মিডিয়া সেগমেন্টগুলোকে একটি কেন্দ্রীয় অবস্থানে এনে একত্রিত করে।
উত্তর: ক্লাউড কম্পিউটিং হলো ইন্টারনেট ভিত্তিক এমন একটি কম্পিউটিং ব্যবস্থা যেখানে কম্পিউটারের সমস্ত ডেটা এবং সফটওয়্যার নিজের কম্পিউটারে না রেখে ইন্টারনেটের মাধ্যমে বিভিন্ন অ্যাপ বা নেটওয়ার্কে জমা করে রাখা হয় এবং প্রয়োজনের সময় সেখান থেকে ব্যবহার করা হয়।
উত্তর: সাধারণত 1km বা তার কম এরিয়ার মধ্যে বেশ কিছু কম্পিউটার টার্মিনাল বা অন্যকোনো পেরিফেরাল ডিভাইস সংযুক্ত করে যে নেটওয়ার্ক তৈরি করা হয় তাই LAN
উত্তর: এক কম্পিউটার থেকে দূরবর্তী কোনো কম্পিউটারে ডেটা কমিউনিকেশন করতে যে পদ্ধতি ব্যবহার করা হয় তাকে ডেটা কমিউনিকেশন মোড বলে।
উত্তর: বুলিয়ান অ্যালজেবরায় মৌলিক কাজগুলো বাস্তবায়নের জন্য যে ডিজিটাল ইলেকট্রনিক সার্কিট বা বর্তনী ব্যবহার করা হয়, তাই লজিক গেইট।
উত্তর: হটস্পট হলো এক ধরনের ওয়্যারলেস নেটওয়ার্ক, যা মোবাইল, কম্পিউটার এবং অন্যন্য ডিভাইস যেমন–স্মার্ট ফোন, পিডিএ, ট্যাব, নোটবুক বা ল্যাপটপ ইত্যাদিতে ইন্টারনেট সংযোগ সরবরাহ করে। বর্তমানে জনপ্রিয় তিনটি হটস্পট (hotspot) প্রযুক্তি হলো– WiMAX. Wi-Fi. Bluetooth.
উত্তর: ব্রিজ একাধিক নেটওয়ার্ককে সংযুক্ত করে নেটওয়ার্ক সম্প্রসারণে সহায়তা করে। ব্রিজ তার কাছে আসা সব ডেটা সংকেত পরীক্ষা করে দেখে এবং যদি প্রয়োজন হয় এটিকে নেটওয়ার্কের এক অংশ থেকে অন্য অংশের দিকে চালিত করে।
উত্তর: যে টপোলজিতে প্রতিটি কম্পিউটার প্রতিটির সাথে সরাসরি যুক্ত থাকে তাকে মেশ টপোলজি বলে।
উত্তর: কোনো ডেটাকে এক প্রান্ত থেকে অন্য প্রান্তে কিংবা এক ডিভাইস থেকে অন্য ডিভাইসে অথবা একজনের ডেটা অন্য সবার নিকট স্থানান্তরের প্রক্রিয়াই হলো ডেটা কমিউনিকেশন।
উত্তর: একটি উচ্চ গতির সম্পন্ন Bandwidth যার গতি কমপক্ষে ১ Mbps হতে অতি উচ্চগতি সম্পন্ন পর্যন্ত হয়ে থাকে।
উত্তর: যখন একটি কম্পিউটার ব্যবহারকারী তাদের আনুষঙ্গিক যন্ত্রপাতি ভাগাভাগি করে ব্যবহার ও পারস্পরিক তথ্য আদান-প্রদান করে থাকে তখন এ সামগ্রিক প্রক্রিয়াকে কম্পিউটার নেটওয়ার্ক বলে।
উত্তর: যে পদ্ধতিতে ডেটা একই মাধ্যমের মধ্যে দিয়ে এক সঙ্গে উভয়দিকে প্রবাহিত হতে পারে তাকে ফুল-ডুপ্লেক্স বলে।
উত্তর: যে ইলেকট্রনিক্স মাধ্যমে বা ট্রান্সমিশন সিস্টেম বা যন্ত্রের মাধ্যমে মডুলেশন ও ডিমডুলেশন প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে প্রেরক ও প্রাপক কম্পিউটারের মধ্যে ডেটা আদান-প্রদানে সাহায্য করে তাই মডেম।
উত্তর: দুই বা ততোধিক কম্পিউটারের মধ্যে যোগাযোগ স্থাপনের জন্য স্থাপিত কার্ডকে NIC বলে।
উত্তর: সিগন্যাল পাঠানোর সময় বিভিন্ন বিটের মধ্যে সমন্বয়ের জন্য ব্যবহৃত পদ্ধতিকে বলা বিট সিনক্রোনাইজেশন।
উত্তর: যে পদ্ধতির মাধ্যমে যোগাযোগ প্রযুক্তি ব্যবহার করে তথ্য, ভিডিও আদান-প্রদান করা হয় তাই কমিউনিকেশন সিস্টেম।
উত্তর: যে প্রক্রিয়ায় ডিজিটাল সিগনালকে অ্যানালগ সিগনালে পরিণত করা হয় তাকে মডুলেশন বলে।
উত্তর: LAN-এর পূর্ণরূপ হলো Local Area Network.
উত্তর: একগুচ্ছ আন্তঃসংযোগকারী ডিভাইস যা নিজেদের মধ্যে তথ্য বিনিময় ও রিসোর্স শেয়ার করতে পারে তাই হলো কম্পিউটার নেটওয়ার্ক।
উত্তর: ইলেকট্রনিক ডিভাইসমূহ ওয়্যারলেস রেডিও ফ্রিকোয়েন্সির চৌম্বকীয় প্রভাবের কারণে অনাকাঙ্কিত নয়েজ তৈরি করে। ডেটা ট্রান্সফারের সময় এই তড়িৎ চৌম্বকীয় অনাকাঙ্খিত নয়েজ ডেটা ট্রান্সমিশনে বাঁধার সৃষ্টি করে। এটিই হলো ইলেকট্রোম্যাগনেটিক ইন্টারফেয়ারেন্স বা ইএমআই।
উত্তর: যে ডেটা ট্রান্সমিশনের পদ্ধতিতে কাছাকাছি অবস্থিত ডিভাইসগুলোর মধ্যে একটি ক্যারেক্টারের সবগুলো বিট একসাথে সমান্তরালভাবে একই ক্লক পালসে স্থানান্তরিত হয় তাকে প্যারালাল ট্রান্সমিশন বলে।
উত্তর: এক কম্পিউটার থেকে দূরবর্তী কোনো কম্পিউটারে ডেটা ট্রান্সমিট করতে যে পদ্ধতি ব্যবহার করা হয় তাই ডেটা ট্রান্সমিশন মোড।
উত্তর: যে পদ্ধতিতে প্রেরক ও প্রাপক স্টেশনের মধ্যে ডেটা ট্রান্সমিশনের সময় একই অর্থাৎ কোনো প্রকার দেরি ছাড়া একক সময়ে সমস্ত ডেটা ব্লক ট্রান্সফার করা হয় তাকে আইসোক্রোনাস ডেটা ট্রান্সমিশন মেথড বলে।
উত্তরঃ এক ধরনের ইলেক্টোম্যাগনেটিক ওয়াভ যা ডেটা, ছবি ইত্যাদি স্থানান্তর করে থাকে এবং সেকেন্ডে ১-২ গিগাবিট বা তার চেয়ে বেশি (১০ গিগাবিটস সে.) গতিতে ডেটা ট্রান্সমিট করতে পারে তাকে মাইক্রোওয়েভ বলে।
উত্তর: Wi-Max এর পূর্ণ নাম হলো Worldwide Interoperability for Microwave Access
উত্তর: কম্পিউটার নেটওয়ার্কে একটি কম্পিউটার হতে অপর কম্পিউটারের সাথে সংযোগ ব্যবস্থা এবং সংযোগের ধরনকে নেটওয়ার্ক টপোলজি বলে।
উত্তর: ডেটা কমিউনিকেশনের উপাদান ৫টি।
উত্তর: নেটওয়ার্ক প্রধানত দুই ধরনের মাধ্যম ব্যবহার করে। যথা- ১. ওয়্যার বা ক্যাবল এবং ২. ওয়্যারলেস।
উত্তর: SIM-এর পূর্ণরূপ হলো- Subscriber Identity Module:
উত্তর: টপোলজি হলো একটি নেটওয়ার্কে ব্যবহৃত ক্যাবল, পিসি, রাউটার ইত্যাদি ডিভাইসগুলোর পরস্পরের সাথে সংযুক্ত হওয়ার কাঠামো।
উত্তর: স্বল্প দুরত্বে (১০ থেকে ১০০ মিটার) ডেটা আদান-প্রদানের জন্য ব্যবহৃত একটি ওপেন ওয়্যারলেস প্রটোকল হচ্ছে ব্লু-টুথ। এটি PAN (Personal Area Network) এর ওয়্যারলেস ভিত্তিক নেটওয়ার্কের আওতাভুক্ত।
তৃতীয় অধ্যায়: সংখ্যা পদ্ধতি ও ডিজিটাল ডিভাইস
উত্তর: যখন একটি বস্তুর কার্যক্ষমতা বাড়ানোর জন্য কোনো বিশেষ প্রযুক্তি বা যন্ত্র ব্যবহার করে অণু বা পরমাণুগুলোকে ন্যানোমিটার স্কেলে বা ন্যানো পার্টিকেলরূপে পরিবর্তন করা হয় তখন সেই প্রযুক্তিকে ন্যানোটেকনোলজি বলে।
উত্তর: বিভিন্ন সাংকেতিক চিহ্ন বা মৌলিক চিহ্ন বা অঙ্ক ব্যবহার করে সংখ্যা লেখা ও প্রকাশ করার পদ্ধতিকে সংখ্যা পদ্ধতি বলা হয়।
উত্তর: বুলিয়ান অ্যালজেবরা ব্যবহারিক প্রয়োগের জন্য যে ডিজিটাল ইলেকট্রনিক সার্কিট ব্যবহার করা হয় তাকে লজিক গেইট বলে।
উত্তর: রেজিস্টার হলো একগুচ্ছ ফ্লিপ-ফ্লপ, যার প্রত্যেকটি একটি বাইনারি বিট 0 বা 1 ধারণ করতে পারে।
উত্তর: এনকোডার এমন একটি সমবায় সার্কিট যার দ্বারা সর্বাধিক 2n টি ইনপুট থেকে n টি আউটপুট লাইনে 0 বা 1 আউটপুট পাওয়া যাবে।
উত্তর: BCD এর পূর্ণরূপ হচ্ছে Binary Coded Decimal। দশমিক সংখ্যার প্রতিটি অঙ্ককে সমতুল্য বা সমান বাইনারি সংখ্যা দ্বারা প্রকাশের ব্যবস্থা হচ্ছে BCD।
উত্তর: কোনো একটি সংখ্যা পদ্ধতিতে যতগুলো মৌলিক চিহ্ন থাকে তার মোট সংখ্যা হলো উক্ত সংখ্যা পদ্ধতির বেস (Base) বা ভিত্তি। যেমন- বাইনারি সংখ্যা (0 ও 1) পদ্ধতির বেস হলো 2।
উত্তর: এ্যাডার হলো বাইনারি সংখ্যার যোগ বাস্তবায়নকারী ডিজিটাল বর্তনী।
উত্তর: American Standard Code for Information Interchange এর সংক্ষিপ্ত রুপ ASCII বা অ্যাসকি।
উত্তর: যে সংখ্যা পদ্ধতিতে সংখ্যার মান অবস্থানের উপর ভিত্তি করে নির্ণীত হয় তাকে পজিশনাল সংখ্যা পদ্ধতি বলে।
উত্তর: বিভিন্ন পদ্ধতির প্রতিটি প্রতীক, বর্ণ, যতিচিহ্ন ইত্যাদিকে যে সকল বাইনারি সংখ্যা দিয়ে চিহ্নিত করা হয় তাকে কোড বলে।
উত্তর: ডিকোডার একধরনের সমবায় ডিজিটাল বর্তনী যা কম্পিউটারে ব্যবহৃত যান্ত্রিক ভাষাকে মানুষের বোধগম্য ভাষায় রূপান্তরিত করে।
উত্তর: বুলিয়ান অ্যালজেবরার প্রবর্তক প্রখ্যাত ইংরেজ গণিতবিদ জর্জ বুল।
উত্তর: কোনো ব্যক্তির কোনো সাহিত্য, গবেষণা বা সম্পাদনা কর্ম হুবহু নকল বা আংশিক পরিবর্তন করে নিজের নামে প্রকাশ করাই হলো প্লেজিয়ারিজম।
উত্তর: যে সকল টেবিল বা সারণির মাধ্যমে বিভিন্ন গেইটের ফলাফল প্রকাশ করা হয় অর্থাৎ লজিক সার্কিটের ইনপুটের উপর আউটপুটের ফলাফল প্রকাশ করা হয় তাকে সত্যক সারণি বলে।
উত্তর: বুলিয়ান বীজগণিতে চলকের দুটি সম্ভাব্য মান 0 এবং 1 কে একটি অপরটির বুলিয়ান পূরক বলে।
উত্তর: একটি কাউন্টার প্রথম ধাপ থেকে শুরু করে আবার প্রথম ধাপে ফিরে আসতে যতগুলো ধাপ প্রয়োজন হয় তাকে ঐ কাউন্টারের মোড নম্বর বলে।
উত্তর: রেজিস্টার হলো মাইক্রো প্রসেসরের অভ্যন্তরে অবস্থিত উচ্চ গতিসম্পন্ন মেমোরি।
উত্তর: যে রেজিস্টার বাইনারি তথ্যকে ডানদিকে বা বামদিকে বা উভয় দিকে সরাতে পারে তাকে শিফ্ট রেজিস্টার বলে।
উত্তর: শিফট রেজিস্টার কয়েক ধরনের হয়। যথা-শিফ্ট লেফট, শিফ্ট রাইট এবং কন্ট্রোলড শিফ্ট।
উত্তর: কাউন্টার হলো এমন একটি সিকুয়েন্সিয়াল সার্কিট যাতে দেওয়া ইনপুট পালসের সংখ্যা গুণতে পারে। কাউন্টার এক ধরনের রেজিস্টার যা বিশেষ কাজের জন্য ব্যবহার করা হয়।
উত্তর: যে কাউন্টার একটি মাত্র ক্লক পালস্ সবগুলো ফ্লিপ ফ্লপের অবস্থার পরিবর্তন ঘটায় তাকে সিনক্রোনাস কাউন্টার বলে।
উত্তর: যে কাউন্টারে একটি ফ্লিপ ফ্লপের আউটপুট অন্যটির ক্লক পালস্ হিসেবে ব্যবহৃত হয় তাকে এসিনক্রোনাস কাউন্টার বলে।
উত্তর: AND এবং OR অপারেশনের সাথে সম্পর্কযুক্ত সূত্রকে দ্বৈত নীতি বলে।
উত্তর: যে অ্যাডার দুটি বিট যোগ করে যোগফল ও হাতে থাকে সংখ্যা বা ক্যারি বের করতে পারে তাকে হাফ অ্যাডার বলে।
উত্তর: বিশ্বের সকল ভাষাকে কম্পিউটারের কোডভুক্ত করার জন্য বড় বড় কোম্পানিগুলো একটি মান তৈরি করেছেন যাকে ইউনিকোড বলা হয়।
উত্তর: EBCDIC এর পূর্ণ নাম Extended Binary Coded Decimal Interchange Code
উত্তর: ইবিসিডিক কোড আট বিট বিসিডি কোড।
উত্তর: কম্পিউটারের জন্য তথ্য বা নির্দেশকে কয়েক ধরনের চিহ্ন দিয়ে প্রকাশ করা হয়। এর একটি হলো বর্ণমালার অক্ষর, যেমন: a-z, A - Z. এবং অন্যটি সংখ্যা যেমন, 0-9 এবং আর একটি হলো বিশেষ চিহ্ন (যেমন: !, @, $, #) ইত্যাদি। এ' বিভিন্ন ধরনের চিহ্নিত কোডকে আলফানিউমেরিক কোড বলে।
উত্তর: যে সংখ্যা পদ্ধতিতে 0, 1, 2, 3, 4, 5, 6, 7, 8 ও 9 অঙ্ক বা চিহ্ন বা প্রতীক নিয়ে আলোচনা করা হয় তাই দশমিক সংখ্যা পদ্ধতি। এর ভিত্তি 10।
চতুর্থ অধ্যায়: ওয়েব ডিজাইন পরিচিতি এবং HTML
উত্তর: ওয়েব পেজ (Webpage) হলো সাধারণত এক ধরনের ওয়েব ডকুমেন্ট যেখানে প্রয়োজনীয় বিভিন্ন তথ্য বা ছবি রাখা হয় এবং একটি ওয়েব সাইটের সাথে যুক্ত থাকে যা ইন্টারনেট ব্যবহার করে পৃথিবীর যেকোন স্থান থেকে দেখা যায়।
উত্তর: একই ডোমেইনের অধীনে একাধিক ওয়েব পেজের সমষ্টিকে ওয়েবসাইট বলে।
উত্তর: ওয়েব পেজ এর অ্যাড্রেস কে URL বলে। URL এর পূর্ণরূপ Uniform Resource Locator
উত্তর: ওয়েব সার্ভার বলতে বিশেষ ধরনের হার্ডওয়্যার ও সফটওয়্যারকে বুঝায় যার সাহায্যে এ সার্ভারে রক্ষিত কোন উপাত্ত বা তথ্য ইন্টারনেটের মাধ্যমে অ্যাকসেস করা যায়।
উত্তর: যে সফটওয়্যার ইন্টারনেটের ইনফরমেশন বা web page প্রদর্শনের কাজ করে তাঁকে ওয়েব ব্রাউজার বলে।
উত্তর: DNS এর ফুল ফর্ম হলো Domain Name System। এটি এমন একটি সিস্টেম, যেটি ডোমেইন নেমকে, আইপি এড্রেস এবং আইপি এড্রেস কে ডোমেইন নেম এ রূপান্তরিত করে।
উত্তর: HTML হলো ওয়েবসাইট বা ওয়েবপেজ তৈরি করার জন্য ব্যবহৃত বিশেষ ধরনের ল্যাংগুয়েজ। HTML এর অর্থ হলো Hyper Text Markup Language.
উত্তর: যে সকল ওয়েবসাইটের ডেটার মান ওয়েব টেকনোলজি লোডিং বা ওয়েব পেইজ চালু করার সময় পরিবর্তন করা যায় না তাকে স্ট্যাটিক ওয়েবসাইট বলে।
উত্তর: যে সকল ওয়েবসাইটের ডেটার মান ওয়েব টেকনোলজি লোডিং বা পেইজ চালু করার পর পরিবর্তন করা যায় তাকে ডাইনামিক ওয়েবসাইট বলে।
উত্তরঃ WWW এর পূর্ণরূপ World Wide Web এর বাংলা অর্থ হচ্ছে বিশ্বজাল। অর্থাৎ এটি বিশ্বজুড়ে ছড়িয়ে থাকা সকল কম্পিউটারের একটি নেটওয়ার্ক যেখানে বিশ্বের সমস্ত ওয়েবসাইট সংরক্ষিত আছে।
উত্তর: ইন্টারনেটে যুক্ত প্রতিটি কম্পিউটারের একটি নিজস্ব ঠিকানা থাকে। এই ঠিকানাকে আইপি অ্যাড্রেস বলে। IP Address এর পূর্ণ অর্থ হলো Internet Protocol Address.
উত্তর: তিন অক্ষরের টপ লেভেল ডোমেইনকে জেনেরিক ডোমেইন বলা হয় যা দ্বারা ডোমেইনের প্রকৃতি বোঝা যায়। যেমন: .com, .net, .edu, .gov ইত্যাদি।
উত্তর: সার্চ ইঞ্জিন হচ্ছে এমন এক ধরনের টুল যার সাহায্যে ইন্টারনেটের অজস্র ওয়েব সার্ভার থেকে সহজেই যেকোনো তথ্য খুজে বের করা যায়। বহুল ব্যবহৃত কিছু সার্চ ইঞ্জিন হলো: Google, Yahoo, Bing ইত্যাদি।
উত্তর: ওয়েব পোর্টাল হচ্ছে একটি ওয়েব সাইটের মধ্যে বিভিন্ন লিংক, কন্টেন্ট ও সার্ভিসের সংগ্রহ যা ব্যবহারকারীদের কে তথ্য জানানোর জন্য সহজবোধ্যভাবে উপস্থাপন করা হয়।
উত্তর: http হলো এক ধরনের প্রোটোকল যার পূর্ণ নাম hyper text transfer protocol । https এর পূর্ণ নাম Hypertext Transfer Protocol Secure। এখানে S এর মাধ্যমে বুঝায় সিকিওর মানে সুরক্ষিত কারন HTTPS এ সবকিছু এনক্রিপটেড থাকে।
উত্তর: এইচটি এম এল ট্যাগ হলো এইচটিএমএল ডকুমেন্টের সাথে সংলগ্ন কোডিং নির্দেশনাবলি। ট্যাগ হলো কী ওয়ার্ড যা জোড়া অ্যাঙ্গেল ব্রাকেটের মধ্যে লিখতে হয়।
উত্তর: লেখাকে (টেক্সট) ছোট, বড়, বোল্ড, ইটালিক, আন্ডারলাইন, সাইজ পরিবর্তন, কালার পরিবর্তন, স্টাইল করার জন্যই ফরম্যাটিং করা হয়। আর এ কাজের জন্য বিভিন্ন ধরনের ট্যাগ ব্যবহার করা হয়। যাকে ফরম্যাটিং ট্যাগ বলে। যেমন: <'b>, <'i>, <'u> ইত্যাদি।
উত্তর: হাইপারলিঙ্ক হচ্ছে একটি ওয়েধ পেইজের কোন একটি অংশের সাথে বা কোন পেইজের সাথে অন্যান্য পেইজের সংযোগ স্থাপন করা। এটি দুই প্রকার। যথা: ইন্টারনাল হাইপারলিংক ও এক্সটারনাল হাইপারলিংক। এর ট্যাগ হলো <.a>।
উত্তর: ওয়েব সাইট তৈরি করার পর পাবলিশিং এর পূর্বে কোনো ভুল ত্রুটি আছে কি না তা নির্ণয় করার জন্য যে লোকাল সার্ভার ব্যবহার করা হয় তাই WAMP অথবা XAMP সার্ভার।
উত্তর: ওয়েবসাইট কে ইন্টারনেটের সাথে যুক্ত কোনো ওয়েব সার্ভারে সংরক্ষণ করাকে ওয়েব হোস্টিং বলে।
উত্তর: এটি একটি html এম্পটি ট্যাগ যা হেড সেকশনে ব্যবহার করা হয়। ট্যাগের মাধ্যমে সার্চ ইঞ্জিন ওয়েব সাইট সম্পর্কে বিভিন্ন ধরনের তথ্য সংগ্রহ করে।
উত্তর: ইন্টারনেট থেকে কোনো ওয়েবসাইট কে অনুসন্ধান করার জন্য যে ঠিকানা ব্যবহার করা হয় তাকে ডোমেইন নেম বলা হয়।
উত্তর: ব্লগ হলো বিশেষ ধরনের ওয়েবসাইট। ওয়েবসাইট ও ব্লগ এর মধ্যে মূল পার্থক্য হলো ওয়েবসাইট আপডেট করা হয় অনিয়মিত ভাবে অপরদিকে ব্লগ আপডেট করা হয় নিয়মিত ভাবে।
উত্তর: কোনো একটি নির্দিষ্ট ওয়েব সাইটে কোনো বিষয়কে পাঠকদের মতামত প্রদানের জন্য তুলে ধরাকে ব্লগিং বলে।
উত্তর: কম্পিউটার নেটওয়ার্কে ডাউনলোড হচ্ছে একটি দূরবর্তী সিস্টেম থেকে তথ্য পাওয়ার উপায়।
উত্তর: আপলোড হচ্ছে স্থানীয় সিস্টেম হতে নেটওয়াকের সাহায্যে দূরবর্তী কোনো সিস্টেমে তথ্য পাঠানো।
উত্তর: যে সমস্ত ট্যাগের ওপেনিং বা শুরু, ট্যাগের বিষয়বস্তু ও ক্লোজিং বা শেষ থাকে তাকে ধারক বা কনটেইনার ট্যাগ বলে।
heading 1
উত্তর: যে সমন্ত ট্যাগের ওপেনিং বা শুরু আছে কিন্তু ট্যাগের বিষয়বস্তু ও ক্লোজিং বা শেষ থাকে না তাকে ফাঁকা বা এম্পটি ট্যাগ বলে।
, < br>,
উত্তর: ওয়েব পেইজ ডিজাইন হচ্ছে একটি ওয়েবসাইটের জন্য বাহ্যিক কাঠামো তৈরি করা, যেখান থেকে ভিজিটররা সহজে প্রয়োজনীয় তথ্য খুজে পেতে পারে।
উত্তর: WWW হলো পৃথিবীর বিভিন্ন দেশের সার্ভারে রাখা পরস্পর সংযোগযোগ্য ওয়েব পেইজ। এই ওয়েব পেইজ পরিদর্শন করাকে ওয়েব ব্রাউজিং বলে।
উত্তর: প্রতিটি HTML ডকুমেন্টকে ফ্রেম বলা হয়।
উত্তর: উইন্ডোতে কীভাবে ফ্রেম বিভক্ত করা হবে তা নির্ধারণ করতে
উত্তর: যে অবকাঠামোতে একটি ওয়েবসাইটের সকল তথ্য বা বিষয়বস্তু উপস্থাপন করা হয় তাকে ওয়েবসাইটের কাঠামো বলে।
উত্তর: ওয়েবসাইটে প্রথম ঢুকলে যে পেজটি প্রদর্শিত হয় তাকে হোম পেজ বলে।
পঞ্চম অধ্যায়: প্রোগ্রামিং
উত্তর: কম্পাইলার এক ধরনের অনুবাদক প্রোগ্রাম যা হাইলেভেল প্রোগ্রামিং ভাষার উৎস প্রোগ্রামকে মেশিন ভাষার অবজেক্ট প্রোগ্রামে অনুবাদ করে।
উত্তর: কোন সমস্যা সমাধানের জন্য কম্পিউটারের ভাষায় ধারাবাহিকভাবে কতগুলো কমান্ড বা নির্দেশের সমষ্টিকে প্রোগ্রাম বলা হয়। প্রোগ্রাম লেখার জন্য বিভিন্ন ধরনের প্রোগ্রাম ভাষা ব্যবহৃত হয়।
উত্তর: যে প্রোগ্রামের মাধ্যমে উৎস প্রোগ্রাম (source Programme) কে যন্ত্রভাষায় অনুবাদ করে বস্তু প্রোগ্রাম (Object Programme) এ পরিণত করা হয় তাকে অনুবাদক প্রোগ্রাম বলা হয়।
উত্তর: চলক বা ভেরিয়েবল হলো প্রোগ্রামার কর্তৃক দেয়া কিছু বিট বা বাইট সংরক্ষণের জন্য মেমরি পরিসরের একটি নাম, যে নামের অধীনে ডেটা রাখা হয়।
উত্তর: সিনট্যাক্স ভুল বলতে বোঝায় প্রোগ্রামিং ভাষার ব্যাকরণগত ভুল। যেমন বানান ভুল (PRINT কে PRIMT লেখা ইত্যাদি); কমা, ব্রাকেট ঠিকমত না দেওয়া; কোন চলকের মান না জানানো প্রভৃতি।
উত্তর: ডেটাবেজে টেবিলের ডেটাকে ঊর্ধ্বক্রম বা নিম্নক্রম অনুসারে সাজানোকে ডেটাবেজ ইনডেক্সিং বলে।
উত্তর: সুডো (seudo) একটি গ্রীক শব্দ যার অর্থ হচ্ছে ছদ্ম বা যা সত্য নয়। প্রোগ্রামের ধরন এবং কার্যাবলী সংবলিত কিছু সংখ্যক নির্দেশ বা স্টেটমেন্টের সমাহারকেই সুডো কোড বলা হয়।
উত্তর: অ্যাসেম্বলি ভাষায় লিখিত প্রোগ্রামকে মেশিন ভাষায় অনুবাদ করার জন্য অ্যাসেম্বলার ব্যবহার করা হয়।
উত্তর: প্রোগ্রামে চলকের মান গ্রহণ করার জন্য ব্যবহৃত স্টেটমেন্টকে ইনপুট এবং যে সকল স্টেটমেন্টের সাহায্যে প্রোগ্রামের ফলাফল মনিটরে প্রদর্শন করা হয় তাই 'আউটপুট।
উত্তর: সি প্রোগ্রামে বিভিন্ন ধরনের ডেটা নিয়ে কাজ করা হয়। ব্যবহৃত ডেটার ধরনকে ডেটা টাইপ বলা হয়। প্রোগ্রাম চালনার সময় ব্যবহৃত বিভিন্ন data মেমোরিতে সংরক্ষিত হয়।
উত্তর: সি প্রোগ্রামে যখন কোন নির্দিষ্ট কাজ সম্পাদনের জন্য কতগুলো স্টেটমেন্ট কোন নামে একটি ব্লকের মধ্যে রাখা হয় তখন তাকে ফাংশন বলা হয়।
উত্তর: C++ এক ধরনের অবজেক্ট ওরিয়েন্টেড প্রোগ্রামিং ভাষা। ১৯৮০ সালে বিয়ার্নে স্ট্রোস্ট্রপ (Bjiarne Stroustrup) যুক্তরাষ্ট্রের AT&T Bell Laboratory এটি তৈরি করেন।
উত্তর: একটি সাধারণ ভেরিয়েবলের নামের আওতায় মেমোরিতে পরপর সংরক্ষিত একই টাইপের কতগুলো ডেটার সমষ্টিকে অ্যারে বলা হয়। অন্য কথায়, অ্যারে হলো একই টাইপের কতগুলো ভেরিয়েবলের সেট।
উত্তর: সমস্যা সমাধানের যুক্তিসম্মত ও পর্যায়ক্রমিক ধারা বর্ণনাকে অ্যালগরিদম বলা হয়। অ্যালগরিদম শব্দটি এসেছে মুসলিম গণিতবিদ 'মুসা আল খারিজমী'-এর নাম থেকে।
উত্তর: কম্পিউটারে সহজে ব্যবহারের জন্য উদ্ভাবিত বিশেষ কয়েকটি ভাষাকে চতুর্থ প্রজন্মের ভাষা (4GL) বলা হয়। উচ্চতর ভাষার তুলনায় চতুর্থ প্রজন্মের ভাষা বা 4GL খুবই সহজ যদিও 4GL এর জন্য প্রসেসিং ক্ষমতা বেশি দরকার। 4GL এর সাহায্যে সহজেই আপ্লিকেশন তৈরি করা যায় বলে একে Rapid Application Development (RAD) টুলও বলা হয়।
উত্তর: অ্যাসেম্বলি ভাষা হচ্ছে মেশিন ভাষার পরবর্তী প্রোগ্রামের ভাষা। অ্যাসেম্বলি ভাষায় লিখিত প্রোগ্রামকে মেশিনের ভাষায় রূপান্তরিত করার জন্য অ্যাসেম্বলার নামক একধরনের ট্রান্সলেটর বা অনুবাদক প্রোগ্রাম ব্যবহার করা হয়।
উত্তর: সি ভাষায় গাণিতিক এবং যৌক্তিক কাজ নিয়ন্ত্রণ করার জন্য কতগুলো বিশেষ ক্যারেক্টার যেমন, +, -, *, /, ++, -, >>, >=, <= ইত্যাদি চিহ্ন ব্যবহৃত হয়। এসব বিশেষ ক্যারেক্টারকে বলা হয় অপারেটর।
উত্তর: সি এর জনক হলেন Dennis Ritchie, তিনি সর্বপ্রথম Unix অপারেটিং সিস্টেমে 'সি' প্রয়োগ করেন। 'সি' এসেছে BCPL নামের একটি কম্পিউটার ভাষা থেকে, যা থেকে 'বি' নামে অপর একটি ভাষার উদ্ভব ঘটে এবং 'বি' এর পরের উন্নয়ন হলো 'সি' ভাষার উদ্ভবের মধ্য দিয়ে।
উত্তর: সি প্রোগ্রামে ফরম্যাটেড (কাঙ্খিত আকারে) ভেরিয়েবলের মান গ্রহণ এবং প্রদর্শনের জন্য সে সকল ক্যারেক্টার সেট বা ক্যারেক্টারগুচ্ছ ব্যবহৃত হয় তাদেরকে ফরম্যাট স্পেসিফায়ার বলা হয়।
উত্তর: কোন অপারেটরের কাজ আগে হবে আর কোন অপারেটরের কাজ পরে হবে এবং এক্সপ্রেশনের এক্সিকিউশন কোন দিক থেকে (ডান থেকে বাম) শুরু হবে এরূপ অপারেটরের এক্সিকিউশন অগ্রগণ্য তাকে অগ্রগণ্যতা (Presidence) বলে।
উত্তর: নিজস্ব ফাংশন এবং ব্যবহারকারী ফাংশনসহ পুরো প্রোগ্রামে কোন ভেরিয়েবলের অর্জিত সর্বশেষ মান ব্যবহার করা হলে একে স্ট্যাটিক হিসেবে ভেরিয়েবল ঘোষণা করা হয়।
উত্তর: প্রত্যেকটি প্রোগ্রামিং ভাষায় কতগুলো বিল্টইন ফাংশন আছে সেগুলোকে লাইব্রেরি ফাংশন বলে। সি ভাষায় লাইব্রেরি ফাংশনগুলো তাদের নিজস্ব ফরমেট অনুযায়ী main() ফাংশনের মধ্যে ব্যবহার করা হয়।
উত্তর: অ্যাসেম্বলি ভাষায় প্রোগ্রাম নির্বাহ প্রক্রিয়া হলো- অ্যাসেম্বলি গ্রোগ্রাম ভাষা => অ্যাসেম্বলার => অবজেক্ট প্রোগ্রাম
উত্তর: C' হচ্ছে একটি উচ্চস্তরের প্রোগ্রামিং ভাষা। একে উচ্চ স্তরের স্ট্রাকচার্ড ভাষাও বলা হয়ে থাকে।
উত্তর: IDE এর পূর্ণনাম Integrated Development Environment
উত্তর: জাভা একটি প্রোগ্রামিং ভাষা। সান মাইক্রোসিস্টেম ৯০ এর দশকের গোড়ার দিকে জাভা ডিজাইন করার পরে এটি অতিদ্রুত বিশ্বের সবচেয়ে জনপ্রিয় প্রোগ্রামিং ভাষার একটিতে পরিণত হয়।
উত্তর: অ্যালগল হলো একটি উচ্চস্তরের ভাষা। ১৯৫৮ সালে সর্বজনীন ভাষা হিসেবে সব কম্পিউটারে ব্যবহারযোগ্য বৈজ্ঞানিক ও প্রকৌশলিক সমস্যা সমাধানের জন্য এ ভাষার উদ্ভাবন হয়।
উত্তর: ALGOL এর পূর্ণ নাম Algorithmic Language
উত্তর: ফোরট্রান আদিতম উচ্চস্তরের নিদের্শমূলক প্রোগ্রামিং ভাষা।
উত্তর: পাইথন একটি অবজেক্ট ওরিয়েন্টেড উচ্চস্তরের প্রোগ্রামিং ভাষা।
উত্তর: উচ্চস্তরের এবং অ্যাসেম্বলি ভাষায় রচিত প্রোগ্রামকে উৎস প্রোগ্রাম বলে।
উত্তর: প্রোগ্রামের ভুল ত্রুটি সংশোধন করাকে ডিবাগিং বলে।
উত্তর: ডকুমেন্টেশন বলতে অ্যালগরিদম, ফ্লোচার্ট, গ্রাফ, কোডিং, পরীক্ষার ফলাফল, ব্যবহারকারীর জন্য প্রয়োজনীয় নির্দেশ ইত্যাদি বিষয়ে সমস্যা সম্পর্কিত লিখিত বিবরণকে বুঝায় এটি প্রোগ্রামারকে প্রোগ্রাম তৈরির প্রত্যেক ধাপে সাহায্য করে থাকে, যার ফলে প্রোগ্রামটি স্থায়ীভাবে রক্ষিত হয়।
উত্তর: ফ্লোচার্ট দুই প্রকার। যথা: সিস্টেম এবং প্রোগ্রাম।
উত্তর: কোনো সংস্থা বা সংগঠনের সকল কাজের ধারাবাহিকতা একটি চিত্রের মাধ্যমে প্রকাশ করলে তাকে সিস্টেম ফ্লোচার্ট বলা হয়।
উত্তর: স্ট্রাকচার্ড প্রোগ্রামিং হলো একটি প্রোগ্রামের স্টেটমেন্টগুলো ভিন্ন ভিন্ন শ্রেণিতে বিভক্ত করে লেখা। স্ট্রাকচার্ড প্রোগ্রামের সংগঠনের একটি মূল অংশ থাকে।
উত্তর: প্রোগ্রামিং মডেলগুলোর মধ্যে অবজেক্ট ওরিয়েন্টেড প্রোগ্রামিং মডেল নতুন এবং জনপ্রিয়। অবজেক্ট বা চিত্রভিত্তিক কমান্ডের সাহায্যে চালিত প্রোগ্রামকে অবজেক্ট ওরিয়েন্টেড প্রোগ্রামিং বলা হয়।
উত্তর: কী-বোর্ডের কোনো কীতে চাপ দেওয়া, কোনো বিশেষ কন্ট্রোলের উপর মাউসের পয়েন্টার দিয়ে ক্লিক করা ইত্যাদি হলো ইভেন্ট।
উত্তর: সি প্রোগ্রামিং এ যে সকল Operator একটি চলকের উপর কাজ করে নতুন মান দেয় তাদের Unary Operators বলে। সবচেয়ে ব্যবহৃত Unary Operators হচ্ছে – (minus sign)। একটা নাম্বার পজেটিভ নাকি নেগেটিভ, তা বুঝানোর জন্য আমরা তার আগে + অথবা – চিহ্ন বসাই।
উত্তর: যেসব অপারেটর দুটি অপারেন্ড নিয়ে কাজ করে প্রক্রিয়া শেষে একটি ভ্যালু রিটার্ন করে তাদেরকে বাইনারি অপারেটর বলে। বাইনারি অপারেটরঃ সমান (==)
উত্তর: প্রোগ্রামে কোনো এক্সপ্রেশনের শেষে সেমিকোলন (:) দেওয়া হয়, তখন C এর ভাষায় একে স্টেটমেন্ট বলা হয়।
উত্তর: যে অ্যারেতে একটি মাত্র কলাম ও একাধিক সারি অথবা একটি মাত্র সারি এবং একাধিক কলাম উপস্থাপন করা হয় তাকে একমাত্রিক অ্যারে বলা হয়।
উত্তর: যে অ্যারেতে একাধিক সারি ও একাধিক কলামে ডেটা উপস্থাপন করা হয় তাকে দ্বিমাত্রিক অ্যারে বলা হয়।
উত্তর: কম্পিউটার মানুষের ব্যবহৃত ভাষা বুঝতে পারে না। যে বোধগম্য ভাষায় কোন নির্দিষ্ট সমস্যা সমাধানের জন্য কম্পিউটারকে নির্দেশনা প্রদান করা হয় তাকে প্রোগ্রামের ভাষা বলে।
উত্তর: প্রোগ্রাম তৈরির ধাপ ৬ টি , যথাঃ ১। সমস্যা সুনির্দিষ্টকরন ২। সমস্যা বিশ্লেষণ ৩। প্রোগ্রাম ডিজাইন ৪। প্রোগ্রাম ডেভেলপমেন্ট বা কোডিং। ৫। প্রোগ্রাম বাস্তবায়ন (টেস্টিং ও প্রোগ্রামের ডিবাগিং) ৬। প্রোগ্রাম রক্ষণাবেক্ষণ।
ষষ্ঠ অধ্যায়: ডেটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম
উত্তর: ডেটা (Data) শব্দের অর্থ হচ্ছে উপাত্ত এবং বেজ (Base) শব্দের অর্থ হচ্ছে ঘাঁটি বা সমাবেশ। পরস্পর সম্পর্কযুক্ত এক বা একাধিক ডেটা টেবিল বা ফাইলের সমষ্টি হচ্ছে ডেটাবেজ।
উত্তর: অননুমোদিত ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের ব্যবহার থেকে ডেটাকে নিরাপদ রাখার একটি পদ্ধতি হলো ডেটা এনক্রিপশন। ডেটা এনক্রিপশন হলো একটি প্রক্রিয়া যেখানে প্লেইন টেক্সট (plain text) ডেটাগুলো সাইফার টেক্সট ডেটাতে রূপান্তরিত হয়, যাতে করে এটি সর্বসাধারণের পড়ার ক্ষেত্রে দুর্বোধ্য হয়ে ওঠে।
উত্তর: ডেটাবেজের এক বা একধিক টেবিলের মধ্যে কোন নির্দিষ্ট ডেটা খুঁজে বের করা, প্রদর্শন করা, প্রিন্ট করা, শর্ত সাপেক্ষে যে কোন কাজ করার জন্য SQL এর DDL এবং DML ইত্যাদি ভাষা ব্যবহার করে যে কুয়েরি করা হয় তাকে SQL কুয়েরি বলে।
উত্তর: অনেকগুলো ফিল্ডের সমন্বয়ে গটিত হয় একটি রেকর্ড। ডেটা টেবিলের একটি রো বা সারিকেই রেকর্ড হিসেবে বিবেচনা করা হয়। যদি কোন টেবিলে গ্রাহকের নাম ও ঠিকানা লিপিবদ্ধ থাকে তবে সে গ্রাহকের নাম ও ঠিকানা মিলে হবে একটি রেকর্ড। এরকম যতজন গ্রাহকের নাম- ঠিকানা একটি টেবিলে লিপিবদ্ধ থাকবে সে টেবিলে ততগুলো রেকর্ড আছে বলে ধরা হবে। রেকর্ডে বিভিন্ন ধরনের ডেটা থাকে।
উত্তর: ডেটাবেজে এক বা একধিক টেবিলে সংরক্ষিত বিপুল পরিমাণ ডেটা থেকে প্রয়োজনীয় যেকোনো সংখ্যক ডেটাকে দ্রুত বা খুব সহজে খুঁজে বের করা, প্রদর্শন করা বা ছাপানোর কার্যকরী পদ্ধতিকে কুয়েরি বলা হয়।
উত্তর: যে ল্যাংগুয়েজের সাহায্যে ডেটাবেস থেকে শর্তসাপেক্ষে নির্দিষ্ট ডেটাকে তল্লাশি বা খুঁজে বের করে Insert, Delete, Modify ইত্যাদি করা যায় সে ল্যাংগুয়েজকে কুয়েরি ল্যাংগুয়েজ বলা হয়।
উত্তর: ডেটাবেজে একাধিক টেবিল একটি নির্দিষ্ট ফিল্ডের (প্রাইমারি কী ও ফরেন কী) উপর ভিত্তি করে সম্পর্ক স্থাপন করাই হলো রিলেশনশীপ। রিলেশন করা ডেটা টেবিলের সমন্বয়ে গঠিত ডেটাবেজকে রিলেশনাল ডেটাবেজ বলা হয়। সংশ্লিষ্ট ডেটাবেজ সফটওয়্যার হলো রিলেশনাল ডেটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম (RDBMS)
উত্তর: পেজ মার্জিন, হেডার, ফুটার ইত্যাদি নির্ধারণ করে তৈরিকৃত ডেটাবেজ রিপোর্টকে ফরমেটেড রিপোর্ট বলে।
উত্তর: ডেটাবেজের টেবিলের রেকর্ডসমূহের অ্যাড্রেসকে কোন লজিক্যাল অর্ডারে সাজিয়ে রাখাকেই ইনডেক্স বলা হয়। সুবিন্যস্তভাবে সঠিক নিয়মে তথ্যসমূহের সূচি তৈরিকে ইনডেক্সিং বলে।
উত্তর: সমজাতীয় সকল ডেটাকে এক একটি টেবিলে সংরক্ষণ করে রাখা হয়। এক বা একাধিক রেকর্ড নিয়ে ডেটা টেবিল গঠিত। ডেটাবেজের টেবিলকে ডেটাবেস ফাইল বলা হয়।
উত্তর: কোন বৃহৎ এন্টারপ্রাইজ বা করপোরেট প্রতিষ্ঠানের সকল বিভাগ বা অনুবিভাগের সাথে সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন ধরনের ডেটা নিয়ে তৈরি হয় করপোরেট ডেটাবেজ।
উত্তর: রিলেশনাল ডেটাবেজের ক্ষেত্রে একটি টেবিলের প্রাইমারি কী অন্য ডেটা টেবিলে সাধারণ কী হিসাবে ব্যবহৃত হয় তাহলে প্রথম ফাইলের/টেবিলের প্রাইমারি কী-কে দ্বিতীয় ফাইলের/টেবিলের জন্য ফরেন কী কী বলা হয়।
উত্তর: অনেক ক্ষেত্রে কোন প্রাইমারি কী নাও থাকতে পারে। তখন দুই বা ততোধিক এট্রিবিউট বা কী সমষ্টি সম্মিলিতভাবে কোন এনটিটি সেটকে সনাক্ত করতে পারলে তবে তাদেরকে বলা হবে কম্পোজিট প্রাইমারি কী।
উত্তর: ডেটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম (ডিবিএমএস) হচ্ছে পরস্পর সম্পর্কযুক্ত তথ্য একসেস, সংরক্ষণ, নিয়ন্ত্রণ এবং পরিচালনা করার জন্য প্রয়োজনীয় প্রোগ্রামের সমষ্টি। ডেটাবেজ রক্ষণাবেক্ষণ, নিরাপত্তা ও আধুনিকীকরণের কাজও করা হয় DBMS ব্যবহার করে।
উত্তর: ডেটাবেজ মডেল হচ্ছে ডেটাবেজ সার্ভারের ডেটার সংগঠন। কীভাবে একটি ডেটাবেজ গঠন এবং ব্যবহার করা হবে ডেটা মডেলে তা বিস্তারিতভাবে বর্ণনা করে।
উত্তর: কোনো চলকের ডেটা এবং ইন্সট্রাকশন একত্রিত অবস্থায় থাকাকে এনক্যাপসুলেশন বলে।
উত্তর: রিলেশনাল টেবিলের ক্ষেত্রে কোনো একটি টেবিলের প্রাইমারী কি যদি অন্য টেবিলে ব্যবহৃত হয় তাহলে ঐ কী-কে প্রথম টেবিলের সাপেক্ষে দ্বিতীয় টেবিলের ফরেন কী বলে।
উত্তর: অনুমোদিত ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের ব্যবহার থেকে ডেটাকে নিরাপদ রাখার একটি পদ্ধতি হলো ডেটা এনক্রিপশন। ডেটা এনক্রিপশন হলো একটি প্রক্রিয়া যেখানে প্লেইন টেক্সট (plain text) ডেটাগুলো সাইফার টেক্সট ডেটাতে রূপান্তরিত হয়, যাতে করে এটি সর্বসাধারণের পড়ার ক্ষেত্রে দুর্বোধ্য হয়ে ওঠে।
উত্তর। প্রয়োজনীয় তথ্য সংরক্ষণ ও তা ব্যবহারের জন্য বিশেষ সফটওয়্যার দ্বারা তৈরিকৃত বহুমুখী সুবিধা সম্পন্ন ডেটাবেজে ম্যানেজমেন্ট সিস্টেমকে কর্পোরেট ডেটাবেস বলে।
উত্তর: DBMS এর পূর্ণ নাম Database Management System
উত্তর: DDL এর পূর্ণ নাম Data Definition Language
উত্তর: ডেটা ডেফিনেশন ল্যাংগুয়েজ ডেটাবেজের গঠন সম্পর্কে বর্ণনা করে।
উত্তর: ডেটাবেজ তৈরী (Create), সংশোধন (Alter), বাতিল (Drop) ইত্যাদি ডেটাবেজ ব্যবস্থাপনামূলক কাজে ব্যবহৃত ভাষাকে ডেটা ডেফিনেশন ল্যাংগুয়েজ বা DDL বলে।
উত্তর: ডেটাবেজ তৈরি (Create), সংশোধন (Alter), বাতিল (Drop) ইত্যাদি ডেটাবেজ ব্যবস্থাপনামূলক কাজে DDL ব্যবহৃত হয়।
উত্তর: DML এর পূর্ণ নাম Data Manipulation Language
উত্তর: ডেটাবেজের সকল তথ্য পরিচালনা ও নিয়ন্ত্রণের জন্য যে ভাষা ব্যবহার করা হয় তাকে ডেটা ম্যানিপুলেশন ল্যাংগুয়েজ (DML) বলে।
উত্তর: DML এর সাহায্যে ডেটাবেজ থেকে কোন ডেটা রিট্রিভ অথবা ডেটাবেজ নতুন কোন ডেটা অন্তর্ভুক্ত করা, ডেটা মুছে ফেলা অথবা মডিফাই ইত্যাদি করা সম্ভব।
উত্তর: ডেটাবেজ ব্যবস্থাপনা প্রোগ্রামে নির্দিষ্ট ডেটা আনয়ন, অনুসন্ধান ও সম্পাদনার জন্য ব্যবহৃত ভাষাকে ডেটা ক্যুয়েরি ল্যাংগুয়েজ বলা হয়।
উত্তর: বিদ্যমান ডেটাবেজ থেকে কোন ডেটা বা তথ্যটি আনতে হবে এবং কি ধরনের সম্পাদনার কাজ করতে হবে, তার জন্য ক্যুয়েরি ভাষা ব্যবহার করা হয়।
উত্তর: SQL-এর পূর্ণ নাম Structured Query Language
উত্তর: SQL এর মূল অংশ তিনটি।
উত্তর: SQL এর অংশ তিনটি। যথা- Select, From Where
উত্তর: কতকগুলো স্টেটমেন্টের সমষ্টিকে QUEL বলা হয়।
উত্তর: QUEL এ যে সকল স্টেটমেন্ট ব্যবহার করা হয় তা হলো Create, Range, Index, Modify ইত্যাদি।
উত্তর: যে পদ্ধতিতে একটি Example এর মধ্যে ব্যবহারকারী কি করতে চায় তা বর্ণনা করা হয় এবং এই Example অনুসারে অন্যান্য Query করা হয়, তাকে QBE বলে।
উত্তর: QBE ডোমেইন রিলেশনাল ক্যালকুলাসের উপর ভিত্তি করে তৈরি করা হয়েছে।
উত্তর: মাইক্রোসফ্ট কর্পোরেশনের একটি শক্তিশালী রিলেশনাল ডেটাবেজ প্রোগ্রাম Microsoft Access
উত্তর: ডেটাবেজে এক বা একাধিক ডেটা টেবিল থেকে ফিল্ডসমূহ বেছে নিয়ে যে ক্যুয়েরি তৈরি করা হয় তাকে Select Query বলে।
উত্তর: টেবিলের ডেটা পরিবর্তন বা সরানোর জন্য একটি মাত্র অপারেশন পরিচালনার জন্য যে ক্যুয়েরি তৈরি করা হয় তাকে Action Query বলে।
উত্তর: Action Query চার ধরনের।
উত্তর: ক্যুয়েরি করা ডেটাকে অন্য কোনো টেবিলে সংরক্ষণ করার জন্য। যে ক্যুয়েরি ব্যবহার করা হয় তাকে Make Table Query বলে।
উত্তর: ডেটাবেজ টেবিলে এক বা একাধিক রেকর্ড সংযোজনের জন্য যে ক্যুয়েরি ব্যবহার করা হয় তাকে Append Query বলে।
উত্তর: ডেটাবেজের এক বা একাধিক টেবিলের মধ্যে কোনো নির্দিষ্ট ডেটা খুঁজে বের করা, প্রদর্শন করা, প্রিন্ট করা, শর্ত সাপেক্ষে যেকোনো কাজ করার জন্য SQL এর DDL এবং DML ইত্যাদি ভাষা ব্যবহার করে যে ক্যুয়েরি করা হয় তাকে SQL Query বলে।
উত্তর: ডেটাবেজ রিলেশন তিন ধরনের হতে পারে।
উত্তর: One to Many রিলেশন কোনো ডেটাবেজের একটি রেকর্ড যা অন্য ডেটাবেজের একাধিক রেকর্ডের সাথে সম্পর্ক রক্ষা করে।
উত্তর: ডেটাকে এনক্রিপ্টশন ও ডিক্রিপ্টশন করার বিষয়কে ক্রিপ্টোগ্রাফী বলে।
উত্তর: যদি দুটি টেবিলের মধ্যে এমনভাবে রিলেশন স্থাপন করা হয় যে, কোন ডেটা টেবিলের একটি রেকর্ডের সাথে অন্য টেবিলের একটি রেকর্ডের সম্পর্ক থাকে তখন তাকে One to One রিলেশন বলে।
উত্তর: যদি কোন ডেটাবেজের কোন ডেটা টেবিলের একাধিক রেকর্ডের সাথে অপর ডেটা টেবিলের একাধিক রেকর্ডের মধ্যে সম্পর্ক থাকে তখন তাকে Many to Many রিলেশন বলা হয়।
১ম অধ্যায়ঃ ২য় অধ্যায়ঃ ৩য় অধ্যায়ঃ ৪র্থ অধ্যায়ঃ ৫ম অধ্যায়ঃ ৬ষ্ঠ অধ্যায়ঃ


Comments