ওয়েবসাইট
উত্তর: ইন্টারনেট তথা ওয়েবে যে কেউ তথ্য রাখতে পারে। এসব তথ্য হতে পারে লেখা, অডিও, ভিডিও, স্থির চিত্র, এনিমেশন ইত্যাদি। ওয়েবে এসব তথ্য রাখার পেইজকে বলে ওয়েবপেইজ। সুতরাং আমরা বলতে পারি, ইন্টারনেট ব্যবহারকারীদের দেখার উপযোগী ইন্টারনেটের সাথে সংযুক্ত বিভিন্ন দেশের সার্ভারে রাখা ফাইলকে ওয়েবপেইজ বলে। ওয়েবপেইজকে আবার ওয়েব ডকুমেন্টও বলে। এক বা একাধিক ওয়েবপেইজের সমন্বয়ে ওয়েব প্রেজেন্টেশন বা ওয়েবসাইট তৈরি হয়। অর্থাৎ একই ডোমেইনের অধীনে পরস্পর সংযোগযোগ্য একাধিক ওয়েবপেজের সমষ্টিকে ওয়েবসাইট বলে।
উত্তর: পরিবর্তনশীল তথ্যের ওয়েবসাইট মূলত ডায়নামিক ওয়েব পেজের সমন্বিত রূপ। কারণ ডায়নামিক ওয়েব পেজে পরিবর্তনশীল তথ্য থাকে। ফলে এ ধরনের ওয়েব পেজে যেকোনো তথ্যভিত্তিক পরিবর্তন সহজে এবং স্বয়ংক্রিয়ভাবে করা যায়। এ ধরনের ওয়েবসাইট উন্নয়নে PHP, ASP ইত্যাদি ব্যবহৃত হয়। যদিও এ ধরনের তথ্যভিত্তিক ওয়েবসাইট তুলনামূলক কম নিরাপদ কারণ এখানে উভমুখী কমিউনিকেশন হয়।
উত্তর: একই ডোমেইনের অধীনে সার্ভারে রাখা পরস্পর সংযুক্ত একাধিক ওয়েবপেজের সমটিকে ওয়েবসাইট বলে। বর্তমান ইন্টারনেটের যুগে স্বল্প খরচে তথ্য প্রকাশের সহজ মাধ্যমটি হলো ওয়েবসাইট। এর উল্লেখযোগ্য ব্যবহার নিম্নরূপ:
• তাৎক্ষণিক তথ্য প্রকাশ করা যায়
• ব্যবসায়ে প্রিন্ট মিডিয়ার চেয়ে কম খরচে আকর্ষণীয় সাইট তৈরি করা যায়
• প্রয়োজনীয় তথ্য ডাউনলোড করা যায়।
• লেখা বা টেক্সটের পাশাপাশি অডিও, ভিডিও এবং এনিমেশন যুক্ত করা যায়, ইত্যাদি।
• তাৎক্ষণিক তথ্য প্রকাশ করা যায়
• ব্যবসায়ে প্রিন্ট মিডিয়ার চেয়ে কম খরচে আকর্ষণীয় সাইট তৈরি করা যায়
• প্রয়োজনীয় তথ্য ডাউনলোড করা যায়।
• লেখা বা টেক্সটের পাশাপাশি অডিও, ভিডিও এবং এনিমেশন যুক্ত করা যায়, ইত্যাদি।
উত্তর: এইচটিটিপি (HTTP) এর কাজ হচ্ছে-
• সার্ভারের সাথে ব্রাউজারের সংযোগ প্রতিষ্ঠা করা।
• ব্রাউজারের যেকোনো অনুরোধ সার্ভারে পৌঁছে দেওয়া।
• ব্রাউজারের অনুরোধে সার্ভারের সাড়া মোতাবেক ওয়েব পেজকে ব্রাউজারে নিয়ে আসা।
• ব্রাউজার এবং সার্ভারের সংযোগ বিচ্ছিন্ন করা।
• সার্ভারের সাথে ব্রাউজারের সংযোগ প্রতিষ্ঠা করা।
• ব্রাউজারের যেকোনো অনুরোধ সার্ভারে পৌঁছে দেওয়া।
• ব্রাউজারের অনুরোধে সার্ভারের সাড়া মোতাবেক ওয়েব পেজকে ব্রাউজারে নিয়ে আসা।
• ব্রাউজার এবং সার্ভারের সংযোগ বিচ্ছিন্ন করা।
উত্তর: কোনো ওয়েবপেজকে রান টাইমে পরিবর্তন করতে হলে সেখানে কনটেইনার হিসেবে ডেটাবেজ থাকতে হয়। যেহেতু স্ট্যাটিক ওয়েবে ডেটাবেজ ব্যবহৃত হয় না এবং কোডিং করে সমস্ত তথ্য দেওয়া থাকে। তাই রানটাইমে কোনো কোডিং পরিবর্তন করা যায় না। ফলে রান টাইমে পরিবর্তন হয় না।
উত্তর: স্ট্যাটিক ও ডায়নামিক ওয়েবসাইটের মধ্যে পার্থক্য-
ওয়েবসাইট স্ট্রাকচার
অ্যাড্রেস
ওয়েব ব্রাউজার ও সার্চ-ইঞ্জিন
HTML- ধারণা
মৌলিক ট্যাগসমূহ
| (i) স্ট্যাটিক ওয়েব সাইটের পেইজগুলিতে কন্টেন্ট নির্দিষ্ট | (i)ডাইনামিক ওয়েবসাইটে পরিবর্তনশীল তথ্য বা ইন্টারেক্টিভ ওয়েবপেজ থাকে |
| (ii) ব্যবহারকারীর ব্রাউজারে এই ধরনের ওয়েবসাইট খুব দ্রুত লোড হয়। | (ii) ব্যবহারকারীর ব্রাউজারে ডায়নামিক ওয়েবসাইট লোড হতে বেশী সময় নেয়। |
| (iii) স্ট্যাটিক ওয়েবসাইটে সাধারণত কোন ডেটাবেজ ব্যবহৃত হয় না। | (iii) ডায়নামিক ওয়েবসাইট উন্নয়নে ডেটাবেজ ব্যবহৃত হয়। |
| (iv) এ ধরনের ওয়েবসাইট উন্নয়নে HTML বা CSS ব্যবহৃত হয়। | (iv) এ ধরনের ওয়েবসাইট উন্নয়নে PHP, Perl, ASP, Net, ইত্যাদি ব্যবহৃত হয়। |
উত্তর: স্ট্যাটিক ওয়েব সাইটের তুলনায় ডায়নামিক ওয়েব সাইট অধিক জনপ্রিয় এবং গ্রহণযোগ্য। স্ট্যাটিক ওয়েব সাইটে কনটেন্ট নির্দিষ্ট থাকে। ফলে এই ওয়েবসাইটে কোনো ধরনের পরিবর্তন করতে হলে নতুন করে ওয়েবসাইটটি উন্নয়ন করে পরিবর্তিত ডেটা আপলোড করতে হয়, ডায়নামিক ওয়েব সাইটে পরিবর্তনশীল তথ্যের বিশেষ সুবিধা থাকে ফলে যার দরুন এই ধরনের ওয়েবসাইট অধিক গতিশীল ও কার্যকরী হয়।
ওয়েবসাইট স্ট্রাকচার
উত্তর: উত্তর: যখন কোনো ওয়েবসাইটের পেইজগুলো ক্রমানুসারে সাজানো থাকে তখন তাকে sequence বা linear কাঠামো বলে। একে প্রতিটি পেইজ পরপর সাজানো থাকে এবং পেইজগুলোতে সাধারণত First, Next, Previous, Last ইত্যাদি লিংক ব্যবহার করা হয়। এটা হচ্ছে সবচেয়ে সরলতম স্ট্রাকচার। ওয়েব সাইটে কম সংখ্যক পেইজ থাকলে এ ধরনের স্ট্রাকচার কাঠামো ব্যবহার করা হয়।
উত্তর: ওয়েব লিংকড একটি নন লিনিয়ার স্ট্রাকচার। এখানে সবগুলো পেইজ পরস্পরের সাথে সংযুক্ত অবস্থায় থাকে। অর্থাৎ একটি মেইন পেজের সাথে যেভাবে অন্যান্য পেইজের লিংক থাকে ঠিক তেমনি অন্যান্য পেজের সাথে মেইন পেইজের লিংক থাকে। সাধারণত ফ্রেম ব্যবহার করে তৈরি করা ওয়েবপেজগুলো এই স্ট্রাকচারের হয়ে থাকে যেখানে একটি ফ্রেমের মধ্যে অন্যান্য পেইজের লিংকগুলো মেনু আকারে রাখা হয়। এই ফ্রেমটি স্থির থাকে এবং কোন একটি লিংক নির্বাচন করলে ঐ পেইজটি অপেক্ষাকৃত বড় ফ্রেমের মধ্যে দেখায়।
অ্যাড্রেস
উত্তর: ডোমেইন নেইম হচ্ছে ইন্টারনেটে এক বা একাধিক আইপি অ্যাড্রেসকে সনাক্তকরণের জন্য একটি অদ্বিতীয় আলফানিউমেরিক (ক্যারেক্টর এবং নাম্বার সম্বলিত) ঠিকানা। যেমন- shikkha.org একটি ডোমেইন নেইম। এই ডোমেইন নেইম ব্যবহার করে 172.168.10.1 আইপি নাম্বার কম্পিউটারকে খুঁজে বের করা যায়। অন্যভাবে বলা যায় যে, ওয়েব সাইটের মাধ্যমে ইন্টারনেটে উপস্থিত হতে কিংবা তথ্য আদান-প্রদান করার জন্য একটি অদ্বিতীয় ঠিকানা প্রয়োজন যা ডোমেইন নেইম হিসাবে পরিচিত।
উত্তর: নেটওয়ার্কে যেকোনো কম্পিউটারকে চেনার জন্যে যে উপায়সমূহ আছে এর একটি হলো আইপি অ্যাড্রেস এবং অন্যটি হলো টেক্সট নির্ভর ডোমেইন নেম সিস্টেম (ডিএনএস)। ডোমেইন নেমও আইপি এড্রেস এর মত একটি স্বতন্ত্র ওয়েব সাইটের এড্রেস নির্দেশ করে। তবে আইপি এড্রেস সংখ্যাভিত্তিক হওয়ায় এটি মনে রাখা কষ্টকর যার জন্য অক্ষর ভিত্তিক ডোমেইন নেইম ব্যবহার করা অধিক সুবিধাজনক। এই ডোমেইন নেমের মাধ্যমেই সারা বিশ্বের যেকোনো প্রান্তের ইন্টারনেট ব্যবহারকারীরা যেকোনো ওয়েব সাইটকে সহজে খুঁজে পাবে।
উত্তর: www.mangoinfo.com ওয়েবসাইটিতে www হলো World Wide Web এর সংক্ষিপ্ত রূপ। mangoinfo হলো ডোমেইন নেম এবং .com হলো ডোমেইন টাইপ যা কমার্শিয়াল (commercial) ওয়েবসাইট নির্দেশ করে।
উত্তর: জনপ্রিয় টপ লেভেল ডোমেইন ও তাদের প্রকৃতি:
.com - সাধারণত ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠানের জন্য ব্যবহৃত হয়।
.org - সাধারণত অলাভজনক প্রতিষ্ঠানের জন্য ব্যবহৃত হয়।
.edu- সাধারণত শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের জন্য নির্ধারিত।
.gov- গভর্নমেন্টাল বা রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানের ক্ষেত্রে ব্যবহার হয়।
.com - সাধারণত ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠানের জন্য ব্যবহৃত হয়।
.org - সাধারণত অলাভজনক প্রতিষ্ঠানের জন্য ব্যবহৃত হয়।
.edu- সাধারণত শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের জন্য নির্ধারিত।
.gov- গভর্নমেন্টাল বা রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানের ক্ষেত্রে ব্যবহার হয়।
উত্তর: ডোমেইন নেম হচ্ছে একটি স্বতন্ত্র টেক্সট অ্যাড্রেস বা ওয়েব অ্যাড্রেস। ডোমেইন নেম এমন একটি সার্ভার কম্পিউটার যা ইন্টারনেটের সাথে সংযুক্ত থাকবে। এই ডোমেইন নেমের মাধ্যমেই সারা বিশ্বের যেকোনো প্রান্তের ইন্টারনেট ব্যবহারকারীরা ওয়েবসাইট খুঁজে পাবে। তাই ওয়েব সাইটের জন্য ডোমেইন হওয়া উচিত কোম্পানীর বা ব্যক্তির সাথে সম্পর্কযুক্ত যাতে ব্যবহারকারীরা সহজেই কোম্পানীর সাইটটি খুঁজে ব্রাউজ করতে পারে।
ওয়েব ব্রাউজার ও সার্চ-ইঞ্জিন
উত্তর: ওয়েব ব্রাউজার হলো এমন একটি সফটওয়্যার যার মাধ্যমে একজন ব্যবহারকারী যেকোনো ওয়েবপেইজ, ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ওয়েবে অথবা লোকাল এরিয়া নেটওয়ার্কে অবস্থিত কোনো ওয়েবসাইটের যেকোনো লেখা, ছবি এবং অন্যান্য তথ্যের অনুসন্ধান, ডাউনলোড কিংবা দেখতে পারেন। মূলত ওয়েব পেইজ প্রদর্শনই ওয়েব ব্রাউজারের কাজ। উল্লেখযোগ্য ওয়েব ব্রাউজারসমূহ হলো গুগল ক্রোম, মজিলা ফায়ারফক্স, সাফারি ইত্যাদি। অপরদিকে, সার্চ ইঞ্জিন একটি সফটওয়্যার টুল যা ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ওয়েব থেকে ইনফরমেশন খুঁজে বের করে। যেমন Google, yahoo, Bing, MSN, পিপীলিকা ইত্যাদি।
উত্তর: ওয়েবপেজ হলো একটি ডকুমেন্ট যা সাধারণত HTML এ লেখা হয়ে থাকে এবং ইন্টারনেটের সাহায্যে ব্রাউজারে দেখা যায়। অপরদিকে ব্রাউজার হলো একটি অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যার যা ইন্টারনেটের সাহায্যে ব্যবহারকারীকে ওয়েবপেজে সংযোজিত বিভিন্ন টেক্সট, ছবি বা ভিডিও প্রদর্শন করে, সুতরাং ব্যবহারকারীকে কোনো ওয়েবপেজ দেখতে হলে অবশ্যই ব্রাউজার ব্যবহার করতে হবে। অর্থাৎ ওয়েবপেজ শুধুমাত্র ব্রাউজারেই প্রদর্শনযোগ্য।
উত্তর: যে সফটওয়্যার ইন্টারনেটে ইনফরমেশন বা World Wide Web বা ওয়েব পেইজ প্রদর্শনের জন্য কাজ করে তাকে ওয়েব ব্রাউজার বলে। ওয়েব সাইটগুলো ঘুরে দেখার জন্য ব্যবহারকারী ওয়েব ব্রাউজার সফটওয়্যার ব্যবহার করে থাকে। কতগুলো জনপ্রিয় ওয়েব ব্রাউজারের নাম হলো: ইন্টারনেট এক্সপ্লোরার, মজিলা ফায়ারফক্স, গুগোল ক্রোম, অপেরা, নেটস্কেপ ইত্যাদি।
উত্তর: সার্চ ইঞ্জিন হচ্ছে এক ধরনের টুলস যা ইন্টারনেটের অন্যান্য ওয়েব সাইট খুঁজে পেতে সাহায্য করে। ব্রাউজার সফটওয়্যার চালু করে অ্যাড্রেস বারে সার্চ ইঞ্জিনে ঠিকানা লিখে Enter দিলে ঐ সার্চ ইঞ্জিনে ওয়েব পেইজটি ওপেন হবে। সার্চ ইঞ্জিনের ফাইল বক্সে যা লিখে Enter দেওয়া হবে সে সম্পর্কিত বিভিন্ন ওয়েব পেইজের লিংকের তালিকা প্রদর্শিত হবে। Google.com, Yahoo.com, Msn.com, Bing.com, Ask.com জনপ্রিয় কিছু সার্চ ইঞ্জিন।
উত্তর: যে কম্পিউটার থেকে ওয়েব পেইজ ব্রাউজ করা হয় তাকে ক্লায়েন্ট কম্পিউটার বলে। ক্লায়েন্ট কম্পিউটার থেকে ওয়েব সার্ভারে ওয়েব পেইজের জন্য request পাঠানো হয়। ক্লায়েন্ট এর চাহিদা অনুযায়ী সার্ভার কম্পিউটার ক্লায়েন্টকে দ্রুততার সাথে তার প্রাপ্য ডেটা পৌছে দেয়।
HTML- ধারণা
উত্তর: HTML বা Hyper Text Markup Language একটা কম্পিউটার ল্যাঙ্গুয়েজ যা পৃথিবীর বিশাল তথ্য ভান্ডারকে ইন্টারনেটের মাধ্যমে প্রকাশ করার সুযোগ তৈরি করে দিয়েছে। একটি ওয়েবপেজের মূল গঠন তৈরি হয় HTML দিয়ে। HTML কোনো প্রোগ্রামিং ভাষা নয় বরং এটি এক সেট Markup ট্যাগের সমন্বয়ে গঠিত নির্দেশনা যার সাহায্যে একটি ওয়েবপেজ ডিজাইন বা তৈরি করা যায়। একটি ওয়েবপেজের বিভিন্ন অংশ ব্রাউজারের মাধ্যমে কিভাবে প্রদর্শিত হবে তা HTML Markup ট্যাগসমূহ ব্যবহার করে প্রকাশ করা হয়। অর্থাৎ ওয়েবপেজ ডিজাইনে HTML গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
উত্তর: HTML এর সুবিধাসমূহ:
• এইচটিএমএল ভাষা শেখা ও ফরমেটিং সহজ।
• এটি ইউজার ফ্রেন্ডলি এবং প্রায় সব ধরনের ব্রাউজার সাপোর্ট করে।
• HTML এ তৈরিকৃত যেকোনো সাইট রক্ষণাবেক্ষণ ও আপডেট করা সহজ।
• HTML এ তৈরিকৃত ওয়েবপেজকে লোড করতে কম সময় লাগে।
• ওয়েব পেইজ ডিজাইন করে তাতে সহজেই অডিও, ভিডিও এবং অ্যানিমেশন যোগ করা যায়।
• এইচটিএমএল ভাষা শেখা ও ফরমেটিং সহজ।
• এটি ইউজার ফ্রেন্ডলি এবং প্রায় সব ধরনের ব্রাউজার সাপোর্ট করে।
• HTML এ তৈরিকৃত যেকোনো সাইট রক্ষণাবেক্ষণ ও আপডেট করা সহজ।
• HTML এ তৈরিকৃত ওয়েবপেজকে লোড করতে কম সময় লাগে।
• ওয়েব পেইজ ডিজাইন করে তাতে সহজেই অডিও, ভিডিও এবং অ্যানিমেশন যোগ করা যায়।
উত্তর: .php এবং .html দ্বারা দুটি আলাদা ফাইল এক্সটেনশন বুঝানো হয়। কোনো ফাইলের বর্ধিতাংশ বা এক্সটেনশন নির্ভর করে ফাইলটি কি ধরনের তার উপর। যদি php ল্যাঙ্গুয়েজ ব্যবহার করা হয় তাহলে ফাইলের বর্ধিতাংশ হবে .php। যদি শুধু html ব্যবহার করা হয় তাহলে html বা .html।
উত্তর: সাধারণত HTML ফাইলে নামে একটি ট্যাগ ব্যবহৃত হয়। এটি একটি ডকুমেন্ট টাইপ ডিক্লারেশন ট্যাগ। এর দ্বারা ব্রাউজার বুঝতে পারে যে ডকুমেন্টটি HTML 5 স্ট্যান্ডার্ড অনুসরণ করে লেখা হয়েছে এবং সেই অনুযায়ী রেন্ডার প্রদর্শন করে। এটি মূলত ডকুমেন্টের অংশ নয়, তবে লেখা জরুরি।
উত্তর: সাধারণত যে ভাষাগুলো তথা প্রোগ্রামিং ভাষাগুলো বড় অক্ষরের ও ছোট্ট অক্ষরের বর্ণকে শনাক্ত করতে পারে তাদের কেস সেনসিটিভ (Sensitive) ভাষা বলে। HTML মূলত ওয়েবপেইজ এবং ওয়েব অ্যাপ্লিকেশন তৈরির জন্য ব্যবহৃত একটি মার্কআপ ল্যাংগুয়েজ। HTML এর পূর্ণরূপ Hyper Text Markup Language এর মাধ্যমে ওয়েব ডকুমেন্টের বিভিন্ন ধরনের উপাদান ও উপকরণ তৈরি করা যায়। এইচটিএমএল-এ ব্যবহৃত ট্যাগ অ্যাট্রিবিউট কোনটিই কেস সেনসিটিভ নয়, তবে অ্যাট্রিবিউটের মান বা ভ্যালু কেস সেনসিটিভ হয়। HTML প্রধানত কোন প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজ নয় বরং এটি একটি মার্ক-আপ ল্যাঙ্গুয়েজ যা ট্যাগের উপর ভিত্তি করে কাজ করে, ফলে অক্ষরের বড় ও ছোট হওয়ার পক্ষে এই ভাষার কোন দায়বদ্ধতা নেই।
মৌলিক ট্যাগসমূহ
উত্তর: < b >....< / b > হচ্ছে একটি টেক্সট ফরমেটিং ট্যাগ।
টেক্সট ফরমেটিং ট্যাগ সমূহ টেক্সট কে সঠিক আকৃতি বা রূপ প্রদান করে এবং দৃষ্টিনন্দন করে উপস্থাপন করার মাধ্যমে একটি ওয়েবপেইজকে ফুটিয়ে তোলে। < b >.....< / b > ট্যাগটি মাঝের টেক্সটকে মোটা বা বোল্ড করে থাকে।
টেক্সট ফরমেটিং ট্যাগ সমূহ টেক্সট কে সঠিক আকৃতি বা রূপ প্রদান করে এবং দৃষ্টিনন্দন করে উপস্থাপন করার মাধ্যমে একটি ওয়েবপেইজকে ফুটিয়ে তোলে। < b >.....< / b > ট্যাগটি মাঝের টেক্সটকে মোটা বা বোল্ড করে থাকে।
উত্তর: ফরম্যাটিং ট্যাগের মাধ্যমে ওয়েব পেজের টেক্সটকে বিভিন্ন ইফেক্ট দেয়া যায়। টেক্সট কে ছোট, বড়, বোল্ড এবং ইটালিক করতে ফরম্যাটিং ট্যাগ ব্যবহার করা হয়। এছাড়াও টেক্সট এর সাইজ পরিবর্তন, কালার পরিবর্তন এবং স্টাইলিশ করার জন্য ফরম্যাটিং ট্যাগের প্রয়োজন হয়।
উত্তর: < Font > ট্যাগের অ্যাট্রিবিউটসমূহ হলো Color, face, size ইত্যাদি। এগুলোর ব্যবহার নিম্নরূপ।
face অ্যাট্রিবিউটের সাহায্যে কোন ধরনের ফন্টে টেক্সটকে ব্রাউজারে প্রদর্শন করা হবে তা নির্ধারণ করা যায়। যেমন- face="Arial", face="Times New Roman" ইত্যাদি।
Size অ্যাট্রিবিউটের সাহায্যে ফন্টের সাইজ নির্ধারণ করা যায়। যেমন: Size = "18px;"
Color অ্যাট্রিবিউটের সাহায্যে ফন্টের কালার নির্ধারণ করা যায়। যেমন: Color="red"
face অ্যাট্রিবিউটের সাহায্যে কোন ধরনের ফন্টে টেক্সটকে ব্রাউজারে প্রদর্শন করা হবে তা নির্ধারণ করা যায়। যেমন- face="Arial", face="Times New Roman" ইত্যাদি।
Size অ্যাট্রিবিউটের সাহায্যে ফন্টের সাইজ নির্ধারণ করা যায়। যেমন: Size = "18px;"
Color অ্যাট্রিবিউটের সাহায্যে ফন্টের কালার নির্ধারণ করা যায়। যেমন: Color="red"
উত্তর: ওয়েবপেজে ছবি যুক্ত করার জন্য < img > ট্যাগ ব্যবহৃত হয়। এই ট্যাগের কোনো শেষ বা ক্লোজিং ট্যাগ নেই। তবে শুধু < img > দিয়ে কোন কাজ হয় না। এর সাথে src অ্যাট্রিবিউট ব্যবহার করতে হয়। আর এই অ্যাট্রিবিউটের সাহায্যে ইমেজটি প্রদর্শন করার জন্য ইমেজটির নাম ও অ্যাড্রেস উল্লেখ করতে হয়। সেক্ষেত্রে < img > ট্যাগের বাস্তবায়ন হয় নিম্নরূপ:
উত্তর: সাধারণত যে ট্যাগসমূহের শুধু শুরুর ট্যাগ বিদ্যমান কিন্তু এদের শেষ ট্যাগ থাকে না, তাদের এম্পটি ট্যাগ বা খালি বা ফাঁকা ট্যাগ বলে। HTML ডকুমেন্ট ছবি সংযোজনের জন্য ব্যবহৃত ট্যাগ হচ্ছে image ট্যাগ। image ট্যাগ লেখার সিনট্যাক্স হচ্ছে
(’’ছবির নাম.ছবির ফরম্যাট’’)।
উক্ত সিনট্যাক্সেই দেখা যাচ্ছে, < img > ট্যাগের শুরু থাকলেও এর শেষ ট্যাগ হিসেবে কোন ট্যাগ (যেমন: < html > < / html >
নেই। ফলে img ট্যাগের কেবল এট্রিবিউট বিদ্যমান, ভিতরে কোন এলিমেন্ট নেই। অর্থাৎ img একটি এম্পটি এলিমেন্টের ট্যাগ।
(’’ছবির নাম.ছবির ফরম্যাট’’)।
উক্ত সিনট্যাক্সেই দেখা যাচ্ছে, < img > ট্যাগের শুরু থাকলেও এর শেষ ট্যাগ হিসেবে কোন ট্যাগ (যেমন: < html > < / html >
নেই। ফলে img ট্যাগের কেবল এট্রিবিউট বিদ্যমান, ভিতরে কোন এলিমেন্ট নেই। অর্থাৎ img একটি এম্পটি এলিমেন্টের ট্যাগ।
উত্তর: যে সকল ট্যাগের শুরু আছে কিন্তু তার শেষ কোন ট্যাগ নেই, এমন ট্যাগসমূহকে এম্পটি (empty) ট্যাগ বলে। < br > একটি অতি পরিচিত এবং
বহুল ব্যবহৃত এম্পটি ট্যাগ। < br > ট্যাগ একটি একক লাইন বিরতি সন্নিবেশ করায়। < br > ট্যাগ ঠিকানা বা কবিতা লেখার ক্ষেত্রে সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত হয়। এছাড়া একই প্যারাগ্রাফে লাইন ব্রেক দিতে < br > ট্যাগটি ব্যবহৃত হয়।
উত্তর: ওয়েব পেইজে ছবির জন্য যে সকল ফাইল ফরমেট ব্যবহার করা হয় তার মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো-
.jpg/jpeg = Joint Photographic Expert Group
.png = Portable Network Graphics
.gif = Graphics Interchange Format এবং
.bmp = Bitmap Image File ইত্যাদি।
.jpg/jpeg = Joint Photographic Expert Group
.png = Portable Network Graphics
.gif = Graphics Interchange Format এবং
.bmp = Bitmap Image File ইত্যাদি।
উত্তর: টেবিল ফরম্যাটিং এর জন্য < table > ট্যাগে অ্যাট্রিবিউট ব্যবহার করা হয়। টেবিল ট্যাগে ব্যবহৃত কিছু অ্যাট্রিবিউট হচ্ছে border, width, align, cellspacing ইত্যাদি। এগুলো দ্বারা টেবিলের প্রশস্থতা, অ্যালাইনমেন্ট, বর্ডার সাইজ, স্পেসিং ইত্যাদি বাড়ানো বা কমানো যায়। যেমন
< table border="5" > দ্বারা টেবিলের বর্ডার ৫ পিক্সেল পরিমাণ মোটা করা যায়।
উত্তর: হাইপারলিংক ট্যাগের আবশ্যিক অ্যাট্রিবিউট হলো href । href অ্যাট্রিবিউটটি লিংকের ঠিকানা বা গন্তব্য নির্ধারণ করে। এর সিনট্যাক্স বা গঠনটি নিম্নরূপ:
এখানে url অংশে লিংকের সম্পূর্ণ ঠিকানাটি লিখতে হয়।
এখানে url অংশে লিংকের সম্পূর্ণ ঠিকানাটি লিখতে হয়।
উত্তর: হাইপারলিঙ্ক হচ্ছে একটি ওয়েব পেইজের কোনো একটি অংশের সাথে বা কোন পেইজের সাথে অন্যান্য পেইজের সংযোগ স্থাপন করা।
হাইপারলিংক এর মাধ্যমে একই ডকুমেন্টের ভিন্ন পেজ বা এক ডকুমেন্টে থেকে ভিন্ন কোনো ডকুমেন্টের পেজে যাওয়া যায়। একটি হাইপারলিংক দিয়ে একটি শব্দের উপর বা কতগুলো শব্দের উপর বা কোন ইমেজের উপর লিঙ্ক দেওয়া যায়। এইচটিএমএল ট্যাগ < > দ্বারা হাইপারলিংক
করা হয়। ট্যাগ < a > এর সাথে href অ্যাট্রিবিউট যোগ করতে হয়। এর সিনটেক্সট বা গঠনটি নিম্নরূপ:
href অ্যাট্রিবিউট একটি লিঙ্ক এর গন্তব্য নির্ধারণ করে। এখানে url অংশে সম্পূর্ণ অ্যাড্রেস লিখতে হয়।
href অ্যাট্রিবিউট একটি লিঙ্ক এর গন্তব্য নির্ধারণ করে। এখানে url অংশে সম্পূর্ণ অ্যাড্রেস লিখতে হয়।
উত্তর: বর্তমানে ওয়েবপেজে Hyperlink একটি গুরুত্বপূর্ণ উপাদান। কারণ Hyperlink এর সাহায্যে-
i. একই পেইজের বিভিন্ন অংশের মধ্যে লিঙ্ক করা যায়।
ii. একই সাইটের একাধিক পেইজের মধ্যে লিঙ্ক করা যায়।
iii. সম্পর্কিত তথ্য দ্রুত প্রদর্শন করে জানা যায়।
iv. ব্যবহারকারীর সময় ও শ্রম সাশ্রয় করে।
i. একই পেইজের বিভিন্ন অংশের মধ্যে লিঙ্ক করা যায়।
ii. একই সাইটের একাধিক পেইজের মধ্যে লিঙ্ক করা যায়।
iii. সম্পর্কিত তথ্য দ্রুত প্রদর্শন করে জানা যায়।
iv. ব্যবহারকারীর সময় ও শ্রম সাশ্রয় করে।
উত্তর: < anchor > বা < a > ট্যাগ ব্যবহার করা হয় ইন্টারনাল বা এক্সটারনাল হাইপারলিংক করার জন্য। অ্যাংকর দ্বারা যেমন নৌকাকে বেঁধে রাখা হয় তেমনি < a > ট্যাগ দ্বারা এক পেজের সাথে অন্য পেজের লিংক করা যায়। যেমন:
উত্তর: < anchor > বা < a > ট্যাগ ব্যবহার করা হয় ইন্টারনাল বা এক্সটারনাল হাইপারলিংক করার জন্য। অ্যাংকর দ্বারা যেমন নৌকাকে বেঁধে রাখা হয় তেমনি < a > ট্যাগ দ্বারা এক পেজের সাথে অন্য পেজের লিংক করা যায়। যেমন:
উত্তর: চারটি ফরমেটিং ট্যাগের নাম ও ব্যবহার নিচে দেওয়া হলো-
উত্তর: উত্তর: প্রতিটি ওয়েবসাইটের একটি স্বতন্ত্র নাম থাকতে হয় যা ডোমেইন নেম হিসেবে পরিচিত। এ ডোমেইন নেমের মাধ্যমেই একটি ওয়েবসাইট সকলের কাছে পরিচিতি লাভ করে। বিভিন্ন কোম্পানির বা ইন্টারনেট সার্ভিস প্রোভাইডারদের কাছ থেকে এ ডোমেইন নেম নিবন্ধন করতে হয়। ডোমেইন নেম নিবন্ধন না করলে ওয়েবসাইটটিকে পাবলিশ করা যায় না। অর্থাৎ তৈরিকৃত ওয়েবসাইটটি পাবলিশ করতে ডোমেইন নেম রেজিস্ট্রেশন আবশ্যক।
উত্তর: উত্তর: ওয়্যারফ্রেমিং হল কাঠামোগত স্তরে একটি ওয়েবসাইট পরিষেবা ডিজাইন করার একটি উপায়। একটি ওয়্যারফ্রেম সাধারণত একটি পৃষ্ঠার সামগ্রীক এবং কার্যকরিতা লে আউট করতে ব্যবহৃত হয় যা ব্যবহারকারী চাহিদা এবং ব্যবহারকারীর ভ্রমণকে বিবেচনা করে তৈরি করা হয়। ওয়্যারফ্রমেগুলি ভিজ্যুয়াল ডিজাইন এবং বিষয়বস্তু যোগ করার আগে একটি পৃষ্ঠার মৌলিক কাঠামো স্থাপন করার জন্য বিকাশ প্রক্রিয়ার প্রথম দিকে ব্যবহার করা হয়। একটি ওয়্যারফ্রেমের উদ্দেশ্য হল সৃজনশীল পর্যায়টি চালু হওয়ার আগে স্টেকহোল্ডার এবং প্রকল্প দলের অনুমোদন পেতে একটি প্রকল্পের প্রথম দিকে একটি পৃষ্ঠার চাক্ষুস উপলব্ধি প্রদান করা।
উত্তর: ডোমেইন ও হোস্টিং-এর মধ্যে পার্থক্য নিম্নরূপ-
| ডোমেইন | হোস্টিং |
| প্রতিটি ওয়েবসাইটের একটি নাম থাকে যাকে ডোমেইন নেম বলে। | ইন্টারনেটে ওয়েবের ফাইলগুলো কোনো সার্ভারে রাখাকে হোস্টিং বলে। |
| অনেক প্রতিষ্ঠান আছে যারা বাইরের নামকরা বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান হতে ব্যবহারকারীর জন্য ডোমেইন নেম নিবন্ধনের ব্যবস্থা করে দেয়। | ওয়েব হোস্টিং এর জন্য বিভিন্ন ওয়েব হোস্ট কোম্পানি তাদের ক্লায়েন্টদের স্পেস ভাড়া দেয়। |
উত্তর: ওয়েব হোস্টিং হলো ওয়েবসাইট বা ওয়েব পেইজ ইন্টারনেটে প্রদর্শনের জন্য প্রয়োজনীয় প্রক্রিয়া। এ জন্য ওয়েবসাইটটিকে ইন্টারনেট সংযুক্ত কোনো সার্ভারের মেমোরি বা স্টোরেজে সংরক্ষণ জমা রাখতে হবে। ওয়েব হোস্টিং না করলে ওয়েবসাইটটিতে কোনো প্রবেশ থাকবে না বা এটি অন্য কেউ ব্রাউজ করতে পারবে না। তাই ওয়েব পেইজ তৈরি করার পর তা যে কোন একটি নির্ভরযোগ্য ওয়েব সার্ভারে হোস্ট করা প্রয়োজন।
উত্তর: ওয়েব পেজ তৈরি করার পর ওয়েব সার্ভারে হোস্টিং করার প্রক্রিয়াকে ওয়েবসাইট পাবলিশিং বলে। সহজ ভাষায় ইন্টারনেটে কনটেন্ট বা বিষয় বস্তু প্রকাশ করার প্রক্রিয়া হচ্ছে ওয়েবসাইট পাবলিশিং। এই ওয়েবসাইটি মূলত একটি সার্ভারে পাবলিশ করতে হয় ফলে কিছু ধাপসমূহের মাধ্যমে কাজটি পরিপূর্ণ হয়। এই ধাপগুলো নিম্নরূপ:
১। ওয়েবপেইজ ডিজাইন ও তৈরি
২। একটি ডোমেইন নেম রেজিস্ট্রেশন
৩। ওয়েব হোস্টিং করা
৪। ওয়েব সার্ভারে ওয়েবসাইটটি প্রেরণ।
১। ওয়েবপেইজ ডিজাইন ও তৈরি
২। একটি ডোমেইন নেম রেজিস্ট্রেশন
৩। ওয়েব হোস্টিং করা
৪। ওয়েব সার্ভারে ওয়েবসাইটটি প্রেরণ।


Comments