বিশ্বগ্রাম
উত্তরঃ বিশ্বগ্রাম হচ্ছে এমন একটি পরিবেশ যেখানে পৃথিবীর সকল মানুষ একটি একক সমাজের ন্যায় বসবাস করে এবং ইলেক্ট্রনিক মিডিয়া , ইন্টারনেট ও তথ্য প্রযুক্তি ব্যবহারের মাধ্যেমে একে অপরকে সেবা প্রদান করে থাকে। তথ্য ও যোগযোগ প্রযুক্তির বিস্তৃত ব্যবহার তথা তথ্য আদান প্রদানের জন্য ইনফরমেশন সুপার হাইওয়ের সাথে সংযোগ ছাড়া বিশ্বগ্রামের ধারনা অসম্ভব।
উত্তরঃ বিশ্বগ্রাম বলতে সাধারণত এমন একটি ধারণাকে বোঝানো হয় যেখানে বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তের লোকজন পরস্পরের সাথে সহজ যাতায়াত ও ভ্রমন, গণমাধ্যম ও ইলেকট্রনিক যোগাযোগের মাধ্যমে যুক্ত থেকে ক্রমেই একটি একক কম্যুনিটিতে পরিণত হয়েছে। বিভিন্ন ধরনের মিডিয়া বিশেষ করে ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ওয়েবের ব্যাপক ব্যবহার ও প্রবাহের কারণে আজ বিশ্বের কোনো এক দেশের এক প্রান্তের লোকজন অন্য প্রান্তের অন্য কোনো দেশের লোকের সাথে খুব সহজেই যোগাযোগ করতে পারছে। তথ্যের এ আদান-প্রদান বিশ্বকে এতটাই কাছে নিয়ে এসেছে যে এটিকে এখন একটি গ্রামের সাথে তুলনা করা হয়েছে।
উত্তরঃ বিশ্বগ্রাম বা গ্লোবাল ভিলেজের গুরুত্বপূর্ণ কিছু সুবিধা নিম্নরুপ-
• সারা পৃথিবী মানুষের হাতের মুঠোয় এসেছে।
• মানুষের কাজের দক্ষতা এবং গতি বৃদ্ধি পাচ্ছে।
• ব্যবসা বাণিজ্যের প্রসার ঘটছে এবং লেনদেন সহজতর হচ্ছে।
• অন-লাইন লাইব্রেরী, অন-লাইন ইউনিভার্সিটি, ভিডিও টিউটোরিয়াল বা বিভিন্ন প্রকার ই-বুক ব্যবহারের ফলে শিক্ষা ব্যবস্থার উন্নয়ন হচ্ছে।
• ঘরে বসেই সহজে উন্নত স্বাস্থ্যসেবা ও চিকিৎসা সুবিধা পাওয়া যাচ্ছে।
• গবেষণার উপাত্ত ও তথ্য প্রাপ্তি সহজতর হচ্ছে এবং সহজেই বিভিন্ন গবেষণার ফলাফল জানা যাচ্ছে।
• সারা পৃথিবী মানুষের হাতের মুঠোয় এসেছে।
• মানুষের কাজের দক্ষতা এবং গতি বৃদ্ধি পাচ্ছে।
• ব্যবসা বাণিজ্যের প্রসার ঘটছে এবং লেনদেন সহজতর হচ্ছে।
• অন-লাইন লাইব্রেরী, অন-লাইন ইউনিভার্সিটি, ভিডিও টিউটোরিয়াল বা বিভিন্ন প্রকার ই-বুক ব্যবহারের ফলে শিক্ষা ব্যবস্থার উন্নয়ন হচ্ছে।
• ঘরে বসেই সহজে উন্নত স্বাস্থ্যসেবা ও চিকিৎসা সুবিধা পাওয়া যাচ্ছে।
• গবেষণার উপাত্ত ও তথ্য প্রাপ্তি সহজতর হচ্ছে এবং সহজেই বিভিন্ন গবেষণার ফলাফল জানা যাচ্ছে।
উত্তরঃ বিশ্বের বিভিন্ন তথ্য বা সংবাদ সংগ্রহের কাজ নির্ভুলভাবে এবং
দ্রুত অনুসন্ধান বা প্রাপ্তির জন্য ইন্টারনেট ব্যাপকভাবে ব্যবহার করা হচ্ছে। বিশ্বগ্রামের মাধ্যমে রাজনৈতিক, খেলাধুলা, চাকুরির তথ্য, অনলাইন বুলেটিন বোর্ডের মাধ্যমে সকল খবর সংরক্ষণ এবং সহজে ও কম খরচে সংবাদ প্রাপ্তিসহ যাবতীয় তথ্য ব্যবস্থাপনা সম্ভব হয়েছে।
উত্তরঃ আধুনিক বাসস্থান শিল্পে বিশ্বগ্রামের প্রভাব অপরিসীম।
বিশ্বগ্রাম বাড়ি-ঘরের তৈরি, বাসস্থানের নকশা, মাল্টিমিডিয়ার মাধ্যমে গ্রাহকের নিকট সরাসরি উপস্থাপন এবং যোগাযোগ ও লেনদেন সংক্রান্ত যাবতীয় কার্য সম্পাদনের মাধ্যমে বাসস্থান নির্মাণ ও ব্যবসায়িক কার্যাবলি সহজতর করেছে।
উত্তরঃ বিশ্বব্যাপী ইন্টারনেটের ব্যাপক ব্যবহারের ফলে যোগাযোগ ব্যবস্থার প্রভূত উন্নতি সাধিত হচ্ছে। এখন মানুষ তাৎক্ষণিকভাবে একে অন্যের সাথে যোগাযোগ রক্ষা করে চলতে পারে। বৈশ্বিক যোগাযোগের এ ব্যবস্থাকে গ্লোবাল ভিলেজ বা বিশ্বগ্রাম বলে।
মানুষ দ্রুততার সাথে আন্তর্জাতিকভাবে সংগঠিত তথ্যাবলী সংগ্রহ, সংরক্ষণ ও সরবরাহের মাধ্যমে নিজের তথা ব্যবসা বাণিজ্যের উন্নয়ন করতে পারছে বলে একে তথ্য ও যোগাযোগ ব্যবস্থার আধুনিক রূপ বলা হয়।
উত্তরঃ গ্লোবাল ভিলেজের ফলে ইন্টারনেট ব্যবহার করে চাকরিপ্রার্থী যেমন নিজের যোগ্যতা অনেক জায়গায় উপস্থাপন করতে পারে আবার চাকরিদাতাও ইন্টারনেটের মাধ্যমে খুব সহজেই উপযুক্ত প্রার্থী নির্বাচন করতে পারে। তথ্য প্রযুক্তি ব্যবহার নতুন নতুন চাকরির সৃষ্টি করছে এবং উৎপাদনশীলতা বাড়িয়েছে। যারা আউটসোর্সিং করে তাদের বলা হয় ফ্রিল্যান্সার। আউটসোর্সিং এর মাধ্যমেও ব্যাপক কর্মসংস্থান গ্লোবাল ভিলেজ করছে।
উত্তরঃ গ্লোবাল ভিলেজ বা বিশ্বগ্রাম হচ্ছে এমন একটি সামাজিক এবং সাংস্কৃতিক সংগঠন বা কম্যুনিটি, যেখানে কম্যুনিটির সকল সদস্য ইন্টারনেট তথা যোগাযোগ প্রযুক্তির মাধ্যমে সংযুক্ত। তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি ক্রমবর্ধমান উন্নতির ফলে বসবাসযোগ্য পৃথিবী ক্রমশ ছোট হয়ে আসছে, যেন একটি গ্রামে পরিণত হচ্ছে। আর এর প্রধান সহায়ক শক্তি হচ্ছে তথ্য ইন্টারনেট। সুতরাং বলা যায়, বিশ্বগ্রাম হচ্ছে ইন্টারনেট ব্যবস্থা।
চিকিৎসা
উত্তরঃ ক্রায়োসার্জারি হচ্ছে এক প্রকার চিকিৎসা পদ্ধতি যার মাধ্যমে অত্যাধিক শীতল তাপমাত্রা প্রয়োগ করে ত্বকের অস্বাভাবিক এবং রোগাক্রান্ত টিস্যু ধ্বংস করা হয়।
ক্রায়োসার্জারি কৌশল প্রয়োগ করে চিকিৎসা করাকে ক্রায়োথেরাপি বলে। ক্রায়োথেরাপিতে টিউমার টিস্যুর তাপমাত্রা ১২ সেকেন্ডের ভিতরে কমিয়ে -১২০°-১৬৫° সে. তাপমাত্রায় নিয়ে আসা হয়। এই সময় ক্রায়োপ্রোব বা একটি সূচের প্রান্ত দ্বারা টিউমার টিস্যুর ভিতরে খুব দ্রুত আর্গন গ্যাস নিঃসরণ করানো হয়। তাপমাত্রার অত্যাধিক হ্রাসের ফলে কোষে পানি জমাটবদ্ধ হয়ে ঐ টিস্যুর মধ্যে আটকা পড়ে গেলে এতে রক্ত ও অক্সিজেন পরিবহন সম্ভব হয় না। এর ফলে জমাটবদ্ধ অবস্থায় টিউমার টিস্যুটির ক্ষয় সাধিত হয়। আবার ক্রায়োপ্রোব বা সূচের প্রান্ত দিয়ে টিউমার টিস্যুটির ভিতরে হিলিয়াম গ্যাস নিঃসরণের মাধ্যমে টিস্যুটির তাপমাত্রা ২০° ৪০° সে. এ উঠানো হয়। তখন জমাটবদ্ধ টিউমার টিস্যুটির বরফ গলে যায় এবং টিস্যুটি ধ্বংস হয়ে যায়।
উত্তরঃ ক্রায়োসার্জারি চিকিৎসা পদ্ধতিতে যে নল ব্যবহার করে তরল নাইট্রোজেন, কার্বন-ডাই অক্সাইড, আর্গন ও ডাই মিথাইল ইথার প্রয়োগ করা হয় তাকে ক্রায়োপ্রব বলে। এটির সাহায্যে রোগাক্রান্ত টিস্যুর উপর প্রলেপ দেওয়া হয়। বিভিন্ন রোগ ও ক্যান্সার চিকিৎসায় এটি ব্যবহৃত হয়। বিশেষ করে অসুস্থ ত্বকের পরিচর্যায় এটি বেশি ব্যবহার করা হয়। তাছাড়া লিভার ক্যান্সার, প্রস্টেট ক্যান্সার, ফুসফুস ক্যান্সার, মুখ বা ওরাল ক্যান্সারসহ বিভিন্ন রোগে অসুস্থ ত্বক সতেজ করে তুলতে এটি ব্যবহার করা হয়।
উত্তরঃ ক্রায়োসার্জারি হচ্ছে তথ্য প্রযুক্তির সহায়তায় কাটা ছেঁড়া ও রক্তপাতহীন চিকিৎসা পদ্ধতি। বেশ কিছু অভ্যন্তরীণ শারীরিক ব্যাধি যেমন- লিভার ক্যান্সার, প্রোস্টেট ক্যান্সার, লাং ক্যান্সার, ত্বক/চামড়ার ক্যান্সার ইত্যাদির চিকিৎসায় ক্রায়োসার্জারি ব্যবহৃত হয়। ক্রায়োসার্জারি কৌশল প্রয়োগ করে চিকিৎসা করাকে ক্রায়োথেরাপি বলে।
উত্তরঃ ক্রায়োসার্জারিতে যেসব গ্যাস ব্যবহার করা হয় সেগুলোর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো-
i. কার্বন ডাইঅক্সাইড
ii. তরল নাইট্রোজেন
iii. আর্গন
iv, নাইট্রাস অক্সাইড
v. ডাই-মিথাইল ইথার ও প্রোপেন ইত্যাদি।
i. কার্বন ডাইঅক্সাইড
ii. তরল নাইট্রোজেন
iii. আর্গন
iv, নাইট্রাস অক্সাইড
v. ডাই-মিথাইল ইথার ও প্রোপেন ইত্যাদি।
উত্তরঃ তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তির মাধ্যমে দূরবর্তী রোগীদেরকে চিকিৎসা সেবা দেয়া সম্ভব। এক্ষেত্রে সাহায্য করতে পারে টেলিমেডিসিন। তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তির সাহায্যে কোন ভৌগলিক দূরত্বে অবস্থানরত রোগীকে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক, রোগ নির্ণয় কেন্দ্র, বিশেষায়িত নেটওয়ার্ক ইত্যাদির সমন্বয়ে স্বাস্থ্যসেবা দেওয়াকে টেলিমেডিসিন বলা হয়।
টেলিমেডিসিন এক ধরনের সেবা। টেলিমেডিসিন প্রযুক্তির মাধ্যমে একদেশে অবস্থান করে অন্য দেশের বিশেষজ্ঞ ডাক্তারের চিকিৎসা সেবা গ্রহণ করা যায়। বাংলাদেশের চিকিৎসা ব্যবস্থাতেও তথ্য প্রযুক্তির ব্যবহার শুরু হয়েছে। বর্তমানে আমাদের দেশের নাগরিকগণ মোবাইল ফোনের মাধ্যমে সরকারি স্বাস্থ্য কেন্দ্রে কর্মরত চিকিৎসকের কাছ থেকে বিনামূল্যে স্বাস্থ্য পরামর্শ নিতে পারেন। ফলে দূরবর্তী অঞ্চলের নাগরিকগণ জরুরি প্রয়োজনে স্বাস্থ্য কেন্দ্রে না এসেও চিকিৎসা সেবা গ্রহণ করতে পারছেন।
টেলিমেডিসিন এক ধরনের সেবা। টেলিমেডিসিন প্রযুক্তির মাধ্যমে একদেশে অবস্থান করে অন্য দেশের বিশেষজ্ঞ ডাক্তারের চিকিৎসা সেবা গ্রহণ করা যায়। বাংলাদেশের চিকিৎসা ব্যবস্থাতেও তথ্য প্রযুক্তির ব্যবহার শুরু হয়েছে। বর্তমানে আমাদের দেশের নাগরিকগণ মোবাইল ফোনের মাধ্যমে সরকারি স্বাস্থ্য কেন্দ্রে কর্মরত চিকিৎসকের কাছ থেকে বিনামূল্যে স্বাস্থ্য পরামর্শ নিতে পারেন। ফলে দূরবর্তী অঞ্চলের নাগরিকগণ জরুরি প্রয়োজনে স্বাস্থ্য কেন্দ্রে না এসেও চিকিৎসা সেবা গ্রহণ করতে পারছেন।
যোগাযোগ
উত্তরঃ বুলেটিন বোর্ড একটি শক্তিশালী বোর্ড, যা কেন্দ্রীয় কম্পিউটারের সাথে অন্যান্য কম ক্ষমতাসম্পন্ন কম্পিউটার ও টেলিফোন লাইনের মাধ্যমে সংযুক্ত থাকে। বুলেটিন বোর্ডে একদিকে যেমন সংরক্ষিত খবর দেখা যায় তেমনি নতুন খবর বোর্ডে রেখে দেওয়া যায়। বিশেষ সফটওয়্যারের মাধ্যমে বুলেটিন বোর্ড সর্বদা সক্রিয় রাখতে হয়। বুলেটিন বোর্ড সক্রিয় রাখার জন্য টেলিফোন লাইনের সাথে সংযোগ করতে হয়।
উত্তরঃ বর্তমানে ব্যাংকিং সেক্টরে টেলিকনফারেন্সিং ও ভিডিও কনফারেন্সিং ব্যবস্থার মাধ্যমে গ্রাহকদের সময়মতো সেবা প্রদান করা হয়। ফলে গ্রাহকরা যেকোনো সময়ে তাদের সমস্যাগুলো সেবাদাতাদের কাছ থেকে জেনে নিতে পারে। এছাড়া বর্তমানে টেলিকনফারেন্সিং-এর মাধ্যমে যেকোন ধরনের বিল পরিশোধ করা যায়। এতে করে গ্রাহকদের ভোগান্তি কমে যায়। আবার অনলাইনের মাধ্যমে যেকোনো সময় টাকা ট্রান্সফার করা যায়। ভিডিও কনফারেন্সিং এর মাধ্যমে ব্যাংকের বিভিন্ন শাখায় অনলাইন মিটিং সম্ভব হচ্ছে।
উত্তরঃ ভিডিও কনফারেন্সিং-এর জন্য প্রয়োজনীয় উপকরণগুলো নিচে উল্লেখ করা হলো-
i. মাল্টিমিডিয়া কম্পিউটার বা ল্যাপটপ
ii. মডেম
iii. ইন্টারনেট সংযোগ
iv. ওয়েব ক্যামেরা
V. ভিডিও কনফারেন্সিং উপযোগী সফটওয়্যার ইত্যাদি।
i. মাল্টিমিডিয়া কম্পিউটার বা ল্যাপটপ
ii. মডেম
iii. ইন্টারনেট সংযোগ
iv. ওয়েব ক্যামেরা
V. ভিডিও কনফারেন্সিং উপযোগী সফটওয়্যার ইত্যাদি।
উত্তরঃ রিজার্ভেশন সিস্টেম হলো অনলাইন ভিত্তিক যাতায়াতের সিডিউল তৈরি এবং আসন সংরক্ষণ করার ব্যবস্থা। বর্তমানে অনলাইনে বিভিন্ন এয়ার লাইন অফিস, ট্রাভেল এজেন্ট অফিস, হোটেল প্রভৃতি স্থানে যাতায়াতের সিডিউল তৈরি করা এবং আসন ব্যবস্থা সংরক্ষণ করা হয়। গ্রাহক ফোনে অথবা অনলাইনে নিজেই তার আসন অগ্রিম বুকিং দিতে পারেন।
ব্যবসা
উত্তরঃ পণ্য বা সেবার উপাদান মাকেটিং, ডেলিভারি, সার্ভিসিং এবং মূল্য পরিশোধের অনলাইন প্রক্রিয়াকে সামগ্রিকভাবে ইলেকট্রনিক কমার্স বা ই-কমার্স বলে। ই-কমার্স এর মাধ্যমে সহজে লেনদেন সম্পাদন করা যায়। স্বল্প সময়ে এবং কম খরচে বিজ্ঞাপন, যোগাযোগ অবকাঠামোগত উন্নয়ন প্রভৃতি কার্য সম্পাদন করা যায়।
টেলিফোন ও ডাটা নেটওয়ার্কের মাধ্যমে অর্থ স্থানান্তরের ব্যবস্থাকে ইলেক্ট্রনিক ফান্ড ট্রান্সফার বলা হয়।
ইলেক্ট্রনিক ফান্ড ট্রান্সফার করে মুদ্রার মানের পরিবর্তন হয় না কিন্তু হিসাবের মধ্যে সমন্বয় সাধন করা হয়। লেনদেন কাজে সুবিধা ও নিরাপার জন্য আটোমেটেড টেলার মেশিন (ATM) বাবহৃত হয়। ডাটা দিয়ে ব্যাংকের লেনদেনে ম্যাগনেটিক স্ট্রিপ (চৌম্বক কালির রেখা) বিশিষ্ট ব্যাংক কার্ড ব্যবহৃত হয়, যা দিয়ে যে কোনো সময় ব্যাংক থেকে টাকা উত্তোলন করা যায়।
ইলেক্ট্রনিক ফান্ড ট্রান্সফার করে মুদ্রার মানের পরিবর্তন হয় না কিন্তু হিসাবের মধ্যে সমন্বয় সাধন করা হয়। লেনদেন কাজে সুবিধা ও নিরাপার জন্য আটোমেটেড টেলার মেশিন (ATM) বাবহৃত হয়। ডাটা দিয়ে ব্যাংকের লেনদেনে ম্যাগনেটিক স্ট্রিপ (চৌম্বক কালির রেখা) বিশিষ্ট ব্যাংক কার্ড ব্যবহৃত হয়, যা দিয়ে যে কোনো সময় ব্যাংক থেকে টাকা উত্তোলন করা যায়।
ভার্চুয়াল রিয়েলিটি
উত্তরঃ প্রযুক্তি ব্যবহার করে নিরাপদে কার ড্রাইভিং/মটর ড্রাইভিং প্রশিক্ষণ সম্ভব। এক্ষেত্রে সাহায্য করতে পারে ভার্চুয়াল রিয়েলিটি। ভার্চুয়াল রিয়েলিটির মাধ্যমে ড্রাইভিংয়ের নানা নিয়ম-কানুন খুব সহজেই আয়ত্ত করা সম্ভব। ভার্চুয়াল রিয়েলিটির মাধ্যমে বাস্তবের মতো রাস্তায় গাড়ি চালিয়ে প্রশিক্ষণার্থী খুব সহজেই বাস্তবে গাড়ি চালানোর সাহস অর্জন করে দ্রুত গাড়ি চালনা শিখতে পারে।
উত্তরঃ সিমুলেটর ও মডেলিং সফটওয়্যারের মাধ্যমে কাল্পনিক ত্রিমাত্রিক
পরিবেশ অর্থাৎ ভার্চুয়াল রিয়েলিটির মাধ্যমে প্রশিক্ষণ সম্ভব। ভার্চুয়াল রিয়েলিটির মাধ্যমে সত্যিকার যুদ্ধক্ষেত্র তৈরি করে সৈনিকদের উন্নত ও নিখুঁত প্রশিক্ষণ প্রদান করা যায়। এ ছাড়াও মোটরগাড়ি, জাহাজ, বিমান ইত্যাদি চালানোর প্রশিক্ষণে সিমুলেটর ও মডেলিং সফটওয়্যারের মাধ্যমে প্রশিক্ষণার্থী খুব সহজেই বাস্তবে মোটরগাড়ি, জাহাজ বা বিমান চালানের নানা নিয়ম-কানুন আয়ত্ত করতে পারে এবং বাস্তবের ন্যায় প্রশিক্ষণ অর্জন করতে পারে।
উত্তরঃ ভার্চুয়াল রিয়েলিটি প্রযুক্তি ব্যবহার করে বাস্তবে অবস্থান করে কল্পনাকে ছুঁয়ে দেখা সম্ভব। ভার্চুয়াল রিয়েলিটি একটি কম্পিউটার নিয়ন্ত্রিত পরিবেশ যেখানে ব্যবহারকারী ঐ পরিবেশে মগ্ন হতে, বাস্তবের অনুকরণে সৃষ্ট দৃশ্য উপভোগ করতে, সেই সাথে বাস্তবের ন্যায় শ্রবনানুভূতি এবং দৈহিক ও মানসিক ভাবাবেগ, উত্তেজনা অনুভূতি প্রভৃতির অভিজ্ঞাতা অর্জন করতে পারেন।
অর্চুয়াল রিয়েলিটিতে ত্রি-মাত্রিক ইমেজ তৈরির মাধমে অতি অসম্ভব কাজও করা সম্ভবপর হয়।
প্রকৃত অর্থে বাস্তবে যা ঘটে তাই বাস্তব জগত, পক্ষান্তরে বাস্তবের চেতনা উদ্রেককারী বিজ্ঞান নির্ভর কল্পনাকে ভার্চুয়াল জগৎ বলে। ভার্চুয়াল জগতে বাস্তবকে শুধু উপলব্ধি করা যায়। যেমন-বাস্তব জগতে মানুষ শূন্যে উড়ে যেতে পারে না, ১২০ তলা ভবন থেকে লাফ দেওয়া কল্পনাও করতে পারে না। কিন্তু ভার্চুয়াল জগতে ভার্চুয়াল রিয়েলিটির মাধ্যমে কৃত্রিমভাবে বাস্তব জগৎ তৈরি করে এসব বিষয়গুলো উপলব্ধি করা যায়।।
উত্তরঃ ভার্চুয়াল রিয়েলিটি একটি কম্পিউটার নিয়ন্ত্রিত পরিবেশ, যেখানে ব্যবহারকারী ঐ পরিবেশ সম্পর্কে বাস্তবের অনুকরণে অভিজ্ঞতা অর্জন করতে পারেন।
আধুনিক চিকিৎসা সেবা, বিমান প্রশিক্ষণ, মহাশূন্য অভিযান, সামরিক প্রশিক্ষণ প্রভৃতি ক্ষেত্রে ভার্চুয়াল রিয়েলিটি আমাদের প্রাত্যহিক জীবনে ব্যাপক প্রভাব বিস্তার করেছে।
রোবটিক্স ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা
উত্তরঃ মানুষের চিন্তা-ভাবনাগুলো কৃত্রিম উপায়ে প্রযুক্তি নির্ভর যন্ত্র বা কম্পিউটারের মধ্যে রূপ দেওয়াকে আর্টিফিসিয়াল ইনটেলিজেন্স বা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বলে। অর্থাৎ কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার দরুন কম্পিউটারের ভাবনা-চিন্তাগুলো মানুষের মতোই হয়। যেখানে মানুষ একই সময়ে বিভিন্ন চিন্তা করতে পারে না সেখানে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাসম্পন্ন পঞ্চম প্রজন্মের কম্পিউটারগুলো একই সময়ে বহুবিধ কাজ দ্রুততার সাথে সম্পন্ন করতে পারে।
উত্তরঃ এক্সপার্ট সিস্টেম এমন একটি সিস্টেম যার সাহায্যে সফটওয়্যার এর মাধ্যমে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাকে কাজে লাগিয়ে কোনো জটিল সমস্যার সমাধান অথবা সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা যায়। এক্সপার্ট সিস্টেম কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার নীতিতে প্রতিষ্ঠিত। সুতরাং বলা যায় কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা এক ধরনের এক্সপার্ট সিস্টেম।
উত্তরঃ তথ্য প্রযুক্তির কল্যাণে বর্তমানে অনেক যন্ত্র আবিষ্কার হয়েছে যা স্বয়ংক্রিয়ভাবে কাজ করে। এমনই একটি যন্ত্র হলো রোবট, যা অত্যন্ত দ্রুত, ক্লান্তিহীন এবং নিখুঁত কর্মক্ষম স্বয়ংক্রিয় আধুনিক যন্ত্র। কারখানায় কম্পিউটার নিয়ন্ত্রিত রোবটের সাহায্যে স্বয়ংক্রিয়ভাবে নানারকম বিপজ্জনক ও পরিশ্রমসাধ্য কাজ যেমন ওয়েল্ডিং, ঢালাই, ভারি মালামাল উঠা-নামা, যন্ত্রাংশ সংযোজন, গাড়ি রং করা ইত্যাদি কাজ করা হয়। বর্তমানে বোমা নিষ্ক্রিয়করণ, মহাকাশে রোবট, মিনিটারি, সিকিউরিটি (প্রতিরক্ষা), উদ্ধার, মানুষবিহীন গাড়ি, পানির নীচে কর্মপোযোগী যান, টেলি অপারেশন, মেডিকেল সার্জারি এমনকি উন্নত দেশে বাসাবাড়িতে দৈনন্দিন কাজে ও বিনোদনে রোবট স্বয়ংক্রিয়ভাবে ব্যাবহৃত হচ্ছে।
উত্তরঃ তথ্য প্রযুক্তির কল্যাণে বর্তমানে ড্রাইভারবিহীন গাড়িতে যাতায়াত করা সম্ভব। এক্ষেত্রে সাহায্যকারী যন্ত্রটি হলো রোবট, যা অত্যন্ত দ্রুত, ক্লান্তিহীন এবং নিখুঁত কর্মক্ষম স্বয়ংক্রিয় আধুনিক যন্ত্র। রোবটের সাহায্যে ড্রাইভারবিহীন গাড়িতে যাতায়াতের জন্য রোবটের মধ্যে ড্রাইভিং এর নানা নিয়ম কানুন (যেমন: ট্রাফিক সিগন্যাল, সড়ক চিহ্ন, স্পিড লিমিট, ওভারটেকিং, পার্কিং/নো পার্কিং এলাকা ইত্যাদি) প্রোগ্রাম করা হয়। গাড়িতে ব্যবহার বিভিন্ন স্ক্যানার এবং সেন্সর ব্যবহার করে রোবট স্বয়ংক্রিয়ভাবে প্রোগ্রাম অনুসারে গাড়ি চালাতে পারে। এক্ষেত্রে তার কাজটির জন্য মানুষকে আর কোনো কিছু করতে হয় না।
উত্তরঃ তথ্য প্রযুক্তির কল্যাণে বর্তমানে অনেক যন্ত্র আবিষ্কার হয়েছে যা ঝুঁকিপূর্ণ কাজে মানুষের বিকল্প হিসাবে স্বয়ংক্রিয়ভাবে কাজ করে। এমনই একটি যন্ত্র হলো রোবট যা অত্যন্ত দ্রুত, ক্লান্তিহীন এবং নিখুঁত কর্মক্ষম স্বয়ংক্রিয় আধুনিক যন্ত্র। কারখানায় কম্পিউটার নিয়ন্ত্রিত রোবটের মধ্যে বিভিন্ন ঝুঁকিপূর্ণ কাজের প্রোগ্রাম করা থাকে। বিভিন্ন স্ক্যানার, সেন্সর ও ক্যামেরার ব্যবহার করে রোবট স্বয়ংক্রিয়ভাবে প্রোগ্রাম অনুসারে কারখানার ঝুঁকিপূর্ণ কাজগুলো সম্পন্ন করে। এক্ষেত্রে তার কাজটির জন্য মানুষকে আর কোনো কিছু করতে হয় না।
উত্তরঃ রোবটিক্স প্রযুক্তি মানুষের কাজকে অনেক সহজ করে দিয়েছে। শিল্প কারখানার প্রতিকূল পরিবেশে কাজ করা মানুষের পক্ষে অসম্ভব এমন অনেক জায়গায় রোবটিক্সের মাধ্যমে কাজ সম্পাদন করা যায়। বিভিন্ন খনি, মহাকাশ ইত্যাদি জায়গায় বর্তমান যুগে রোবটিক্স এর ব্যবহার হচ্ছে।
বায়োমেট্রিক্স ও বায়োইনফরমেটিক্স
উত্তরঃ প্রযুক্তি ব্যবহারের মাধ্যমে ব্যক্তি শনাক্তকরণ সম্ভব। ব্যক্তি শনাক্তকরণের প্রযুক্তিটি হলো বায়োমেট্রিক্স। বায়োমেট্রিক্স হলো এমন একটি প্রযুক্তি যেখানে কোনো ব্যক্তির দেহের গঠন এবং আচরণগত বৈশিষ্ট্যের উপর ভিত্তি করে তাকে অদ্বিতীয়ভাবে চিহ্নিত বা শনাক্ত করা হয়। কম্পিউটার বিজ্ঞানে বায়োমেট্রিক্সকে ব্যক্তি শনাক্তকরণ এবং কোনো সিস্টেমে প্রবেশাধিকার নিয়ন্ত্রণের কৌশল হিসাবে ব্যবহার করা হয়। এই পদ্ধতির মাধ্যমে বায়োমেট্রিক্স ডিভাইসগুলো ব্যবহারকারীদের কোনো প্রোগ্রাম, সিস্টেম বা কক্ষ ব্যবহারের অনুমতি দিয়ে থাকে। সন্দেহভাজন ব্যক্তিদের একটি দল হতে কাউকে আলাদাভাবে শনাক্ত করার কাজেও বায়োমেট্রিক পদ্ধতি ব্যবহার করা হয়।
উত্তরঃ ফিংগার প্রিন্ট নির্ভুলভাবে কাউকে চিহ্নিত করার উপযুক্ত ও সর্বস্বীকৃত কৌশল। এক্ষেত্রে পূর্ব থেকে কারো আঙ্গুলের ছাপ সংরক্ষণ করা হয় এক ফিংগার প্রিন্ট রিডারের সাহায্যে আঙ্গুলের ছাপ নিয়ে সংরক্ষিত ছাপের সাথে তুলনা করে কাউকে চিহ্নিত করা হয়। ফিংগার প্রিন্ট রিডার হিসেবে অপটিক্যাল পদ্ধতি (FTIR), CMOS ক্যাপাসিটেন্স, থার্মাল সেন্সিং এবং আল্ট্রাসাউন্ড সেন্সিং সিস্টেম ব্যবহার করা হয়।
উত্তরঃ বায়োমেট্রিক প্রযুক্তির আচরণগত বৈশিষ্ট্যের উপর ভিত্তি করে কোনো ব্যক্তিকে শনাক্তকরণের জন্য আচরণিক ডেটা (যেমন: কন্ঠস্বর, যাতের স্বাক্ষর এবং কী-বোর্ড টাইপিং) ব্যবহার করা হয়। কোনো ব্যক্তির আচরণগত বৈশিষ্ট্যগুলো ইনপুট ডেটা হিসেবে ডেটাবেজে সংরক্ষণ করা হয়। যেমন কন্ঠস্বর শনাক্তকরণ পদ্ধতিতে বাহারকারীর কণ্ঠস্বরকে মাইক্রোফোনের মাধ্যমে ধারণপূর্বক কম্পিউটার প্রোগ্রামিং এর সাহায্যে ইলেকট্রিক সিগনালে রূপান্তর করে ডেটাবেজে সংরক্ষণ করা হয়। পরবর্তীতে সংরক্ষিত কন্ঠস্বর আচরণিক ডেটার সাথে মিলিয়ে ব্যক্তি শনাক্তকরণের কাজ সম্পন্ন করা হয়।
উত্তরঃ বর্তমানে বিভিন্ন কর্পোরেট লেভেলে অফিসে বায়োমেট্রিক্স সিস্টেম ব্যবহৃত হয়। কারণ এর সাহায্যে অফিসের সময় ও উপস্থিতি নিয়ন্ত্রণ, প্রবেশ নিয়ন্ত্রণ, ATM এ লেনদেন যাচাইকরণ, কম্পিউটার ডেটাবেজ ও নেটওয়ার্ক নিয়ন্ত্রণ, গাড়ি প্রবেশ ও অগ্নি নিরাপত্তা, ব্যাংকের লেনদেনে নিরাপত্তা, ব্যক্তিগত আগ্নেয়াস্ত্র নিয়ন্ত্রণ, নিরাপত্তা কর্মীর চলাচল নিয়ন্ত্রণসহ সেলুলার ফোনের নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা সম্ভব হয়।
উত্তরঃ বায়োইনফরম্যাটিক্স হলো বিজ্ঞানের সেই শাখা যা বায়োলজিক্যাল ডেটা এনালাইসিস করার জন্য কম্পিউটার প্রযুক্তি, ইনফরমেশন থিওরি এবং গাণিতিক জ্ঞানকে ব্যবহার করে। এক্ষেত্রে ডেটা ডি এন এ, অ্যামিনো এসিড এবং নিউক্লিক এসডিসহ অন্যান্য বিষয়কে অন্তর্ভুক্ত করে। সাধারণত বায়োইনফরম্যাটিক্স ডাটাবেজে জিন ব্যাংক, নিউক্লিওটাইড সিকুয়েন্স, প্রোটিন সিকুয়েন্স ইত্যাদি বিষয় থাকে।
জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং ও ন্যানোটেকনলজি
উত্তরঃ পাটের জীবন রহস্য উন্মোচিত হয়েছে জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং প্রযুক্তির মাধ্যমে। আমাদের দেশের বিজ্ঞানী ড. মাকসুদুল আলম পাটের জীবন রহস্য উন্মোচিত করেছেন।
এক কোষ থেকে সুনির্দিষ্ট জিন নিয়ে অন্য কোষে স্থাপন ও কর্মক্ষয় করার ক্ষমতাকে জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং বলে। অর্থাৎ DNA এর মধ্যে নতুন DNA প্রতিস্থাপন করে নতুন ক্রোমোসোম তৈরির কৌশলই হলো জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং।
এক কোষ থেকে সুনির্দিষ্ট জিন নিয়ে অন্য কোষে স্থাপন ও কর্মক্ষয় করার ক্ষমতাকে জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং বলে। অর্থাৎ DNA এর মধ্যে নতুন DNA প্রতিস্থাপন করে নতুন ক্রোমোসোম তৈরির কৌশলই হলো জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং।
উত্তরঃ জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং প্রযুক্তির মাধ্যমে সারা বছর আমের ফলন সম্ভব। জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং প্রযুক্তির রিকম্বিনেট DNA এর মাধ্যমে যেসব জিন পুষ্টির বাহক, ফলবর্ধন সালোকসংশ্লেষণ ক্ষমতা সম্পন্ন এবং সারা বছর ফলনশীল সেসব জিনকে বিভিন্ন নিকটবর্তী বা দূরবর্তী যেকোনো উদ্ভিদ থেকে সংগ্রহ করে আমের চারায় ঢুকিয়ে দিয়ে সারা বছর আমের আশাতীত ফলন পাওয়া সম্ভব হচ্ছে।
উত্তরঃ আণবিক পর্যায়ে গবেষণার প্রযুক্তিটি হলে ন্যানো প্রযুক্তি। ন্যানো টেকনোলজি বা ন্যানো প্রযুক্তি হলো পারমাণবিক বা আণবিক স্কেলে অতিক্ষুদ্র ডিভাইস (যেমন রোবট) তৈরি করার জন্য ধাতব বস্তুকে সুনিপুণভাবে কাজে লাগানোর বিজ্ঞান। ন্যানোসায়েন্স এবং ন্যানো টেকনোলজি হলো একক অণু-পরমাণু দেখা এবং নিয়ন্ত্রণ করার সামর্থ্য। ন্যানো প্রযুক্তির ফলে কোনো উপকরণকে এতটাই ক্ষুদ্র করে তৈরি করা যায় যে, এর থেকে আর ক্ষুদ্র করা সম্ভব নয়।
উত্তরঃ ন্যানোটেকনোলজি ব্যবহারের মাধ্যমে বৃহৎ স্কেলে পণ্যোৎপাদন সম্ভব হয়। এ প্রযুক্তির মাধ্যমে উৎপাদিত পণ্য অত্যন্ত মজবুত, বিদ্যুৎ সাশ্রয়ী, টেকসই এবং আকারে সূক্ষ্ম, ছোট ও হালকা হয়। ন্যানোপ্রযুক্তির সাহায্যে ভবিষ্যতে স্মার্ট ওষুধের মাধ্যমে প্রাণঘাতী ক্যান্সারের মতো দূরারোগ্য ব্যাধি হতে মুক্তি, প্রতিরক্ষা ব্যবস্থায় ন্যানো রোবট, কোয়ান্টাম কম্পিউটিং, বিশ্বব্যাপী বৃহৎ কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি, কার্যকরী ও সস্তায় শক্তি উৎপাদনসহ পানি ও বায়ুদূষণ কমানো সম্ভব হবে বলে গবেষকগণ আশাবাদী। এজন্যই আগামী বিশ্ব হবে ন্যানোটেকনোলজির বিশ্ব।
উত্তরঃ কম্পিউটার ও ক্রীড়া সামগ্রী তৈরিতে ন্যানো টেকনোলজির ব্যবহার নিম্নে ব্যাখ্যা করা হলো।
কম্পিউটার হার্ডওয়্যার তৈরিঃ কম্পিউটারের মেমোরি, গতি, দক্ষতা ইত্যাদি বৃদ্ধির জন্য বিভিন্ন হার্ডওয়্যার এবং ভিডিও গেমস কনসোল তৈরিতে ন্যানোটেকনোলজি ব্যবহৃত হয়।
ক্রীড়া সামগ্রী তৈরিঃ টেনিস বলের স্থায়িত্ব বৃদ্ধি, বাতাসে গলফ বলের পজিশন ঠিক রাখা ইত্যাদির জন্য ন্যানো টেকনোলজি ব্যবহৃত হয়। এছাড়াও খেলোয়াড়দের জুতা, মোজা, ট্রাউজার প্রভৃতির স্থায়িত্ব বৃদ্ধি ও আরামপ্রদ করার জন্য ন্যানো টেকনোলজি ব্যবহৃত হয়।
কম্পিউটার হার্ডওয়্যার তৈরিঃ কম্পিউটারের মেমোরি, গতি, দক্ষতা ইত্যাদি বৃদ্ধির জন্য বিভিন্ন হার্ডওয়্যার এবং ভিডিও গেমস কনসোল তৈরিতে ন্যানোটেকনোলজি ব্যবহৃত হয়।
ক্রীড়া সামগ্রী তৈরিঃ টেনিস বলের স্থায়িত্ব বৃদ্ধি, বাতাসে গলফ বলের পজিশন ঠিক রাখা ইত্যাদির জন্য ন্যানো টেকনোলজি ব্যবহৃত হয়। এছাড়াও খেলোয়াড়দের জুতা, মোজা, ট্রাউজার প্রভৃতির স্থায়িত্ব বৃদ্ধি ও আরামপ্রদ করার জন্য ন্যানো টেকনোলজি ব্যবহৃত হয়।
তথ্য ও যোগায়োগ প্রযুক্তি ব্যবহারে নৈতিকতা
উত্তরঃ নৈতিকতা হচ্ছে মানুষের কাজ-কর্ম, আচার-ব্যবহারের সেই মূলনীতি যার উপর ভিত্তি করে মানুষ একটি কাজের ভাল বা মন্দ দিক বিচার বিশ্লেষণ করতে পারে। তথ্য প্রযুক্তির ব্যবহার সমাজের সকল ক্ষেত্রে ব্যাপক প্রভাব বিস্তার করা শুরু করেছে। এর ফলে কম্পিউটার ও সাইবার অপরাধ, গোপনীয়তা, ব্যক্তি স্বাতন্ত্র্যতা বা আইডেনটিটি, চাকুরি, স্বাস্থ্য ও কর্ম পরিবেশ ইত্যাদি বিভিন্ন ক্ষেত্রে নৈতিকতার বিষয়টির উদ্ভব হয়েছে। তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি ব্যবহারে সচেতনতা বৃদ্ধি ও নৈতিকতা রক্ষা করতে পারলে কম্পিউটার অপরাধ, সাইবার অপরাধ, হ্যাকিং, সফটওয়্যার পাইরেসি ইত্যাদি অপরাধমূলক ও অনৈতিক কাজের প্রবণতা অনেকাংশে হ্রাস পাবে বলে আশা করা যায়।
উত্তরঃ হ্যাকিংয়ের মাধ্যমে সাইবার অপরাধ সংঘঠিত হয়। সাইবার আক্রমণ এক ধরণের ইলেকট্রনিক আক্রমণ যাতে ক্রিমিনালরা ইন্টারনেটের মাধ্যমে অন্য কারও সিস্টেমে বিনা অনুমতিতে প্রবেশ করে ফাইল, প্রোগ্রাম কিংবা হার্ডওয়্যার ধ্বংস বা ক্ষতি সাধন করে। একে সাইবার ভ্যান্ডালিজম (Vandalism) ও বলা হয়। যা একটি নৈতিকতা বিরোধী কাজ।
উত্তরঃ সমাজে সুনাগরিক হিসেবে পরিচিতি গড়ে তুলতে তথ্য প্রযুক্তিতে নৈতিকতার বিষয়গুলো মেনে চলা উচিত। তথ্য প্রযুক্তির মাধ্যমে নিজের দক্ষতা ও জ্ঞানকে কাজে লাগিয়ে সমাজ জীবনের কল্যাণকর কাজে নিজেদের নিয়োজিত করা উচিত। এছাড়া সুনাগরিক হিসেবে কিছু বিষয়ে সতর্ক থাকতে হবে। যেমন- তেমন জনগণের সমস্যার কারণ হয় এমন কোনো তথ্যের ভুল উপস্থাপন না করা, ব্যাক্তিগত অর্জনের জন্য অবৈধভাবে তথ্য প্রযুক্তির ব্যবহার না করা। জনগণকে তথ্য প্রযুক্তির বিভিন্ন অবদান সম্পর্কে অবহিত করার পাশাপাশি চিকিৎসা, শিক্ষা, কৃষি, ব্যবসায় ইত্যাদিতে তথ্য প্রযুক্তির ইতিবাচক ব্যবহার সম্পর্কে সবাইকে অগ্রহী করতে হবে।
উত্তরঃ অনোর তৈরি সফটওয়্যার তার অনুমতি ছাড়া কপি করা সফটওয়্যার পাইরেসির অন্তর্ভুক্ত। সফটওয়ার পাইরেসি বলতে প্রস্তুতকারীর বিনা অনুমতিতে কোন সফটওয়্যার কপি করা, নিজের নামে বিতরণ করা কিংবা কোনো প্রকার পরিবর্তন করে নিজের নামে চালিয়ে দেয়া ইত্যাদি কার্যক্রমকে বুঝায়। এ ধরনের কাজ কপিরাইট আইন লঙ্ঘন করে।
উত্তরঃ ইন্টারনেট বা তথ্য প্রযুক্তিকে কেন্দ্র করে যে সকল ক্রাইম সংগঠিত হয় তা সাইবার ক্রাইম নামে পরিচিত।
সাইবার ক্রাইম একটি কম্পিউটার অপরাধ। এর মাধ্যমে সফটওয়্যার পাইরেসি, সাইবার আক্রমণ, সাইবার চুরি এবং কম্পিউটার হ্যাকিং এর মতো মারাত্মক অপরাধ সংঘটিত হয়ে থাকে।
সাইবার ক্রাইম একটি কম্পিউটার অপরাধ। এর মাধ্যমে সফটওয়্যার পাইরেসি, সাইবার আক্রমণ, সাইবার চুরি এবং কম্পিউটার হ্যাকিং এর মতো মারাত্মক অপরাধ সংঘটিত হয়ে থাকে।
তথ্য প্রযুক্তি ও অন্যান্য
উত্তরঃ আইসিটিতে সামাজিক যোগাযোগ বলতে নেটওয়ার্কের মাধ্যমে মানুষে মানুষে মিথস্ক্রিয়াকেই বোঝায়। এর অর্থ হলো তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি ব্যবহার করে যোগাযোগ ও ভাব প্রকাশের জন্য মানুষ যা কিছু সৃষ্টি, বিনিময় কিংবা আদান-প্রদান করে তাই সামাজিক যোগাযোগ। ইন্টারনেটে গড়ে উঠেছে অনেক প্ল্যাটফর্ম যা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম হিসেবে পরিচিত। এর মধ্যে সবচেয়ে জনপ্রিয় দুইটি মাধ্যম হলো ফেসবুক ও টুইটার।
উত্তরঃ ICT শিক্ষায় শিক্ষিত যে কেউ আউটসোর্সিং-এর মাধ্যমে সহজেই অর্থ উপার্জন করতে পারে। আউটসোর্সিং-এর অর্থ হলো নিজ স্থানে বা এলাকা থেকে প্রযুক্তি ব্যবহার করে বহির্বিশ্ব বা কোন ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের চাহিদা অনুযায়ী কাজ করার মাধ্যেম অর্থ উপার্জন করা বুঝায় । আউটসোর্সিং এর ফলে শিক্ষিত জনবল এই শিল্পকে কাজে লাগিয়ে অর্থ উপার্জনের মাধ্যমে স্বাবলম্বী হচ্ছে। অবারিত সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে কর্মসংস্থানের ক্ষেত্রে যা দেশের অর্থনীতিতে ইতিবাচক প্রভাব ফেলেছে।
উত্তরঃ ই-লার্নিং এর মাধ্যমে ঘরে বসে হাজার মাইল দূরের লাইব্রেরিতে পড়াশুনা করা যায়। ই-লার্নিং হলো অনলাইনভিত্তিক পড়শুনা। আবার, তথ্য প্রযুক্তির সুবিধা ব্যবহার করে সনাতন পদ্ধতির বইয়ের ডিজিটাল রূপ (ই-বুক) যে ওয়েবসাইটে সংরক্ষিত থাকে তাকে অনলাইন লাইব্রেরি বলে। এসব অনলাইন লাইব্রেরি থেকে শিক্ষার্থীরা বিভিন্ন বিষয়ে তথ্য সংগ্রহ করে পড়তে পারে এবং ভিডিও চিত্র দেখে সহজে শিখতে পারে। যা তার পাঠ্য বই অধ্যয়নে সহায়ক ভূমিকা রাখে।
উত্তরঃ তথ্য প্রযুক্তির কাজ হচ্ছে ডেটা সংগ্রহ করে ইনফরমেশন তৈরি করা। আর যোগাযোগ প্রযুক্তির কাজ হচ্ছে ইনফরমেশন বা তথ্যকে একস্থান থেকে অন্যস্থানে সঠিকভাবে সঠিক সময়ে স্থানান্তর করা। সুতরাং একটি ছাড়া অন্যটি অচল। এইজন্য তথ্য প্রযুক্তি ও যোগাযোগ প্রযুক্তি একে অপরের পরিপূরক।
উত্তরঃ আইসিটি নির্ভর উৎপাদন ব্যবস্থা উন্নত দেশ গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। শিল্পপ্রতিষ্ঠানের উৎপাদিত পণ্যের মান নির্ণয়ে কম্পিউটার ব্যবহৃত হয়। উৎপাদন কাজে ব্যবহৃত যন্ত্রপাতিগুলো ঠিকমতো কাজ করছে কিনা তা কম্পিউটারের মাধ্যমে নির্ণয় করা হয়। উৎপাদনের ক্ষেত্রে অধিক ঝুঁকিপূর্ণ কাজে কম্পিউটার চালিত রোবট ব্যবহৃত যয়। গ্রুপ অব কোম্পানির বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের যে কেউ ইলেকট্রনিক মেইল, টেলিকনফারেন্স, বুলেটিন বোর্ড ইত্যাদির মাধ্যমে যোগাযোগ করতে পারে এবং কর্মরত শ্রমিকের কাজের সময়, বেতন ও ওভারটাইম হিসাব করার জন্য প্রযুক্তি ব্যবহার করা হয়। এ সবই আইসিটি নির্ভর।
উত্তরঃ বিশ্বের বিভিন্ন দেশের সমাজ ব্যবস্থায় তথ্য ও প্রযুক্তি অভাবনীয় পরিবর্তন এনেছে। শিক্ষা, চিকিৎসা, ব্যাংক, বীমা, আর্থিক প্রতিষ্ঠান, অফিস, আদালত, কল কারখানা, যোগাযোগ ব্যবস্থা, কৃষি, বিজ্ঞান, চিকিৎসা, প্রকাশনা, শিল্প-সংস্কৃতি, ইত্যাদি সমাজের প্রতিটি ক্ষেত্রে বর্তমানে তথ্যপ্রযুক্তির বহুমুখী প্রয়োগ পরিলক্ষিত হচ্ছে। এছাড়া সামাজিক যোগাযোগ ব্যবস্থায় প্রযুক্তির ছোঁয়া মানুষকে প্রতিনিয়তই সংযুক্ত করে রাখছে। ফলে সামাজিক জীবন ও মূল্যবোধের সমন্বয় সাধিত হচ্ছে।
উত্তরঃ ....


Comments