যে পদ্ধতিতে প্রেরক ও প্রাপক স্টেশনের মধ্যে পরপর দুটি ব্লকের ডেটা ট্রান্সমিশনের সময় একই এবং সর্বনিম্ন (প্রায় শূন্য) একক হয় তাকে আইসোক্রোনাস ডেটা ট্রান্সমিশন মেথড বলে।
তারের মধ্য দিয়ে ডিজিটাল বা অ্যানালগ যে কোন সিগনাল ট্রান্সমিট হবার সময় ধীরে ধীরে এর সিগন্যাল স্ট্রেইন্থ বা শক্তি ক্ষয় হতে থাকে। সিগন্যালের এই শক্তিক্ষয়কে অ্যাটিনুয়েশন বা ট্রান্সমিশন লস বলা হয়ে থাকে।
যে পদ্ধতিতে প্রেরক কম্পিউটার হতে ডেটা গ্রাহক কম্পিউটারে ক্যারেক্টার বাই ক্যারেক্টার ট্রান্সমিট হয় এবং ক্যারেক্টারসমূহের ট্রান্সমিশনের মধ্যে সময় বিরতি সমান নয়, তাকে অ্যাসিনক্রোনাস ট্রান্সমিশন বলে।
যে ব্যবস্থায় একটি প্রেরক থেকে শুধুমাত্র একটি প্রাপকই ডেটা গ্রহণ করে তাকে ইউনিকাস্ট বলে।
ইলেকট্রনিক ডিভাইসসমূহ ওয়্যারলেস রেডিও ফ্রিকোয়েন্সির চৌম্বকীয় প্রভাবের কারণে অনাকাঙ্ক্ষিত নয়েজ তৈরি করে যা ডেটা ট্রান্সফারের সময় ডেটা ট্রান্সমিশনে বাঁধার সৃষ্টি করে। এটিই হলো ইলেকট্রোম্যাগনেটিক ইন্টারফেয়ারেন্স বা ইএমআই।
৩০০ GHz থেকে ৪০০ THz পর্যন্ত ফ্রিকুয়েন্সি রেঞ্জের ইলেকট্রোম্যাগনেটিক ওয়েভকে ইনফ্রারেড বলে।
এভারনোট (Evernote) একটি ক্লাউড-ভিত্তিক সফটওয়্যার পরিসেবা যা বিভিন্ন মিডিয়া ফাইলগুলি তৈরী, সংগঠিত এবং সংরক্ষণ করার ডিজাইন করা হয়।
ওয়াই-ফাই বা ওয়্যারলেস ফিডালিটি (Wireless Fidelity) হচ্ছে একটি জনপ্রিয় তারবিহীন প্রযুক্তি যা রেডিও ওয়েভ ব্যবহার করে এ সাথে এক বা একাধিক ইলেকট্রনিক ডিভাইসকে উচ্চ ইন্টারনেট সংযোগ কিংবা কম্পিউটার নেটওয়ার্কের মাধ্যমে ডেটা আদান-প্রদান করতে পারে।
ওয়ান ড্রাইভ হলো একধরনের ভার্চুয়াল হার্ডডিক্স যার মাধ্যমে যে কোন ধরনের ফাইল রাখা এবং তা পিসি থেকে কন্ট্রোল বা অন্যের সাথে সহজে শেয়ার করা যায়।
যখন কম্পিউটার ব্যবহারকারীগণ তাদের আনুষঙ্গিক যন্ত্রপাতি ভাগাভাগি করে ব্যবহার ও পারস্পরিক তথ্য আদান-প্রদান করে থাকে তখন সামগ্রিক প্রক্রিয়াকে কম্পিউটার নেটওয়ার্ক বলে।
কুইকবুকস হলো এক ধরনের একাউন্ট সার্ভিস, যার মাধ্যমে অনলাইনে ক্যাশ নিয়ন্ত্রণ করা, বাজেট তৈরি, বিজনেস রিপোর্ট তৈরি করা যায়।
কম্পিউটারে ডেটা স্থানান্তরের সময় সংকেত সমন্বয়ের জন্য এর অভ্যন্তরে থাকা কোয়ার্টস ক্রিস্টলের কম্পনকে ক্লক পালস বলে।
ইন্টারনেটে বা ওয়েবে সংযুক্ত হয়ে কিছু গ্লোবাল সুবিধা ভোগ করার যে পদ্ধতি তাই হচ্ছে ক্লাউড কম্পিউটিং।
গুগল অ্যাপস অত্যন্ত জনপ্রিয় একটি ক্লাউড অ্যাপ্লিকেশন যা ডকুমেন্ট তৈরি করা, স্প্রেডশিড তৈরি, স্লাইড শো তৈরি, ক্যালেন্ডার মেইনটেনেন্স পার্সোনাল ইমেইল ইত্যাদি সার্ভিস দিয়ে থাকে।
গ্রাফিক কমিউনিকেশন হলো সকল ধরনের কমিউনিকেশন যেখানে লিপি, চিহ্ন বা ছবির মাধ্যমে মেসেজসমূহকে ভিজ্যুয়ালি প্রেরণ ও গ্রহণ করা হয়। ডাক বিভাগের মাধ্যমে প্রেরিত চিঠি এর একটি প্রকৃষ্ট উদাহরণ।
টুগল হলো একটি জনপ্রিয় টাইম ট্র্যাকিং অ্যাপ্লিকেশন যা প্রোজেক্ট কন্ট্রোল এবং টাইমিং এর জন্য ব্যবহার করা হয়।
টেলিকমিউনিকেশন হলো দূরবর্তী স্থানে যন্ত্র বা ডিভাইস নির্ভর যোগাযোগের পদ্ধতি। যেমন- টেলিফোন, মোবাইল ফোন, টেলিভিশন ইত্যাদি।
যে টপোলজিতে কম্পিউটারগুলো পরস্পরের সাথে গাছের শাখা-প্রশাখার মতো বিন্যস্ত থাকে তাকে ট্রি টপোলজি বলা হয়।
যে নেটওয়ার্কে নেটওয়ার্কভুক্ত কম্পিউটারসমূহ এমনভাবে বিন্যস্ত থাকে যাতে অনেকগুলো প্রসেসর (সিপিইউ) বিভিন্ন স্থানে ছড়ানো মেশিনে থাকে কিন্তু প্রয়োজনে সেগুলো আলাদাভাবে অথবা সংযুক্তভাবে কাজ করতে পারে তাকে ডিস্ট্রিবিউটেড নেটওয়ার্ক বলা হয়।
এক কম্পিউটার থেকে দূরবর্তী কোনো কম্পিউটারে ডেটা কমিউনিকেশনের ক্ষেত্রে ডেটা প্রবাহের দিক নির্দেশককে ডেটা কমিউনিকেশন মোড বলে।
যে হাব কম্পিউটারসমূহের মধ্যে কেবলমাত্র তথ্য আদান প্রদান করে, সংকেতের মান বৃদ্ধি করে না, তাকে নিষ্ক্রিয় হাব বলা হয়।
কম্পিউটার বা অন্য কোন ডিভাইসকে নেটওয়ার্কে যুক্ত করার জন্য যে ইন্টারফেস কার্ড ব্যবহার করা হয় তাকে নেটওয়ার্ক ইন্টারফেস কার্ড বলা হয়। একে ল্যান (LAN) কার্ড বা নেটওয়ার্ক কার্ডও বলা হয়।
একটি কম্পিউটারের সাথে অপর কম্পিউটার কি কৌশলে যুক্ত হবে সে কৌশলকেই নেটওয়ার্ক টপোলজি বলে।
যে ডেটা ট্রান্সমিশনের পদ্ধতিতে কাছাকাছি অবস্থিত ডিভাইসগুলোর মধ্যে একটি ক্যারেক্টারের সবগুলো বিট একসাথে সমান্তরাল ভাবে স্থানান্তরিত হয় তাকে প্যারালাল ট্রান্সমিশন বলে।
যে নেটওয়ার্কে প্রতিটি কম্পিউটার একই সাথে সার্ভার ও ওয়ার্কস্টেশন হিসেবে কাজ করে এবং প্রত্যেক ইউজার তাদের রিসোর্স অন্যের সাথে শেয়ার করতে পারে তাকে পিয়ার টু পিয়ার নেটওয়ার্ক বলে।
যে ক্যাবলটি সিলিকা, কাঁচ অথবা স্বচ্ছ প্লাস্টিক দিয়ে তৈরী এবং আলোর পূর্ণ অভ্যন্তরীণ প্রতিফলন পদ্ধতিতে ডেটাকে উৎস থেকে গন্তব্যে প্রেরণ করতে পারে তাকে ফাইবার অপটিক ক্যাবল বলে।
যে ট্রান্সমিশন মোড একই সময়ে উভয় দিক হতে ডেটা প্রেরণের ব্যবস্থা থাকে অর্থাৎ যে কোন প্রান্ত প্রয়োজনে ডেটা প্রেরণ করার সময় ডেটা গ্রহণ এবং ডেটা গ্রহণের সময় প্রেরণও করতে পারে তাকে ফুল ডুপ্লেক্স ডেটা ট্রান্সমিশন মোড বলে। যেমন: মোবাইল ফোন।
বায়োলজিক্যাল কমিউনিকেশন হলো সকল ধরনের কমিউনিকেশন যেখানে শরীরের বিভিন্ন অংশ যেমন- মস্তিষ্ক, স্বরযন্ত্র, কান, বাহু এবং হাত ইত্যাদি ব্যবহার করে মেসেজসমূহকে সঞ্চালন ও গ্রহণ করা হয়।
যে টপোলজিতে একটি মূল তারের সাথে সবকটি ওয়ার্কস্টেশন বা কম্পিউটার সংযুক্ত থাকে তাকে বাস টপোলজি বলা হয়। বাস টপোলজির প্রধান ক্যাবলটিকে বলা হয় ব্যাকবোন (Backbone)।
প্রতি সেকেন্ডে যে পরিমাণ ডাটা এক স্থান হতে অন্যস্থানে স্থানান্তরিত হয় তাকে অর্থাৎ ডেটা স্থানান্তরের হারকে ব্যান্ডউইথ বলে।
ডেটা ট্রান্সমিশন হওয়ার সময় প্রেরক ও প্রাপকের মধ্যে সিগন্যাল পাঠানোর সময় বিভিন্ন বিটের মধ্যে সমন্বয়ের জন্য ব্যবহৃত পদ্ধতিকে বলা হয় বিট সিনক্রোনাইজেশন।
একাধিক নেটওয়ার্ককে সংযুক্ত করে নেটওয়ার্ক সম্প্রসারণের ক্ষেত্রে ব্যবহৃত বিশেষ ধরনের ডিভাইসকে ব্রিজ বলা হয়।
যে নেটওয়ার্কের কোন একটি নোড (কম্পিউটার, প্রিন্টার বা অন্য কোন যন্ত্রপাতি) থেকে ডেটা প্রেরণ করলে তা নেটওয়ার্কের অধীনস্ত সকল নোড-ই গ্রহণ করে তাকে ব্রডকাস্ট মোড বলে।
যে ব্যান্ডউইথ উচ্চগতিসম্পন্ন ডেটা স্থানান্তর প্রক্রিয়ায় ব্যবহার করা হয় এবং যার গতি 1 Mbps থেকে বেশি হয়, তাকে ব্রডব‍্যান্ড বলা হয়।
স্বল্প দূরত্বে (১০ থেকে ১০০ মিটার) ডেটা আদান-প্রদানের জন্য ব্যবহৃত একটি ওপেন ওয়‍্যারলেস প্রটোকল হচ্ছে ব্লু-টুথ। এটি PAN (Personal Area Network) এর ওয়ারলেস ভিত্তিক নেটওয়ার্কের আওতাভুক্ত।
যে ব্যান্ডউইথের গতি 9600 bps পর্যন্ত হয়ে থাকে, তাকে ভয়েসব্যান্ড বলা হয়।
মডুলেটর ডিজিটাল সিগন্যালকে অ্যানালগ সিগন্যালে রূপান্তর করে, এ প্রক্রিয়াকে মডুলেশন বলে। ডি-মডুলেটর অ্যানালগ সিগন্যালকে ডিজিটাল সিগন্যালে রূপান্তর করে। এ প্রক্রিয়াকে ডিমডুলেশন বলে।
মডেম (Modem) একটি ডেটা কমিউনিকেশন ডিভাইস যা ডেটাকে এক কম্পিউটার থেকে অন্য কম্পিউটারে পৌঁছে দেয়।
এক ধরনের ইলেক্টোম্যাগনেটিক ওয়ের যা ডেটা, ছবি ইত্যাদি স্থানান্তর করে থাকে এবং সেকেন্ডে প্রায় ১-২ গিগাবিট বা তার চেয়ে বেশি (১০ গিগাবিট/ সে.) গতিতে ডেটা ট্রান্সমিট করতে পারে তাকে মাইক্রোওয়েভ বলে।
যে মোডে নেটওয়ার্কের কোন একটি নোড থেকে ডেটা প্রেরণ করলে তা নেটওয়ার্কের অধীনস্ত সকল নোডই এহণ করতে পারে না, শুধুমাত্র একটি নির্দিষ্ট গ্রুপের সকল সদস্য গ্রহণ করতে পারে তাকে মাল্টিকাস্ট মোড বলে।
মোবাইল সার্ভিস প্রোভাইডারে কাভারেজ এরিয়ার সীমাবদ্ধতা থাকে, এ সীমাবদ্ধতা দূর করার জন্য সার্ভিস প্রোভাইডারদের মধ্যে দেশীয় ও আন্তঃদেশীয়ভাবে পরস্পরের সাথে আন্তঃসংযোগের ব্যবস্থাকে বলা হয় রোমিং।
রাউটার হলো একটি বুদ্ধিমান ইন্টারনেটওয়ার্ক কানেকটিভিটি ডিভাইস যা লজিক্যাল এবং ফিজিক্যাল এড্রেস ব্যবহার করে দুই বা ততোধিক নেটওয়ার্ক সেগমেন্টের মধ্যে ডেটা আদান-প্রদানের ব্যবস্থা করে।
সাধারণত 1km বা তার কম এরিয়ার মধ্যে বেশ কিছু কম্পিউটার টার্মিনাল বা অন্য কোনো পেরিফেরাল ডিভাইস সংযুক্ত করে যে নেটওয়ার্ক তৈরি করা হয় তাই LAN।
সক্রিয় হাব সংকেতের মানকে বৃদ্ধি করে এবং মূল সংকেত থেকে অপ্রয়োজনীয় সংকেত বাদ দিয়ে প্রয়োজনীয় সংকেত প্রেরণ করে। এই অধিক ক্ষমতাযুক্ত হাবকে অনেক সময় Intelligent Hub বলা হয়।
যে পদ্ধতিতে প্রথমে প্রেরক স্টেশনের প্রাইমারি স্টোরেজ ডিভাইসে ডেটাকে সংরক্ষণ করা হয় এবং অতঃপর ডেটার ক্যারেক্টারসমূহকে ব্লক (যাকে প্যাকেটও বলা হয়) আকারে ভাগ করে সমান বিরতিতে প্রতিবারে একটি করে ব্লক ট্রান্সমিট করা হয় তাকে সিনক্রোনাস ট্রান্সমিশন বলে।
কেবলমাত্র একদিকে ডেটা প্রেরণের মোড বা প্রথাকে বলা হয় সিমপ্লেক্স। যে প্রান্ত ডেটা প্রেরণ করবে সে প্রান্ত গ্রহণ করতে পারবে না এবং গ্রহণ প্রান্ত প্রেরণ করতে পারে না। উদাহরণ- রেডিও, টিভি।
সুইচ এক ধরনের নেটওয়ার্ক কানেক্টিভিটি ডিভাইস যা মিডিয়া সেগমেন্টগুলোকে একটি কেন্দ্রীয় অবস্থানে এনে একত্রিত করে।
একটি প্রধান কম্পিউটার বা হোস্ট কম্পিউটার এবং কিছু টার্মিনাল নিয়ে গঠিত নেটওয়ার্ক হলো সেন্ট্রালাইজড নেটওয়ার্ক। হোস্ট কম্পিউটার সকল প্রসেসিং এর কাজ এবং নেটওয়ার্ক নিয়ন্ত্রণের কাজ করে থাকে।
যে টপোলজি একটি কেন্দ্রীয় নিয়ন্ত্রণকারী কম্পিউটার বা হোস্ট কম্পিউটারের সাথে অন্যান্য কম্পিউটার সংযুক্ত করে নেটওয়ার্ক গড়ে তোলে তাকে স্টার টপোলজি বলা হয়।
হটস্পট হলো এক ধরনের ওয়্যারলেস নেটওয়ার্ক একসেস পয়েন্ট যা মোবাইল, কম্পিউটার ও বিভিন্ন আইসিটি ডিভাইস (যেমন- স্মার্টফোন, ট্যাব নোটবুক, পিডিএ, ল্যাপটপ) ইত্যাদিতে ইন্টারনেট সংযোগ প্রদান করে।
সেন্ট্রালাইজড নেটওয়ার্ক ও ডিস্ট্রিবিউটেড নেটওয়ার্কের সংমিশ্রণে তৈরি নেটওয়ার্ককে হাইব্রিড নেটওয়ার্ক বলা হয়। এই নেটওয়ার্কে হোস্ট কম্পিউটারের নিয়ন্ত্রণ ও প্রসেসিং এর পাশাপাশি ডিস্ট্রিবিউটেড নেটওয়ার্কের বৈশিষ্ট্য বিদ্যমান থাকে।
ডেটা ট্রান্সমিশনের যে মোডে উভয় দিক থেকে ডেটা প্রেরণের সুযোগ থাকে, তবে তা একই সময়ে বা যুগপৎ সম্ভব হয় না তাকে হাফ-ডুপ্লেক্স মোড বলে। যে কোন প্রান্ত একই সময়ে কেবলমাত্র ডেটা গ্রহণ অথবা প্রেরণ করতে পারে, কিন্তু গ্রহণ এবং প্রেরণ একই সাথে করতে পারে না। যেমন-ওয়াকিটকি।

আইসিটির গুরুত্বপূর্ণ শব্দ সংক্ষেপ

Comments