ব্যান্ডউইথ
উত্তরঃ ব্যান্ডউইথকে bit per second (bps) দ্বারা হিসাব করা হয়। প্রতি সেকেন্ডে যে পরিমাণ বিট ট্রান্সমিট করা হয় তাকে bps বা ব্যান্ডউইথ বলে। 320 kbps বলতে প্রতি সেকেন্ডে 320 কিলোবিট ডেটা ট্রান্সমিট হয় বোঝায়।
উত্তরঃ ডিজিটাল সংকেতকে অ্যানালগ সংকেতে পরিবর্তনের প্রক্রিয়াকে মডুলেশন এবং অ্যানালগ সংকেতকে ডিজিটাল সংকেতে পরিবর্তন করার
প্রক্রিয়াকে ডিমডুলেশন বলা হয়। মডুলেশন এবং ডিমডুলেশন উভয় প্রক্রিয়ার সম্মিলিত ফলাফল হচ্ছে ডেটা কমিউনিকেশন। যোগাযোগ কার্যকর করার জন্য প্রেরক ও গ্রাহক উভয় প্রান্তেই মডেম ব্যবহারের মাধ্যমে প্রেরিত সংকেত মডুলেশন এবং গৃহীত সংকেত ডিমডুলেশন করা হয়।
উত্তরঃ ডেটা আদান-প্রদানের ক্ষেত্রে প্রেরণ প্রান্ত এবং দূরবর্তী গ্রহণ প্রান্তের মধ্যে সংযোগ স্থাপন করার প্রয়োজন হয়। সাধারণত এ সংযোগকে চ্যানেল
বলে। এ চ্যানেল বাস্তবায়নের জন্য বিভিন্ন প্রকার মাধ্যম ব্যবহার করা হয়।
উত্তরঃ কী-বোর্ড থেকে কম্পিউটারে ডেটা স্থানান্তরের জন্য ভয়েস ব্যান্ড উইড্থ ব্যবহার করা হয়। ভয়েস ব্যান্ড উইড্থ এ ডেটার গতি 9.6kbps বা 9600 bps পর্যন্ত হয়ে থাকে।
ডেটা ট্রান্সমিশন মেথড ও মোড
উত্তরঃ সিনক্রোনাস ট্রান্সমিশনের দক্ষতা (efficiency) এসিনক্রোনাস এর তুলনায় অপেক্ষাকৃত বেশি। এ পদ্ধতিতে অবিরাম ট্রান্সমিশন কাজ চলতে থাকার ফলে তার ট্রান্সমিশন গতি অপেক্ষাকৃত বেশি। তাছাড়া প্রতি ক্যারেক্টারের শুরু ও শেষে Start ও Stop bit এবং প্রতি ক্যারেক্টারের পর টাইম ইন্টারভালের প্রয়োজন হয় না। উপরে উল্লেখিত আলোচনা থেকে এটাই স্পষ্ট যে, ডেটা ট্রান্সমিশনে সিনক্রোনাস সুবিধাজনক।
উত্তরঃ "ডেটা ব্লক আকারে ট্রান্সমিট হয়" বলতে সিনক্রোনাস ডেটা ট্রান্সমিশন পদ্ধতিকে বোঝানো হয়েছে। যে ডেটা ট্রান্সমিশন ব্যবস্থায় প্রেরক স্টেশনে প্রথমে ডেটাকে কোনো প্রাথমিক স্টোরেজ ডিভাইস সংরক্ষণ করা হয়, অতঃপর ডেটার ক্যারেক্টার সমূহকে ব্লক আকারে ভাগ করে প্রতিবারে একটি করে ব্লক ট্রান্সমিট করা হয় তাকে সিনক্রোনাস ট্রান্সমিশন বলে। এই ট্রান্সমিশনে প্রতিটি ব্লক একটি নির্দিষ্ট সময় অন্তর ট্রান্সমিট হয়। ২০ ব্যবস্থায় প্রেরক স্টেশনে আকারে ভাগ করে প্রতিবায়ে । এ কারনে নামকরণ করা হয়েছে সিনক্রোনাস ট্রান্সমিশন মেথড। এই ট্রান্সমিশন মেথডে কোন স্টার্ট বা স্টপ বিট থাকে না ফলে একাধারে ডেটা চলতে থাকে। তাই এই পদ্ধতির গতি খুব বেশি।
উত্তরঃ ফুল-ডুপ্লেক্স ট্রান্সমিশনে ডেটা একই সঙ্গে উভয়দিকে আদান-প্রদান করা যায়।
ডেটা কমিউনিকেশনের সময় ডেটা ট্রান্সফারের ক্ষেত্রে একইসময়ে উভয় দিক হতে ডেটা প্রেরণ ও গ্রহণের ব্যবস্থা থাকে এবং যে কোনো প্রান্ত প্রয়োজনে প্রেরণ করার সময় ডেটা গ্রহণ অথবা ডেটা গ্রহণের সময় প্রেরণও করতে পারে। ডেটা কমিউনিকেশনের এ মোড বা প্রথাকে ফুল ডুপ্লেক্স বলে। চিত্রে ফুল-ডুপ্লেক্সের ক্ষেত্রে, 'ক' যখন 'খ' এর দিকে ডেটা প্রেরণ করবে, 'খ' ও তখন 'ক' এর দিকে ডেটা প্রেরণ করতে পারবে অর্থাৎ ডেটা প্রেরণ ও গ্রহণ প্রক্রিয়া একসাথে চলতে পারে। উদাহরণ-টেলিফোন, মোবাইল ফোন, ওয়াইম্যাক্স। নিরবচ্ছিন্ন যোগাযোগের ক্ষেত্রে এটা ব্যবহৃত হয়।


উত্তরঃ মোবাইল ফোনের ডেটা ট্রান্সমিশন মোড হলো ফুল-ডুপ্লেক্স। এ পদ্ধতিতে ডেটা একই সাথে উভয় দিকে আদান-প্রদান করা যায়। অর্থাৎ প্রেরক ও প্রাপক উভয়ই এক সাথে ডেটা আদান-প্রদান করতে পারে। বর্তমানে আমরা স্বাচ্ছন্দ্যে কথা বলার জন্য যেসব প্রযুক্তি ব্যবহার করে থাকি, সেগুলোর প্রায় সবগুলোই ফুল-ডুপ্লেক্স ডিভাইস। এসব প্রযুক্তি ব্যবহার করে প্রেরক ও গ্রাহক একই সাথে তথ্য আদান প্রদান করতে পারে।
উত্তরঃ টিভি সম্প্রচারের জন্য সিমপ্লেক্স মোড পদ্ধতি ব্যবহার করা হয়। এ মোডে ডেটা শুধু এক দিকে প্রেরণ করা যায়। আমরা যখন টেলিভিশন দেখি তখন শুধু দেখা ছাড়া আর কিছু করার থাকে না। এক্ষেত্রে আমরা শুধু ডেটা পাই, পাঠাতে পারি না। অর্থাৎ প্রেরক প্রাপকের কাছে ডেটা পাঠাতে পারে, কিন্তু প্রাপক প্রেরকের কাছে পাঠাতে পারবে না। তাই টেলিভিশনকে একমুখী বা সিমপ্লেক্স মোড বলা হয়।
উত্তরঃ টার্মিনাল হতে সিপিউই-তে ডেটা ট্রান্সমিশনের ক্ষেত্রে এসিনক্রোনাস ট্রান্সমিশন পদ্ধতি ব্যবহার করা হয়। কারণ- যখন একজন অপারেটর কী-বোর্ড হতে ডেটা টাইপ করবে তখন প্রতি অক্ষর চাপার সাথে সাথে কী-বোর্ড হতে CPU তে ডেটা স্থানান্তর হবে এবং কখনোই একজন অপারেটরের টাইপিং এর গতি একইভাবে পাওয়া যাবে না। ফলে ক্যারেক্টার টু ক্যারেক্টার টাইম ইন্টারভাল অসমান হবে । এই ট্রান্সমিশন সিস্টেমে কী-বোর্ডের প্রতি অক্ষর চাপার সাথে সাথে ৮ বিটের একটি ডেটা উৎপন্ন হয়। এ ৮ বিটের ক্যারেক্টার ডেটাকে টান্সমিশনের পূর্বে তার সম্মুখে একটি স্টার্ট বিট এবং শেষে একটি বা দুটি Stop বিট সংযুক্ত করা হয়। ফলে প্রতিটি আরেক্টারের ডেটা ১০ বিটের ডেটায় রূপান্তরিত হয়ে ট্রান্সমিট হয়।
উত্তরঃ সিনক্রোনাস ডেটা ট্রান্সমিশনের ক্ষেত্রে প্রাইমারি স্টোরেজ ডিভাইস (Primary Storage Device) এর প্রয়োজন হয় কারণ ডেটাকে প্রথমে সংরক্ষণ করতে হয়। আর এই প্রাইমারি স্টোরেজ ডিভাইসের জন্যই সিনক্রোনাস ডেটা ট্রান্সমিশন ব্যয়বহুল। আবার ব্লক সিগনালের জন্য সিনক্রোনাস ডেটা ট্রান্সমিশনের খরচ বেশি হয়।
উত্তরঃ ডেটা কমিউনিকেশন ব্যবস্থায় উৎস থেকে গন্তব্যে ডেটা পাঠানো হয়। উৎস থেকে গন্তব্যে ডেটা ট্রান্সফারের ক্ষেত্রে ডেটা প্রবাহের দিককে ডেটা ট্রান্সমিশন মোড বলা হয়। ডেটা প্রবাহের দিকের উপর ভিত্তি করে ডেটা ট্রান্সমিশন মোডকে তিন ভাগে ভাগ করা হয়। যথা- ১. সিমপ্লেক্স, ২. হাফ-ডুপ্লেক্স ও ৩. ফুল-ডুপ্লেক্স।
উত্তরঃ অ্যাসিনক্রোনাস ট্রান্সমিশনে ক্যারেক্টারগুলো ট্রান্সমিশনের যে বিরতি সেটি কখনো সমান হয় না। এই কারণেই এ পদ্ধতিকে অ্যাসিনক্রোনাস ট্রান্সমিশন বলা হয়। মূলত ক্যারেক্টারসমূহের ট্রান্সমিশনের সময় বিরতি সমান না হওয়ায় এর ডেটা স্থানান্তরের গতি ধীর।
উত্তরঃ ওয়াকিটকি হলো হাফ-ডুপ্লেক্স ডেটা ট্রান্সমিশন মোডের একটি আদর্শ উদাহরণ। এখানে প্রেরক ও প্রাপক দুজনেই ডেটা প্রেরণ ও গ্রহণ করতে পারে ঠিকই কিন্তু তা এক সাথে করা সম্ভব নয়। অর্থাৎ একজন যখন কথা বলবে (ডেটা পাঠাবে) অপরজন তখন কেবলমাত্র জনতে পারবে (ডেটা গ্রহণ করবে)। একজনের ডেটা প্রেরণ করা শেষ হলে এর পরই অপরজন ডেটা প্রেরণ করতে (কথা বলতে) পারবে।
ডেটা কমিউনিকেশন মাধ্যমসমূহ
উত্তরঃ স্যাটেলাইটে ব্যবহৃত ওয়েভ হলো মাইক্রোওয়েভ। ইলেক্ট্রোম্যাগনেটিক স্পেকট্রামের ৩০০MHz থেকে ৩০০GHz পর্যন্ত ফ্রিকোয়েন্সী ব্যান্ড মাইক্রোওয়েভ নামে পরিচিত। কার্যতঃ মাইক্রোওয়েভ এক ধরনের ইলেক্ট্রোম্যাগনেটিক ওয়েভ যা সেকেন্ডে প্রায় ১ গিগা বা তার চেয়ে বেশি কম্পনবিশিষ্ট হয়ে থাকে। মাইক্রোওয়েভ সংযোগ ব্যবহার করে ডেটা স্থানান্তর অর্থাৎ কম্পিউটার প্রদত্ত ডেটা, কথা এবং ছবি ইত্যাদি স্থানান্তর সম্ভব। মাইক্রোওয়েভ সিস্টেম মূলত দুটো ট্রান্সসিভার (Transceiver) নিয়ে গঠিত। এর একটি সিগন্যাল ট্রান্সমিট (Transmit) এবং অপরটি সিগন্যাল রিসিভ (Roccive) করে।
মাইক্রোওয়েভ বাঁকা পথে চলাচল করতে পারে না। তাই প্রেরক ও গ্রাহক কম্পিউটারের মধ্যে কোন বাধা থাকলে সংকেত পাঠানো যায় না। এজন্য মাইক্রোওয়েভ এ্যান্টেনা বড় কোন ভবন বা টাওয়ারের ওপর বসানো হয়।
উত্তরঃ উল্লিখিত ক্যাবলটি অপটিক্যাল ফাইবার ক্যাবল। এটি বৈদ্যুতিক অন্তরক বা ডাই ইলেকট্রিক পদার্থ দিয়ে তৈরি এক ধরনের অ্যাঁশ বা ফাইবার যা আলো নিবন্ধকরণ ও পরিবহনে সক্ষম। ফাইবার তৈরির জন্য বৈদ্যুতিক অন্তরক পদার্থ হিসেবে সিলিকা এবং মাল্টি কম্পোন্যান্ট কাঁচ বহুলভাবে ব্যবহৃত হয়। ভিন্ন প্রতিসরাংকের এই ধরনের ডাই-ইলেকট্রিক পদার্থ দিয়ে অপটিক্যাল ফাইবার গঠিত। এতে আলোর পূর্ণ অভ্যন্তরীণ প্রতিফলন পদ্ধতিতে খুবই দ্রুত ডেটা উৎস থেকে গন্ধব্যে গমন করে এবং গতি Gbps পর্যায়ের হয়ে থাকে।
উত্তরঃ IEEE 802.16 স্ট্যান্ডার্ডের প্রযুক্তিটি হচ্ছে WIMAX। WIMAX এর পূর্ণরূপ হচ্ছে Worldwide Interoperability for Microwave Access। এটি ওয়্যারলেস মেট্রপলিটন এরিয়া নেটওয়ার্ক (WMAN) প্রটোকল যা ফিক্সড এবং মোবাইল ইন্টারনেটে ব্যবহৃত হয়। WiMAX সিস্টেমের দুটি প্রধান অংশ থাকে। একটি WiMAX বেজ স্টেশন যা ইনডোর ও আউটডোর টাওয়ার নিয়ে গঠিত। অন্যটি এন্টেনাসহ WiMAX রিসিভার, যা কোন কম্পিউটার বা ল্যাপটপে সংযুক্ত থাকে।
উত্তরঃ WIMAX ব্যবহারের সুবিধা নিচে দেওয়া হলো-
১. শতাধিক ব্যবহারকারী একক বেজ স্টেশন ব্যবহার করতে পারে।
২. নতুন ব্যবহারকারী অধিক দ্রুত যোগাযোগ করতে পারে।
৩. সাধারণত 10 km থেকে 50 km পর্যন্ত বিস্তৃত হয়ে থাকে।
৪. প্রত্যন্ত অঞ্চলেও সেবা পাওয়া যায়।
৫. নিরাপদ ইন্টারনেট সংযোগ সুবিধা প্রদান করা যায়।
১. শতাধিক ব্যবহারকারী একক বেজ স্টেশন ব্যবহার করতে পারে।
২. নতুন ব্যবহারকারী অধিক দ্রুত যোগাযোগ করতে পারে।
৩. সাধারণত 10 km থেকে 50 km পর্যন্ত বিস্তৃত হয়ে থাকে।
৪. প্রত্যন্ত অঞ্চলেও সেবা পাওয়া যায়।
৫. নিরাপদ ইন্টারনেট সংযোগ সুবিধা প্রদান করা যায়।
উত্তরঃ ফাইবার অপটিক্স ক্যাবল আলোক পালসের সাহায্যে সিগনাল ট্রান্সমিট করে। আবার, এই সিগন্যালের সমন্বিত রূপ ইলেক্ট্রিক্যাল নয়েজ দ্বারা আক্রান্তও হয় না। কিন্তু ইএমআই (EMI) তৈরির জন্য ডেটা তরঙ্গ আকারে প্রবাহিত হয় এবং রেডিও ফ্রিকোয়েন্সির চৌম্বকীয় প্রভাবের কারণে অনাকাঙ্ক্ষিত নয়েজ যারা আক্রান্ত হতে হয়। তাই ফাইবার অপটিক ক্যাবল ইএমআই (EMI) প্রভাব মুক্ত।।
উত্তরঃ ভার্চুয়াল রিয়েলিটি প্রযুক্তি ব্যবহার করে বাস্তবে অবস্থান করে কল্পনাকে ছুঁয়ে দেখা সম্ভব। ভার্চুয়াল রিয়েলিটি একটি কম্পিউটার নিয়ন্ত্রিত পরিবেশ যেখানে ব্যবহারকারী ঐ পরিবেশে মগ্ন হতে, বাস্তবের অনুকরণে সৃষ্ট দৃশ্য উপভোগ করতে, সেই সাথে বাস্তবের ন্যায় শ্রবনানুভূতি এবং দৈহিক ও মানসিক ভাবাবেগ, উত্তেজনা অনুভূতি প্রভৃতির অভিজ্ঞাতা অর্জন করতে পারেন।
অর্চুয়াল রিয়েলিটিতে ত্রি-মাত্রিক ইমেজ তৈরির মাধমে অতি অসম্ভব কাজও করা সম্ভবপর হয়।
সাধারণত একই বিল্ডিং এর একাধিক নেটওয়ার্ক বা একাধিক বিল্ডিং এর নেটওয়ার্কিং যুক্ত করতে যে ট্রান্সমিশন ক্যাবল ব্যবহার করা হয় তাকে নেটওয়ার্ক ব্যাকবোন ক্যাবল বলে। অর্থাৎ নেটওয়ার্কের ব্যাকবোন বলতে নেটওয়ার্কের মেরুদন্ড বোঝায়। অপটিক্যাল ফাইবার দ্বারা ব্যাককোন তৈরি করলে এটি নির্ভুল ডেটা আদান-প্রদান করতে পারে, উচ্চ ব্যান্ডউইথ সম্পন্ন হয় এবং বিদ্যুৎ চৌম্বক প্রভাব হতে মুক্ত হয়। এছাড়াও পরিবেশের তাপ-চাপ ইত্যাদি দ্বারাও অপটিক্যাল ফাইবার প্রভাবিত হয় না। তাই অপটিক্যাল ফাইবারকে নেটওয়ার্কের ব্যাকবোন বলা হয়।
উত্তরঃ "ডেটা ট্রান্সমিশনে আলোক রশ্মি পরিবাহী তার উত্তম" কারণ, ডেটা ট্রান্সমিশনে আলোক রশ্মি পরিবাহী তার হিসেবে অপটিক্যাল ফাইবার ব্যবহৃত হয়। আপটিক্যাল ফাইবারের সুবিধা-
১. অপটিক্যাল ফাইবার ইলেক্ট্রিক্যাল সিগন্যালের পরিবর্তে আলোক বা লাইট সিগন্যাল ট্রান্সমিট করে।
২. এতে আলোকের পূর্ণ অভ্যন্তরীণ প্রতিফলন পদ্ধতিতে ডেটা উৎস থেকে গন্তব্যে গমন করে।
৩. এতে গিগাবাইট রেঞ্জ বা তার থেকে বেশি গতিতে ডেটা চলাচল করতে পারে।
৪. বড় ধরনের নেটওয়ার্কে এ ক্যাবল ব্যবহৃত হয়। এটা রেডিও ফ্রিকুয়েন্সি (RF) থেকে উন্নত।
৫. এটা অতি স্বচ্ছ এবং তড়িৎ চৌম্বকীয় (EMI-Electro Magnetic Interference) প্রভাবমুক্ত।
১. অপটিক্যাল ফাইবার ইলেক্ট্রিক্যাল সিগন্যালের পরিবর্তে আলোক বা লাইট সিগন্যাল ট্রান্সমিট করে।
২. এতে আলোকের পূর্ণ অভ্যন্তরীণ প্রতিফলন পদ্ধতিতে ডেটা উৎস থেকে গন্তব্যে গমন করে।
৩. এতে গিগাবাইট রেঞ্জ বা তার থেকে বেশি গতিতে ডেটা চলাচল করতে পারে।
৪. বড় ধরনের নেটওয়ার্কে এ ক্যাবল ব্যবহৃত হয়। এটা রেডিও ফ্রিকুয়েন্সি (RF) থেকে উন্নত।
৫. এটা অতি স্বচ্ছ এবং তড়িৎ চৌম্বকীয় (EMI-Electro Magnetic Interference) প্রভাবমুক্ত।
উত্তরঃ অপটিক্যাল ফাইবার ক্যাবল দ্বারা সবচেয়ে দ্রুত তথ্য পাঠানো যায়। কারণ ফাইবার অপটিক ক্যাবল তার মাধ্যমের মধ্যে সবচেয়ে শক্তিশালী মাধ্যম। এর মধ্যে দিয়ে আলোক সংকেতরূপে ডেটা পরিবাহিত হয় বা চলাচল করে। এটি ইলেকট্রিক্যাল সিগন্যালের পরিবর্তে লাইট সিগন্যাল ট্রান্সমিট করে। ফলে ডেটা আলোর গতিতে স্থানান্তর হয়। এয় ভেতর দিয়ে 1 Gbps রেঞ্জ বা তার চেয়ে বেশি গতিতে ডেটা চলাচল করতে পারে।
উত্তরঃ একাধিক ডিভাইসের মধ্যে কোনো তারের সংযোগ ছাড়াই ডেটা ট্রান্সফার করার পদ্ধতি হলো ওয়্যারলেস কমিউনিকেশন সিস্টেম। এই সিস্টেম কয়েক মিটার থেকে শুরু করে কয়েক লক্ষ কিলোমিটার পর্যন্ত বিস্তৃত এলাকায় কার্যকর হতে পারে। ওয়্যারলেস কমিউনিকেশন সিস্টেমের মাধ্যমে বিভিন্ন ডিভাইস যেমন- রিমোট কন্ট্রোল, মাউস, প্রিন্টার, স্যাটেলাইট টেলিভিশন ইত্যাদি ব্যবহার করা যায়। ওয়্যারলেস কমিউনিকেশনে নেটওয়ার্কের অন্তর্ভুক্ত যেকোনো স্থান থেকে বা ভ্রমণরত অবস্থায় ইন্টারনেট অ্যাকসেস করা যায়।
উত্তরঃ স্বল্প দূরত্বে বিনা খরচে ডেটা ট্রান্সফার সম্ভব হয় ব্লুটুথের মাধ্যমে। এতে দুই বা ততোধিক যন্ত্রের মধ্যে তারবিহীন যোগাযোগ রক্ষা করে বিনা খরচে ডেটা ট্রান্সফার করা যায়। ব্লুটুথ সমন্বিত যন্ত্রপাতি সুইচ অন করার সাথে সাথে স্বল্প দূরত্বের মধ্যে স্বয়ংক্রিয়ভাবে ডেটা ট্রান্সফারের মাধ্যমে একে অপরের সাথে যোগাযোগ ঘটাতে সক্ষম হয়। ব্লুটুথ 10 সেন্টিমিটার থেকে 100 মিটার পর্যন্ত দূরত্বের মধ্যে ডেটা ট্রান্সফার করতে পারে।
উত্তরঃ বিভিন্ন প্রকার ওয়্যারলেস প্রযুক্তির নাম হলো:
১. ইনফ্রারেড
২. মোবাইল ফোন
৩. আল্ট্রাসনিক রিমোট কন্ট্রোল
8. GMRS-General Mobile Radio Service
৫. Marine VHF Radio
৬. GPS- Global Positioning System
৭. ব্লুটুথ ও
৮. স্যাটেলাইট প্রভৃতি।
১. ইনফ্রারেড
২. মোবাইল ফোন
৩. আল্ট্রাসনিক রিমোট কন্ট্রোল
8. GMRS-General Mobile Radio Service
৫. Marine VHF Radio
৬. GPS- Global Positioning System
৭. ব্লুটুথ ও
৮. স্যাটেলাইট প্রভৃতি।
উত্তরঃ নেটওয়ার্কের ক্ষেত্রে যে যে ওয়্যার ব্যবহার করা হয় তা হলো-
১. টুইস্টেড পেয়ার ক্যাবল
২. কো-এক্সিয়েল ক্যাবল
৩. ফাইবার অপটিকস ক্যাবল
নেটওয়ার্কের ক্ষেত্রে যে যে ওয়্যারলেস মাধ্যম ব্যবহার করা হয় তা হলো-
১. রেডিও ওয়েভ
২. মাইক্রোওয়েভ
৩. ইনফ্রারেড
১. টুইস্টেড পেয়ার ক্যাবল
২. কো-এক্সিয়েল ক্যাবল
৩. ফাইবার অপটিকস ক্যাবল
নেটওয়ার্কের ক্ষেত্রে যে যে ওয়্যারলেস মাধ্যম ব্যবহার করা হয় তা হলো-
১. রেডিও ওয়েভ
২. মাইক্রোওয়েভ
৩. ইনফ্রারেড
কম্পিউটার নেটওয়ার্কিং
উত্তরঃ দুই বা ততোধিক কম্পিউটারের মধ্যে যোগাযোগ স্থাপনের জন্য স্থাপিত সংযোগ পদ্ধতিকে নেটওয়ার্ক বলে। একটি নেটওয়ার্ক কার্ড মাদারবোর্ড বা মেইন বোর্ডের স্লটে বসানো থাকে। মেইনবোর্ডে অবস্থিত ডেটা বাস ও নেটওয়ার্ক ক্যাবল এর মাঝামাঝি অবস্থানে নেটওয়ার্ক কার্ড বসানো হয়ে থাকে। একাধিক কম্পিউটারের মধ্যে যোগাযোগ গড়ে তোলার জন্য নেটওয়ার্ক কার্ড ব্যবহৃত হয়। এ কার্ড সক্রিয় করার জন্য সফটওয়্যার প্রয়োজন যা নেটওয়ার্ক কার্ড নির্মাতারা সরবরাহ করে থাকেন।
উত্তরঃ বিভিন্ন দৃষ্টিকোণ থেকে কম্পিউটার নেটওয়ার্ক বিভিন্নভাবে শ্রেণীবিন্যাস করা হয়ে থাকে। মালিকানার ভিত্তিতে নেটওয়ার্ককে দুই ভাগে ভাগ করা যায় যথা-
১.প্রাইভেট নেটওয়ার্কঃ প্রাইভেট নেটওয়ার্ক সাধারণত নিজস্ব কোনো প্রতিষ্ঠান বা সংস্থার মালিকানাধীন থাকে। এ নেটওয়ার্কের নিরাপত্তা অনেক মজবুত এবং ট্রাফিক নেই বললেই চলে।
২. পাবলিক নেটওয়ার্কঃ পাবলিক নেটওয়ার্ক সাধারণত কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের মালিকানাধীন থাকে না। এটি কোনো সংস্থা বা প্রতিষ্ঠান দ্বারা পরিচালিত হয়। এক্ষেত্রে সেবা পরিবর্তে মূল্য পরিশোধ করতে হয়।
১.প্রাইভেট নেটওয়ার্কঃ প্রাইভেট নেটওয়ার্ক সাধারণত নিজস্ব কোনো প্রতিষ্ঠান বা সংস্থার মালিকানাধীন থাকে। এ নেটওয়ার্কের নিরাপত্তা অনেক মজবুত এবং ট্রাফিক নেই বললেই চলে।
২. পাবলিক নেটওয়ার্কঃ পাবলিক নেটওয়ার্ক সাধারণত কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের মালিকানাধীন থাকে না। এটি কোনো সংস্থা বা প্রতিষ্ঠান দ্বারা পরিচালিত হয়। এক্ষেত্রে সেবা পরিবর্তে মূল্য পরিশোধ করতে হয়।
উত্তরঃ কম্পিউটার নেটওয়ার্কগুলো সাধারণত নেটওয়ার্কের মধ্যে থাকা ডিভাইসগুলিকে একে অপরের সাথে এবং সংস্থানগুলি প্রেরণ, বিনিময় বা অন্যথায়
ভাগ করার অনুমতি দেওয়ার জন্য ব্যবহৃত হয়। কম্পিউটার নেটওয়ার্কিং একটি প্রতিষ্ঠানের কাজ যথাসম্ভব সহজ করে নিয়ে আসার সুযোগ করে দেয়। নিম্নে কম্পিউটার নেটওয়ার্কিং এর কিছু উদ্দেশ্য লেখা হলো।
১। ফাইল শেয়ারিংয়ের জন্য।
২ । হাডওয়্যার ও সফ্টওয়্যার শেয়ারিং এর জন্য।
৩। ডাটা নিরাপত্তা ও ব্যবস্থাপনার জন্য।
৪। কম্পিউটারের জায়গা রক্ষার জন্য।
৫। সর্বোপরি কর্মদক্ষতা বৃদ্ধির জন্য।
১। ফাইল শেয়ারিংয়ের জন্য।
২ । হাডওয়্যার ও সফ্টওয়্যার শেয়ারিং এর জন্য।
৩। ডাটা নিরাপত্তা ও ব্যবস্থাপনার জন্য।
৪। কম্পিউটারের জায়গা রক্ষার জন্য।
৫। সর্বোপরি কর্মদক্ষতা বৃদ্ধির জন্য।
উত্তরঃ লোকাল এরিয়া নেটওয়ার্ক তৈরি করতে টুইস্টেড পেয়ার ক্যাবল ব্যবহার করতে হবে। কারণ টুইস্টেড পেয়ার ক্যাবলের ডেটা ট্রান্সফার রেট বেশি, যা 10 Mbps থেকে 100 Mbps। যা অধিক নিরাপদে এই ক্যাবলের সাহায্যে এবং নির্ভরযোগ্যভাবে ডেটা আদান-প্রদান করতে পারে। এতে ডেটা ট্রান্সমিশন লস অপেক্ষাকৃত কম। এছাড়াও ফাইবার অপটিক ক্যাবলের তুলনায় সস্তা। উপরে উল্লেখিত বৈশিষ্ট্যগুলোর জন্যই লোকাল এরিয়া নেটওয়ার্ক তৈরি করতে টুইস্টেড ক্যাবল ব্যবহার করা প্রয়োজন।
নেটওয়ার্ক ডিভাইস
উত্তরঃ ব্যান্ড উইড্থকে সাধারণত bit per second (bps) দ্বারা হিসাব করা হয়। প্রতি সেকেন্ডে যে পরিমাণ বিট ট্রান্সমিট করা হয় তাকে bps বা ব্যান্ড উইড্থ বলে। 9600 bps বলতে প্রতি সেকেন্ডে 9600 বিট ডেটা ট্রান্সমিট হয় বোঝানো হয়েছে।
উত্তরঃ হাবের পরিবর্তে সুইচ ব্যবহার সুবিধাজনক। নেটওয়ার্ক সুইচ হলো বহু পোর্টবিশিষ্ট কম্পিউটার নেটওয়ার্ক ডিভাইস যা তথ্য আদান-প্রদান করতে সাহায্য করে। বাইরে থেকে সুইচ দেখতে হাবের মতো মনে হলেও এটি ভিন্ন পদ্ধতিতে নেটওয়ার্কের ক্লায়েন্টের মধ্যে ডেটা আদান-প্রদান করে। সুইচ সিগন্যাল গ্রহণ করার পর তা সরাসরি টার্গেট কম্পিউটার বা কম্পিউটারসমূহে প্রেরণ করে। তাই ডেটা প্রেরণে সুইচের ক্ষেত্রে কম সময় লাগে। সুইচের পোর্ট হাবের চেয়ে বেশি থাকে।
উত্তরঃ ভিন্ন প্রটোকলের নেটওয়ার্ক যুক্ত করতে ব্যবহৃত ডিভাইস হচ্ছে গেটওয়ে (Gateway)। ভিন্ন নেটওয়ার্কের সাথে যুক্ত হওয়ার সময় গেটওয়ে প্রটোকল ট্রান্সলেশনের কাজ করে। গেটওয়ে PAT (Protocol Address Translation) ব্যবহার করে নেটওয়ার্ক চিহ্নিত করে থাকে বলে একে প্রটোকল কনভার্টারও বলা হয়। এটি ডেটা ফিল্টারিং করতে পারে এবং শুধু টার্গেট আই পি অ্যাড্রেসে সংকেত পাঠায়। এটি তারের চেয়ে দ্রুত গতি সম্পন্ন এবং ডেটার সংঘর্ষ ও কলিশন আশঙ্কা কম।
উত্তরঃ ডেটা কমিউনিকেশনে প্রেরক ও প্রাপকের যন্ত্রটির নাম হলো মডেম। মডেম একটি কমিউনিকেশন ডিভাইস যা তথ্যকে এক কম্পিউটার থেকে অন্য কম্পিউটারে টেলিফোন নেটওয়ার্ক ব্যবস্থার মাধ্যমে পৌঁছে দেয়। মডেমে একটি Modulator এবং একটি Demodulator থাকে। প্রেরক কম্পিউটারের সাথে মডেম কম্পিউটারের ডিজিটাল সংকেতকে অ্যানালগ সংকেতে পরিণত করে টেলিফোন যোগাযোগ ব্যবস্থা দ্বারা প্রাপকের নিকট প্রেরণ করে।
উত্তরঃ সুইচের কার্যকারিতা হাবের মতো। সুইচ প্রেরিত সিগন্যাল গ্রহণ করার পর তা সরাসরি টার্গেট কম্পিউটারে পাঠায়। সাভারের কাজ হচ্ছে, নেটওয়ার্কভুক্ত কম্পিউটারগুলোতে তথ্য সেবা দেওয়া আর সুইচের কাজ হচ্ছে সিগন্যাল গ্রহণ করার পর তা সরাসরি প্রাপক কম্পিউটারসমূহে প্রেরণ করা। এ কারণে সুইচ সার্ভারের বিকল্প নয়।
নেটওয়ার্ক টপোলজি ও ক্লাউড কম্পিউটিং
উত্তরঃ মেশ টপোলজির ক্ষেত্রে নেটওয়ার্কের অধীনস্ত প্রত্যেক কম্পিউটার অন্য সব কম্পিউটারের সঙ্গে সরাসরি যুক্ত থাকে। এতে প্রতিটি ওয়ার্কস্টেশনের
মধ্যে আলাদা আলাদা লিংক বা বাস থাকে। তাই প্রতিটি ওয়ার্কস্টেশন সরাসরি যেকোনো ওয়ার্কস্টেশনের সাথে দ্রুত ডেটা আদান-প্রদান করতে পারে। সংযোগের সংখ্যা বেশি হওয়ায় বড় ধরনের নেটওয়ার্কে মেশ টপোলজির নেটওয়ার্ক গড়ে তোলা কষ্টকর হয়ে পড়ে। মেশ টপোলজি ইন্সটল ও ম্যানেজ করা কঠিন। এতে অনেক সংযোগ তৈরি করতে হয়। নেটওয়ার্কে নোড বাড়ার সাথে সাথে সংযোগ সংখ্যাও বেড়ে যায়।
উত্তরঃ নেটওয়ার্ক টপোলজি ছয় প্রকার। যথা-
১. বাস টপোলজি (Bus Topology)
২. রিং টপোলজি (Ring Topology)
৩. স্টার টপোলজি (Sur Topology)
৪. ট্রি টপোলজি (Tree Topology)
৫. মেশ টপোলজি (Mesh Topology)
৬. হাইব্রিড টপোলজি (Hybrid Topology)
১. বাস টপোলজি (Bus Topology)
২. রিং টপোলজি (Ring Topology)
৩. স্টার টপোলজি (Sur Topology)
৪. ট্রি টপোলজি (Tree Topology)
৫. মেশ টপোলজি (Mesh Topology)
৬. হাইব্রিড টপোলজি (Hybrid Topology)
উত্তরঃ ক্লাউড কম্পিউটিং বর্তমান বিশ্বে এক আলোড়নের নাম। এই সার্ভিস বা সেবার অবদানে আজ বিশ্বব্যাপী তথ্য ও প্রযুক্তির বিস্ময়কর উন্নতি সাধিত হচ্ছে। ক্লাউড কম্পিউটিং এর এই সেবা বা সার্ভিস মডেল তিন ধরনের হয়ে থাকে। নিম্নে ব্যাখ্যা করা হলো।
১। অবকাঠামোগত সেবাঃ সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠান তাদের নেটওয়ার্ক, সিপিইউ, স্টোরেজ ইত্যাদি কম্পিউটিং রির্সোস ভাড়া দেয়।
২। প্লাটফর্ম ভিত্তিক সেবাঃ ক্লাউড সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠানের প্রয়োজনীয় হার্ডওয়্যার, অপারেটিং সিস্টেম, ডেটাবেজ ইত্যাদি ভাড়া দেয়।
৩। সফটওয়্যার সেবাঃ সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠানের উন্নয়ন করা সফটওয়্যার ভাড়া দেয়।
১। অবকাঠামোগত সেবাঃ সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠান তাদের নেটওয়ার্ক, সিপিইউ, স্টোরেজ ইত্যাদি কম্পিউটিং রির্সোস ভাড়া দেয়।
২। প্লাটফর্ম ভিত্তিক সেবাঃ ক্লাউড সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠানের প্রয়োজনীয় হার্ডওয়্যার, অপারেটিং সিস্টেম, ডেটাবেজ ইত্যাদি ভাড়া দেয়।
৩। সফটওয়্যার সেবাঃ সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠানের উন্নয়ন করা সফটওয়্যার ভাড়া দেয়।
উত্তরঃ রিং টপোলজিতে সবগুল্যে কম্পিউটারের সাথে সবগুলো কম্পিউটারের সংযুক্ত করলে মেশ টপোলজি হয়। রিং টপোলজিতে একটি কম্পিউটার তার নিকটবর্তী দুই কম্পিউটারের সাথে সংযুক্ত থাকে। এ সংঘঠনের মধ্যে ডেটা প্রেরণ করা হলে ডেটা ঘুরতে থাকে যতক্ষণ না পর্যন্ত ডেটা কেউ গ্রহণ করে। তবে মেশ টপোলজির প্রত্যেক কম্পিউটার প্রত্যেকের সাথে সংযুক্ত থাকে। এবং প্রতিটি কম্পিউটার যে কোনো কম্পিউটারের সাথে সরাসরি ডেটা আাদন-প্রদান করতে পারে।


উত্তরঃ প্লাটফর্মভিত্তিক সেবা বা PaaS-এর পূর্ণরূপ হচ্ছে- Platform-as-a Service এখানে সরাসরি ভার্চুয়াল মেশিন ভাড়া না দিয়ে প্লাটফর্ম ভাড়া দেয়া যায়, যার ওপরে ব্যবহারকারীরা আপ্লিকেশন তৈরি করতে পারেন। যেমন গুগলের অ্যাপ ইঞ্জিন।
তথ্য প্রযুক্তি ও অন্যান্য
উত্তরঃ 'ব্যবহারকারী এবং সার্ভিস প্রদানকারী উভয়ই লাভবান হয়ে থাকেন'-বক্তব্যটি দ্বারা ক্লাউড কম্পিউটিং এর সুবিধাকে ইঙ্গিত করা হচ্ছে। সাধারণত ইন্টারনেটে বা ওয়েবে সংযুক্ত হয়ে কিছু গ্লোবাল সুবিধা ভোগ করার যে পদ্ধতি তাই হচ্ছে ক্লাউড কম্পিউটিং। বর্তমান বিশ্বে ক্লাউড কম্পিউটিং এক বিশ্বয়কর সুবিধা নিয়ে এসেছে। একটি প্রতিষ্ঠান, সংস্থা বা ব্যক্তি এখন যে কোন সময় তাদের প্রয়োজন অনুসারে হার্ডওয়্যার, সফটওয়্যার তথ্য একটি প্লাটফর্ম সাবস্ক্রিপশনের ভিত্তিতে ভাড়া নিতে পারেন। খরচ হ্রাস, রক্ষনাবেক্ষণ সুবিধা, স্বয়ংক্রিয় অপডেট ইত্যাদি নিয়ে ক্লাউড এক নতুন দিগন্তের উন্মোচন করেছে। এবং একজন ব্যবহারকারী তার সার্ভিস প্রদানকারীকে ঠিক ততটুকুই পরিশোধ করবে যতটুকু সে ব্যবহার করবে। ফলে ব্যবহারকারী ও সার্ভিস প্রদানকারী উভয়ই লাভবান হবে।
উত্তরঃ ক্লাউড কম্পিউটিং এর মাধ্যমে স্বয়ংক্রিয়ভাবে সফটওয়্যার আপডেট ও রক্ষণাবেক্ষণ করা যায়। ক্লাউড কম্পিউটিং এমন একটি কম্পিউটিং প্রযুক্তি যা ইন্টারনেট এবং কেন্দ্রীয় রিমোর্ট সার্ভারের মাধ্যমে ডেটা এবং এপ্লিকেশনসমূহ নিয়ন্ত্রণ ও রক্ষনাবেক্ষণ করতে সক্ষম।
উত্তরঃ ক্লাউড কম্পিউটিং এর সুবিধাগুলো নিম্নরূপ-
i. ছোট ও প্রাথমিক উদ্যোক্তাদের জন্য সহজেই ব্যবসা করার সুযোগ সৃষ্টি।
ii. অপারেটিং, খরচ তুলনামূলক কম থাকে।
iii. সার্বক্ষণিক ব্যবহার করা যায়।
iv. যেকোনো স্থান থেকে ইন্টারনেটের মাধ্যমে তথ্য আপলোড বা ডাউনলোড করা যায়।
v. স্বয়ংক্রিয়ভাবে সফটওয়্যার আপডেট করা হয়ে থাকে।
vi. যেকোনো ছোট বা বড় হার্ডওয়্যার এর মধ্য দিয়ে অ্যাপ্লিকেশন ব্যবহারের সুবিধা রয়েছে।
i. ছোট ও প্রাথমিক উদ্যোক্তাদের জন্য সহজেই ব্যবসা করার সুযোগ সৃষ্টি।
ii. অপারেটিং, খরচ তুলনামূলক কম থাকে।
iii. সার্বক্ষণিক ব্যবহার করা যায়।
iv. যেকোনো স্থান থেকে ইন্টারনেটের মাধ্যমে তথ্য আপলোড বা ডাউনলোড করা যায়।
v. স্বয়ংক্রিয়ভাবে সফটওয়্যার আপডেট করা হয়ে থাকে।
vi. যেকোনো ছোট বা বড় হার্ডওয়্যার এর মধ্য দিয়ে অ্যাপ্লিকেশন ব্যবহারের সুবিধা রয়েছে।
উত্তরঃ ইন্টারনেটে সংযুক্ত হয়ে কিছু গ্লোবাল সুবিধা ভোগ করার যে পদ্ধতি গড়ে উঠেছে তাকে বলে ক্লাউড কম্পিউটিং। ক্লাউড কম্পিউটিং এ ডেটা, তথ্য অথবা প্রোগ্রাম বা Application- এর উপর ব্যবহারকারীর নিয়ন্ত্রন থাকে না। পাশাপাশি অগণিত ব্যবহারকারী থাকার কারণে অনৈতিক ঘটনা (হ্যাকিং) ঘটার সম্ভাবনা বেশি থাকে। উপরে উল্লেখিত কারণে ক্লাউড কম্পিউটিং এ নিরাপত্তা তুলনামূলকভাবে কম।
উত্তরঃ ....






Comments